Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০ , ১৭ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.7/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১০-২০১১

নতুন করে আর যুদ্ধের দিকে পা বাড়াবে না সুদান ও দক্ষিণ সুদান

নতুন করে আর যুদ্ধের দিকে পা বাড়াবে না সুদান ও দক্ষিণ সুদান
সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির ও দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট সালভা কির ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁরা নতুন করে আর যুদ্ধের দিকে পা বাড়াবেন না। শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে দুই নেতা যৌথভাবে অঙ্গীকার করেছেন।
দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট কির দুই দিনের সফরে গত শনিবার সুদানের রাজধানী খার্তুমে পৌঁছান। দুই দশকের গৃহযুদ্ধের পর গত জুলাইয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে দক্ষিণ সুদান। ওই গৃহযুদ্ধে প্রায় ১৫ লাখ লোকের প্রাণহানি ঘটে। স্বাধীনতা লাভের পর প্রেসিডেন্ট কিরের এটাই প্রথম সুদান সফর। কেবিনেট-বিষয়ক মন্ত্রী দেং আলোর ছাড়াও দেশটির অর্থমন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীসহ পররাষ্ট্রমন্ত্রীও তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে যান।
যুদ্ধে ফিরে না যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা ঘোষণা দিলেও সম্পদ ও ঋণের ভাগাভাগি, সীমান্ত উত্তেজনা এবং গোলযোগপূর্ণ আবেই এলাকা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো মতানৈক্য রয়েছে। তবে উভয় নেতা বলেছেন, দীর্ঘ মেয়াদের সংলাপের মাধ্যমে অর্জিত ২০০৫ সালের শান্তিচুক্তি থেকে তাঁরা শিক্ষা নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে তাঁরা আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান করবেন।
সুদানি প্রেসিডেন্ট বশির বলেছেন, ?যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা শান্তিচুক্তি অর্জন করেছি। আমরা আর কখনোই যুদ্ধে ফিরে যাব না।? প্রেসিডেন্ট বশির আরও বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে দুই দেশের মধ্যে যেসব বিষয়ে মতানৈক্য রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা মোটেও দুরূহ ব্যাপার নয়। তিনি দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট কিরকে বলেন, তাঁর খার্তুম সফর এই রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিষয়ে সুদানকে আশ্বস্ত করেছে।
জবাবে দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট কির বলেছেন, ?যেসব বিষয়ে সমঝোতা হয়নি, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই আমরা এসেছি। যুদ্ধের দিকে পা না বাড়াতে আপনাদের মতো আমরাও অঙ্গীকারবদ্ধ। সমাধানের পথ খুঁজতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।? তিনি উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য খার্তুম সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
খার্তুমে কূটনীতিকেরা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট কিরের এ সফরে উল্লেখযোগ্য কোনো বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে না। পরস্পরের মধ্যে অবিশ্বাস দূর করে আস্থা গড়ে তোলা এ সফরের মূল লক্ষ্য। আসছে দিনগুলোয় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার সংলাপ চালাতে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে অন্যরা বলছেন, তেলসম্পদ, দক্ষিণ সুদানে উৎপাদিত পণ্য এবং আবেই এলাকার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী।
গত সপ্তাহে দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবায় স্বাধীনতা উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ওমর আল-বশির বলেছিলেন, খার্তুম সরকারের কাছে দক্ষিণ সুদান সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। এ ছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে সুদানের বন্দরগুলো দক্ষিণ সুদানের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং তাঁদের যৌথ সীমান্ত নিরাপদ রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে