Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (32 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২৫-২০১৫

প্রেমিকা ট্যারা হলেও তাকে ভালো লাগে

তন্ময় দত্ত গুপ্ত


প্রেমিকা ট্যারা হলেও তাকে ভালো লাগে

ইন্ডাস্ট্রির সবার কাছে তিনি পরিচিত রনি নামে | থিয়েটার‚ টেলিভিশন পেরিয়ে আজ তিনি বাংলা সিনেমার অন্যতম ব্যস্ত কমেডিয়ান এবং ভিলেন | সম্প্রতি ফিরেছেন বাংলাদেশ থেকে‚ ছবির কাজ সেরে | তাঁর সঙ্গে কথা বললেন তন্ময় দত্ত গুপ্ত |

আপনি সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ফিরলেন । কেমন লাগল?

রজতাভ : এই প্রথমবার বাংলাদেশের মাটি ছুঁলাম । খুবই ভালো লাগল । ওখানকার মানুষদের খুব ভালোবাসা পেলাম । ভারত বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ছবির শুটিং হলো । আমি সেই ছবিতে অভিনয় করলাম।

ওই ছবি সম্পর্কে কিছু বলুন।

রজতাভ : ছবির নাম অঙ্গার । পরিচালক নেহাল । গ্রামের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির টক্করের ওপর ছবির বিষয়বস্তু । দুজন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে আশিস বিদ্যার্থী একজন । আর অন্যজন আমি । ছবিতে গ্রামের এক অনাথ ছেলেকে আমি মানুষ করি । বড় হয়ে সে আমাকে বাবার মতোই শ্রদ্ধা করে । ভালোবাসে । যদিও সে আমাকে মালিক বলে ডাকে । এই ছেলেটি ছবির হিরো । আমি, আশিস বিদ্যার্থী ছাড়াও এই ছবিতে এখানকার খরাজ মুখার্জী অভিনয় করেছেন ।

বাংলাদেশ সফরে গিয়ে ওখানকার কাজ কেমন মনে হলো?

রজতাভ : প্রত্যেক কাজের একটা নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট থাকে । বাংলাদেশের মার্কেট তুলনামূলক ভাবে ছোট । এখানে শিল্পীরা সারাদিন ধরে একটা ছবির জন্য  শুটিং করেন । বাংলাদেশে জল হাওয়ার মধ্যে একটা এলিয়ে পড়া ব্যাপার রয়েছে । আগে তাই কলটাইম  দেরিতে দেওয়া হতো । কিন্তু এখন সেটা অনেকটাই বদলে গেছে । আমরা যথেষ্ট টাইট শিডিউলের মধ্যে শুটিং করেছি । ওখানকার টেকনেশিয়ান, আর্টিস্টরা খুব ভালো কাজ করছেন । টেকনিক্যাল দিক থেকে বাংলাদেশের সিনেমা আগের থেকে উন্নতি করেছে ।

আজ আপনি জনপ্রিয় অভিনেতা । কিন্তু এই জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কিভাবে অর্জন করলেন?

রজতাভ : আমি গ্র্যাজুয়েশন করার আগে কখনও অভিনয় করিনি । গ্রুপ থিয়েটার শুরু করি গ্র্যাজুয়েশনের পর থেকে । তখন অন্তরমুখ বলে একটা নাট্যদলে থিয়েটার শুরু করি । পরে স্বপ্নসন্ধানী নাট্যদলে দীর্ঘসময় অভিনয় করি । এই দলে কাজ করার সময় আমি বেশ কিছু বছর চাকরি করেছি । একটা সময় চাকরিটা ছেড়ে দিই । তারপর ফুল টাইমার অভিনেতা হয়ে যাই । তখন সিরিয়ালের এতো রমরমা বাজার ছিল না । প্রাইভেট চ্যানেলগুলো তখনও আসে নি । সেই সময় আমার কাছে সিনেমায় অভিনয় ছিল দূরের জগৎ ।

দূরের জগৎ হলেও সেই জগতেই পা রেখেছিলেন?

রজতাভ : হ্যাঁ, রেখেছিলাম । কিন্তু তখন যথেষ্ট ভাবনা চিন্তা করতে হয়েছিল । থিয়েটারের পাশাপাশি তখন টিভিতে কিছু কাজ করছি । ১৯৯৪ সালে তপন সিংহের “আজব গাঁয়ের আজব কথা” ছবিতে প্রথম অভিনয় করি । এরপর রাজা সেনের “চক্রব্যুহ”-তে অভিনয় করি। ওই দুটো ছবি তেমন চলেনি । ২০০০ সালে অপর্ণা সেনের “পারমিতার একদিন”এ  কাজ করি । ছবিটা সাফল্য পায় । আমার পরিচিতি হয় । তারপর ২০১০ সাল পর্যন্ত আমি শুধু কমার্শিয়াল বাংলা ছবিতে অভিনয় করি ।

থিয়েটারে প্রবেশের আগে  চলচ্চিত্র,গান— এ ধরনের  সাংস্কৃতিক যোগাযোগ কি ছিল?

রজতাভ : নব্বইয়ের দশক থেকে সুমন-অঞ্জন-নচিকেতা-শিলাজিতের গান আমরা শুনেছি । এর পরে নব্বইয়ের শেষের দিকে ব্যাণ্ডের আগমন । তখন সিডি আসেনি । আমরা ক্যাসেট কিনে গান শুনতাম । বাংলা ছবির গান তখন তেমন কেউ শুনত না । আর আশির দশক এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বাংলা সিনেমা ছিল হিন্দি সিনেমা টাইপের । তাই সিনেমার থেকে গানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়েছিল বেশি ।

তখন কি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে অভিনেতা হবেন ?

রজতাভ : তেমন কোনও সিদ্ধান্ত ছিল না । আমার বন্ধু বান্ধব জোর করে আমাকে থিয়েটারের দলে নিয়ে যায় ।  তখন সৌমিত্র বসু আমাদের নাটকের পরিচালক এবং শিক্ষক ছিলেন । সে সময় থিয়েটারের কিছুই জানিনা । চোখ খুলে শুধু রিহার্সাল দেখি । আস্তে আস্তে আমার ইন্টারেস্ট বাড়তে থাকে । এবং আমি ঠিক করি যে আমি অভিনেতাই হব । যে সমস্ত বন্ধু আমাকে জোর করে থিয়েটারে ঢুকিয়েছিল,তারা ঘটনাচক্রে আজ আর কেউ থিয়েটারের সঙ্গে নেই । প্রত্যেকেই চাকরি করছে । আমি একমাত্র অভিনয় মাধ্যমের সঙ্গে রয়ে গেলাম ।

থিয়েটার থেকে যখন সিনেমায় প্রথম কাজ করতে এলেন,তখন সিনেমা মাধ্যমকে ঠিক কী মনে হয়েছিল?

রজতাভ : থিয়েটার আর সিনেমা ভিন্ন মাধ্যম হলেও, যে কোনও মাধ্যমেই আমার কাছে মূল বিষয় ছিল অভিনয় । তাই অভিনয়কেই খুব ভালোভাবে রপ্ত করছিলাম । প্রাইভেট চ্যানেলগুলো তখন সবে আসছে । কাজ করতে করতে দুটো মিডিয়ার যে আলাদা ধরন সেটা বুঝতে পেরেছিলাম ।

এমন কোনও চরিত্রে অভিনয় করেছেন যে চরিত্র ব্যক্তি রজতাভ দত্তের জীবন আদর্শের কথা বলেছে?

রজতাভ : দেখুন আমি কোনও সমাজ বদল করতে আসিনি । অভিনয় করতে এসেছি । ছোটবেলা থেকেই আমার অভিনয় দেখতে ভালো লাগত । মঞ্চে অথবা চলচ্চিত্রে অভিনেতাকে আমার জাদুকর বলে মনে হতো । তাই অভিনয়ের কৌশল আমার শিখতে খুব ইচ্ছে করত ।

নানা ধরনের চরিত্রের অফার আপনার কাছে আসে । সেখান থেকে ঠিক কী  কী  ধরনের চরিত্র আপনি বাছাই করেন ?

রজতাভ : চরিত্র নির্বাচনের আগে আমি অন্য একটা বিষয়ের ওপর জোর দিই । সেটা হোল কোন হাউসের ছবি সেটা আগে দেখে নিই । এই হাউসের ওপর নির্ভর করে ছবি রিলিজের ব্যাপার । ভালো হাউসের ছবি হলে রিলিজের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা হয় না । এরপর আমি স্ক্রিপ্ট খুব ভালো করে পড়ি । আমি দেখি স্ক্রিপ্টে আমার চরিত্রে অ্যাক্টিং স্কোপ কতোখানি । অনেক সময় স্ক্রিপ্ট তেমন  জোরালো থাকে না । তবুও আমি সেই ছবিতে কাজ করি । কারণ আমি একজন পেশাদার অভিনেতা । আমি আমার সাধ্যমতো চরিত্রকে যুক্তিগ্রাহ্য করে তোলার চেষ্ট করি ।

পেশার জন্যই আপনি ক্রমাগত বাণিজ্যিক ছবিতে ভিলেন এবং কমেডিয়ান চরিত্রে অভিনয় করে গেলেন । নিজেকে কখনও একঘেয়ে ক্লান্তিকর টাইপ ক্যারেক্টার মনে হয় না?

রজতাভ : দেখুন এই প্রশ্নটা শুধু কমেডিয়ান আর ভিলেনদের করা হয় । নায়ক নায়িকারা প্রায় প্রতিটা ছবিতে একইরকম প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করেন । তাদের কিন্তু এই প্রশ্ন করা হয় না । আসলে ধরেই নেওয়া হয় ভিলেন বা কমেডিয়ান ছাড়া ওই অভিনেতাকে আর মানাবে না । আর আমার নিজের ক্ষেত্রে জীবিকা নির্বাহের জন্য আমি যে চরিত্র পাই সেই চরিত্রেই অভিনয় করি । আর লক্ষ্য করে দেখবেন,যে চরিত্র জনপ্রিয় হয় সেই চরিত্রকেই রিপিট করা হয় । এটা এদেশের মতো বিদেশেও হয়ে থাকে । মারদাঙ্গা কমার্শিয়াল ছবিতে হিরো, হিরোইন,কমেডিয়ান আর ভিলেন —এই চার রকমের চরিত্র দেখতে পাওয়া যায় । আমার যা চেহারা তাতে হিরো করা সম্ভব নয় । হিরোইন করার প্রশ্ন উঠছে না। সুতরাং আমাকে কমেডিয়ান আর ভিলেন করতে হয়।

আপনাকে আগে টেলিভিশনে অনেক এক্সপিরিমেণ্টাল চরিত্রে দেখা যেত । এখন আর দেখাই যায়না । টেলিভিশন একদম ছেড়ে দিলেন?

রজতাভ : এখন টেলিভিশনে টেলিফিল্মের সংখ্যা কমেছে । আর ছবিতে অভিনয়ের চাপের জন্য সিরিয়ালে কাজ করতে পারি না । এছাড়া আর একটা বিষয় হলো, সিরিয়ালের এপিসোড শেষ হলে, কিছুদিন বাদে আর সেই এপিসোড দেখা যায় না । কিন্তু সিনেমা যেমনই হোক তার একটা আর্কাইভাল ভ্যালু থাকে। যেটা সিরিয়ালে থাকে না।

মীরাক্কেলের মতো রিয়ালিটি শোর আপনি বিচারক । এ ধরনের শো থেকে কি কোনওরকম রসদ সংগ্রহ করেন নাকি নিছকই পেশার তাগিদে রিয়ালিটি শো করে থাকেন?

রজতাভ : রসদ প্রতি মুহূর্তে সংগ্রহ করি । যখন আমি তেমন জনপ্রিয় হইনি,তখন রাস্তাঘাটের বিভিন্ন জীবন থেকে রসদ সংগ্রহ করতাম । পরে আমি জনপ্রিয় হওয়ার পর আমার চলাফেরা অনেক সীমাবদ্ধ হয়ে যায় । আমি গাড়িতে যাতায়ত করতে থাকি । তখন আমি আমার আগের জীবনের একাধিক রসদ কাজে লাগাতে থাকি । কিন্তু মীরাক্কেলে জাজিং করার সময় নতুন ছেলে মেয়েদের কাছ থেকেও শিখি ।

এ ধরনের রিয়ালিটি শো থেকে কি সত্যি প্রতিভা উঠে আসে? নাকি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায়?

রজতাভ : রিয়ালিটি শো থেকে প্রচুর প্রতিভাবান যেমন হারিয়ে গেছে তেমন অনেকে নামও করেছে । এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো বাংলাদেশ । এবার বাংলাদেশে যাওয়ার পর মীরাক্কেলের রণি,সজল,জামিল,শশী আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল । ওখানকার টিভির বিভিন্ন শোতে ওরা অ্যাঙ্কারিং করছে । কেউ কেউ ছবিতে কাজ করছে । অন্তত পাঁচ থেকে ছয়জনকে দেখে এলাম যাদের জীবন রাতারাতি বদলে গেছে । তারারীতিমত সেলিব্রিটি ।

আজ খবরের কাগজ বা টিভিতে চোখ রাখলেই দেখা যায় খুন,জখম,রাজনৈতিক হানাহানি । বাংলা সিনেমায় কিন্তু এর কোনও রিফ্লেকশন নেই । বাংলা সিনেমা কি গোয়েন্দা থ্রিলার,পরকীয়া আর অবাধ যৌনতা দেখিয়ে বাজিমাত করতে চায়?

রজতাভ : দেখুন সিনেমা এক্সপেনসিভ মিডিয়া । প্রযোজক এখানে বহু টাকা লগ্নি করেন । তাই তার টাকা ফেরত দেওয়ার একটা চেষ্টা থাকে । এছাড়া আমাদের মতো দেশে সিনেমার পক্ষে রাজনৈতিক বীক্ষা তুলে ধরা শক্ত । কারণ সম্ভবত কেউ বির্তকে জড়াতে চান না । এখনকার রাজনৈতিক অবস্থা  ভবিষ্যতে সিনেমায় দেখা যাবে । যেমন সেদিনের নকশাল আন্দোলন নিয়ে আজ অনেক রকমের  ছবি হচ্ছে । কিন্তু নকশাল আন্দোলন নিয়ে সেই সময় তেমন ছবি হয়নি ।

নকশাল আন্দোলন নিয়ে তো সত্তর দশকেই  ছবি হয়েছে । প্রতিদ্বন্ধ্বী,কলকাতা৭১ যার জ্ব্লন্ত দৃষ্টান্ত।

রজতাভ : হ্যাঁ,  হয়েছে । নকশাল পিরিয়ড একটা সংগ্রামের চেহারা নিয়ে এসেছিল । কিন্তু সেই প্রজন্মের মানুষেরা এতো ভুগেছে যে তারা পরবর্তী প্রজন্মকে ঝুঁকিহীন জীবনযাপন করতে শিখিয়েছে । এখন বোহেমিয়ান মানুষ খুব কম পাবেন । সবাই এখন খুব সাবধানী আর সেয়ানা হয়ে গেছে ।

সামনে আর কী কী ছবিতে অভিনয় করছেন?

রজতাভ : অনেকগুলো ছবি রেডি হয়ে আছে । রাজকাহিনী, ডার্টি ফিল্ম ,ষড়রিপু— এরকম আরো ছবি আসছে । সব মনে থাকে না -।

অতীত থেকে এখন পর্যন্ত এমন কোনও ভুল আছে যেটা শুধরে নিলে জীবনটা অন্যরকম হতো?

রজতাভ : আমি কোনও ভুলকেই ভুল বলে মনে করি না । যে কোনও ভুলই হলো জীবনের একটা পদক্ষেপ । একটা অভিজ্ঞতা । কাজেই আমার কোনও অনুতাপ নেই ।

আপনাকে কোনও বুদ্ধিজীবী মিছিল বা প্রতিবাদী মঞ্চে দেখা যায় না । আপনি এসব থেকে দূরে থাকেন কেন?

রজতাভ : আমাকে অভিনেতা হিসেবেই মানুষ চেনেন । সেটাই আমি করতে চাই । সমস্ত বিষয় যে আমি বুঝি সেটা না ভাবাই ভালো । আমার এতো ক্ষমতা নেই ।

সামনে বলিউডে কোনও কাজ করছেন?

রজতাভ : অনুরাগ বসুর একটা ছবি করছি । যেটা দুহাজার চোদ্দয় শুট হয়েছে । দুহাজার ষোলোয় হয়ত রিলিজ করবে । ছবির নাম —জাগ্গা জাসুস ।

বহু বছর এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন । কোনও কিছু না পাওয়ার ক্ষোভ আছে?

রজতাভ : এই ইন্ডাস্ট্রি আমার পছন্দের জায়গা । তাই সবকিছুই ভালো লাগে । খানিকটা প্রেমে পড়ার মতো । প্রেমিকা ট্যারা হলেও তাকে ভালো লাগে ।

তার মানে ইন্ডাস্ট্রির ট্যারা দিক আছে ?

রজতাভ : দেখুন ইন্ডাস্ট্রির কোনও খুঁত থাকলেও আমার সেটা খুঁত মনে হয় না । কারণ এই ইন্ডাস্ট্রি আমার ভালোবাসার জায়গা ।

এই প্রশ্নটার উত্তর কি একটু এড়িয়ে গেলেন ?

রজতাভ : সেটা তো আপনার ব্যাপার । আমি উত্তরটা সৎভাবে দেওয়ার চেষ্টা করলাম ।

সাক্ষাৎকার

আরও সাক্ষাৎকার

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে