Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.4/5 (14 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-২৪-২০১২

শনিবারের মধ্যে ইলিয়াসকে ফেরত না দিলে কঠোর কর্মসূচি

শনিবারের মধ্যে ইলিয়াসকে ফেরত না দিলে কঠোর কর্মসূচি
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল- বিএনপির 'নিখোঁজ' নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দিতে সরকারকে আগামী শনিবার পর্যন্ত চার দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন দলের চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। নইলে রোববার থেকে আবারও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ার করেন তিনি। বলেন, সরকারই ইলিয়াস আলী এবং গাড়িচালককে 'সন্ত্রাসী কায়দায় গায়েব' করে রেখেছে। শনিবারের মধ্যে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে। তাহলে তারা কঠোর কর্মসূচি দেবেন না। মঙ্গলবার গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন এ আলটিমেটাম দেন। ইলিয়াসের সন্ধানের দাবিতে তিন দিনের হরতালের পর দু'দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে_ বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং শনিবার দেশব্যাপী থানা সদরে বিক্ষোভ মিছিল। তবে সমকালকে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, রোববার থেকে ফের লাগাতার হরতাল দেওয়া হতে পারে। সরকারকে সন্ত্রাস, গুপ্তহত্যা ও গুমের 'ঘৃণ্য পথ' পরিহার করে শান্তি ও গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালকসহ যাদের গায়েব করে রাখা হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে দিন। বিএনপি কোনো কঠোর কর্মসূচি দেবে না। তারা অনেক ধৈর্য ধরেছেন। অনেক নেতাকর্মী হারিয়েছেন। অনেক জীবন অকালে ঝরে গেছে। আর নয়। জুলুম-নির্যাতন করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তারা আরও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন। সেই আন্দোলনের মাত্রা ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, শনিবারের মধ্যে ইলিয়াসের সন্ধান না মিললে রোববার থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। শনিবার ওই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ছাড়াও ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, দুই ছেলে এবং কন্যা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়া বলেন, সরকারই ইলিয়াস আলীকে গায়েব করেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং র‌্যাব এর সঙ্গে জড়িত, এতে কোনো সন্দেহ নেই। সরকারের দায়িত্ব তাকে ফেরত দেওয়া।
ইলিয়াস আলী জীবিত কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তা তারা নিশ্চিত হতে পারছেন না। সরকারই বলেছে, তারা তাকে ফিরিয়ে দেবে। তারা সে আশায় আছেন। খুন, গুম ও গুপ্তহত্যা করে পার পাওয়া যায় না। জীবিত অবস্থায় তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কোনো শর্তের কথা তার জানা নেই।
হরতালের মতো কর্মসূচির ফলে তদন্ত কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগ করেছে_ এ রকম প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, তদন্তের সঙ্গে কর্মসূচির সম্পর্ক নেই। কর্মসূচি তদন্তের জন্য বাধা হতে পারে না। চৌধুরী আলমকে নিখোঁজ করে নিয়ে গেছে র‌্যাব। থানায় মামলাও আছে। তখন কোনো কর্মসূচি দেইনি। চৌধুরী আলমকে কি সরকার ফিরিয়ে দিয়েছে?
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শরণাপন্ন হবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারটি সেখানকার একাধিক এমপি তুলে ধরেছেন। হাউস অব কমন্সেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যের শুরুতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, 'আমরা, আপনারা কেউ ভালো নেই। গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাস করছি সবাই। সারাদেশে বিরাজ করছে আতঙ্ক। চরম অনিরাপত্তায় ভুগছে নাগরিক সমাজ। সেই উৎকণ্ঠা নিয়েই আজ আমি আপনাদের সামনে এসেছি।'
ইলিয়াস আলী এবং গাড়িচালককে 'মুক্তি' দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সাত দিন হয়ে গেল ইলিয়াস আলী নিখোঁজ। গাড়িচালক আনসার আলীসহ তাকে সুস্থ, স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হোক। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে মামলা হতে পারে। আইন অনুযায়ী গ্রেফতারও করতে পারে সরকার। এভাবে গায়েব করে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এ অধিকার কারও নেই।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা দাবি নিয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে কথা বলেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। সরকার দ্রুত বিষয়টির আইনসম্মত ফয়সালা করবে বলে সবাই আশা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে পুরো বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হলো।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে খুবই দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। আন্দোলনের ইস্যু তৈরির জন্য বিএনপিই নাকি ইলিয়াস আলীকে লুকিয়ে রেখেছে। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‌্যাবের দিকে ইঙ্গিত করে আমাদের হুমকি দিয়ে বললেন_ আপনাদের তৈরি করা বাহিনীই আপনাদের খাবে। প্রজাতন্ত্রের প্রধান নির্বাহীর এ ধরনের বক্তব্যের নিন্দা করার ভাষা আমার জানা নেই। এ দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য ও হুমকির কারণেই প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মনোভাব পুরোপুরি পাল্টে যায়। তারা ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালককে জনগণের সামনে হাজির করার বদলে নানা ধরনের নাটক সাজানো ও কাহিনী তৈরিতে উৎসাহী হয়ে ওঠে।'
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য বিরোধী দলের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। এ থেকে মুক্তির জন্য সবাইকে কঠোর প্রতিবাদ ও ত্যাগ স্বীকার করতেই হবে। তাই তারা শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালনের ডাক দেন। সরকার ও সরকারি দল কর্মসূচির বিরুদ্ধে রাস্তায় লোক নামায়। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি অফিস পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী দিয়ে অবরোধ করে রাখা হয়। এত কিছু সত্ত্বেও পিকেটিং ছাড়াই সারাদেশে পরপর তিন দিন স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালিত হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়েই হরতাল যতদূর সম্ভব এড়িয়ে বিরোধী দল গণসংযোগ, রোডমার্চ, মহাসমাবেশসহ বিভিন্ন বিকল্প ও সৃজনশীল কর্মসূচি পালন করে আসছিল। এতে সর্বস্তরের জনগণও বিপুলভাবে সাড়া দিচ্ছে। সরকার সব কর্মসূচিতে বাধা দিতে শুরু করেছে। গত ১২ মার্চ মহাসমাবেশ ভ ুল করতে সরকার কী ধরনের জঘন্য পন্থা অবলম্বন করেছে তা সবাই দেখেছেন।
ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের হরতাল ডাকা ছাড়া উপায় ছিল না বলে মন্তব্য করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার ও সরকারি দলই উসকানি সৃষ্টি ও হরতালবিরোধী কর্মসূচি দিয়ে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। তাদের সৃষ্ট সহিংস পরিবেশের কারণেই হরতাল শুরুর প্রাক্কালে ও হরতাল চলাকালে দুজন গাড়িচালককে করুণ মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। এ প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। এ মৃত্যুর দায় সরকারকেই বহন করতে হবে। কেননা সহিংস পরিবেশ তারাই ডেকে এনেছে।'
তিনি বলেন, প্রথমে একদিনের হরতাল ডেকেছিলেন তারা। পরে সরকারের আচরণেই তা বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। ইলিয়াস ও তার গাড়িচালক আনসার আলীকে ছেড়ে দিলে হরতাল প্রত্যাহার করতেন। সরকার দাবি মানেনি। বরং সারাদেশে হরতাল বিরোধিতার নামে তারা পুলিশ, র‌্যাব ও দলীয় সন্ত্রাসী দিয়ে বিরোধী দলের ওপর হামলা করেছে।
এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহর বাসায় তল্লাশি, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানকে গ্রেফতার এবং খুলনায় ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হক টিটো ও মুন্নাকে মিছিল করার দায়ে থানায় ধরে নিয়ে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে পৈশাচিক কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালানোর প্রতিবাদ জানান তিনি। একইসঙ্গে সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশ ও সরকারি দলের 'সন্ত্রাসী'দের যৌথ হামলা এবং গুলি করে দু'জনকে হত্যা করার নিন্দা জানান। পাশাপাশি হরতালকে কেন্দ্র করে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।
নিখোঁজ দলীয় নেতাকে ফিরে না পেলে আন্দোলন থামানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, 'সরকারের সমর্থক কিছু ব্যবসায়ী নেতা ও ব্যক্তি হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। আমি তাদের বলব, সরকারের সঙ্গে তো আপনাদের নিয়মিত দেন-দরবার হয়। তাদের ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালককে ছেড়ে দিতে বলুন। সন্ত্রাস, হত্যা, গুম, অপহরণ বন্ধ করতে বলুন। মানুষের নিরাপত্তা, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট নিরসন, শেয়ারবাজার লুটের টাকা ফেরত, দুর্নীতি বন্ধ এবং তত্ত্বাবধায়কের সরকার পুনর্বহাল করতে বলুন। আমরা হরতাল ডাকব না। আন্দোলনও আমরা করব না। সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণই রায় দেবে দেশ পরিচালনার ভার কাদের হাতে থাকবে।'
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনার পরও তাকে পুনরায় মন্ত্রী করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, শপথ ছাড়াই তাকে মন্ত্রী পদে বহাল রেখে দুর্নীতিকে পুরস্কৃত করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সোহেল তাজ পদত্যাগ করার পরও একইভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে তাকে বেতন-ভাতা দিয়ে গেছেন। অবশেষে তিনি বিবেকের তাড়নায় নিজের সম্মান রক্ষার্থে সংসদ সদস্য পদেও ইস্তফা দিয়েছেন। এ জন্য সোহেল তাজকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আওয়ামী লীগ এবং সরকারের মধ্যে যাদের আত্মমর্যাদা বোধ ও দেশপ্রেম রয়েছে তাদের সোহেল তাজের পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, যারা সরকারের অন্যায় কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব বহন করতে চান না, তারা জনগণের কাতারে শামিল হোন।
এর আগে চৌধুরী আলমকে গুম, সাগর-রুনি হত্যা এবং সিলেটের দুই ছাত্রদল নেতাকে গুম করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, এখন সুরক্ষিত এমপি হোস্টেলে তরুণীর লাশ পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীর কাছে আশুলিয়া বেড়িবাঁধের পাশে অনেক মানুষকে খুন করে লাশ ফেলার প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমে দেখে মানবতা শিউরে উঠেছে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএসের গাড়িচালক আলী আজম ঘুষের টাকা ধরিয়ে দেওয়ার পর থেকে নিখোঁজ। সাংবাদিকরাও সত্য প্রকাশ করলে গুম কিংবা খুন হয়ে যায়।
দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ারকে গুম করার হুমকির প্রতিবাদ জানান খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, পত্রিকায় ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশের জন্য সমকাল সম্পাদককে হত্যা কিংবা গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন। এসব কিসের আলামত?
বিদেশি একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ওই সংবাদে বলা হয়েছে, বেছে বেছে বিএনপির একশ' নেতার তালিকা করা হয়েছে। তাদের একে একে গুম কিংবা খুন করা হবে। সংবাদে বলা হচ্ছে, বিশেষ গুপ্তঘাতক বাহিনী গঠন করা হয়েছে। তাই তারা আতঙ্কিত।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপি কথা বলবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বলেছেন, ফিরিয়ে দেবো।

বর্তমান সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ দাবি করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তিন বছরের কুশাসনে দেশটা আবার মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। সারাদেশে আজ বিভীষিকার রাজত্ব চলছে। দেশে আজ এক ব্যক্তির স্বেচ্ছাচার কায়েম হয়েছে। সামান্যতম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পরমতের প্রতি একটু শ্রদ্ধাবোধ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেই। কারও কথায় তিনি কর্ণপাত করেন না।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পুরো দেশটাকে আজ মগের মুল্লুকে পরিণত করা হয়েছে। কোথাও কোনো আইনের শাসন নেই। বিচারবিভাগ এখন প্রায় ন্যায়বিচারশূন্য। দলবাজ কিছু লোকের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও নৈরাজ্যে রাজনৈতিক মতলব হাসিলের ক্রীড়নকে পরিণত করা হচ্ছে বিচার ব্যবস্থাকে। প্রশাসন স্থবির। আইন-শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনসম্মত পন্থায় চলতে দেওয়া হচ্ছে না। দুর্নীতি, অনিয়ম, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন সর্বগ্রাসী রূপ নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে