Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৭ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.7/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৯-২১-২০১৫

দেশে ফিরতে ব্যাকুল সালাহ উদ্দিন!

দেশে ফিরতে ব্যাকুল সালাহ উদ্দিন!

নয়াদিল্লি, ২১ সেপ্টেম্বর- অনুপ্রবেশের মামলার ভারতে বিচার চললেও দেশে ফিরতে ব্যাকুল  হয়ে উঠেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ। অপেক্ষায় আছেন কখন শেষ হবে শিলংয়ের আদালতের বিচারকাজ। শেষ হলেই দেশে ফিরবেন। ঘনিষ্ঠজনদের কাছে তিনি দেশে ফেরার ব্যাপারে অধীর আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

যদিও যত দিন যাচ্ছে ততই মানসপট থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। এমনকি নিজের দল বিএনপির নীতিনির্ধারকরাও এখন আগের মতো বক্তৃতা-বিবৃতিতে দলের এই নেতার প্রসঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহাও দেশের বাইরে করতে হচ্ছে সালাহ উদ্দিনকে। যদিও সেখানে তাকে পরিবারের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হতে হবে না। কারণ এক সন্তানকে নিয়ে শনিবার শিলং পৌঁছেছেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ।

এছাড়া নিজ এলাকা কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেকেই শিলংয়ে সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসেছেন বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, ১০ মার্চ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি জোটের অবরোধের মধ্যে হঠাৎ করে ঢাকা থেকে “নিখোঁজ” হন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। এর প্রায় দুই মাস পর ১১ মে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের গলফ লিঙ্ক রোড থেকে তাকে আটক করে সেখানকার পুলিশ। প্রথমে মানসিক রোগী ভেবে পুলিশ তাকে শিলংয়ের মিমহ্যান্স মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করে। তার পরিচয় জানার পর পরদিন তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০ মে তাকে শিলংয়ের নেগ্রিমস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

২৬ মে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে ২৭ মে অনুপ্রবেশের অভিযোগ এনে তাকে আদালতে তোলা হয়। শিলং আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালাহ উদ্দিনকে ১৪ দিন বিচারিক হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। ওই রাতেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে পরদিন তাকে আবারও নেগ্রিমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে দায়েরকৃত মামলায় সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৩ জুন আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

৫ জুন শিলংয়ের নিম্ন আদালতের বিচারক ভি মৌরি শর্তসাপেক্ষে সালাহ উদ্দিনের জামিন মঞ্জুর করেন। ৮ জুন সালাহউদ্দিন হাসপাতাল থেকে ভাড়া বাসায় ওঠেন। পরে ১০ জুন মামলার ধার্য তারিখে আদালত সালাহউদ্দিনের জামিন বহাল রাখেন। গত জুলাইয়ে মামলার বিচারকার্যও শুরু হয়েছে।

চলতি মাসের ৩০ তারিখ মামলার শুনানির দিন ধার্য আছে। সম্প্রতি সালাহ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসছেন বিএনপির একজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কবে মামলার বিচারকাজ শেষ হবে এই অপেক্ষায় আছেন বিএনপির এই নেতা। বলেছেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর আবার মামলার তারিখ আছে। দেখি মামলার বিচারে কি হয়।’

জানা গেছে, দেশের বাইরে থাকলেও কক্সবাজারে গ্রামের বাড়িতে সালাহ উদ্দিন আহমদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোরবানি দেয়া হবে। নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়েও ওই নেতার সঙ্গে কথা বলেন সালাহ উদ্দিন। বলেছেন, স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব ভালো নেই। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলছি। এখনও স্পাইনাল কটে ব্যথা আছে।’ শুরুতে যে কটেজে ছিলেন এখনও একই কটেজে বসবাস করছেন সালাহ উদ্দিন। জানা গেছে, তিনি শিলংয়ে লাবাং নামক এলাকায় আল মদিনা মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে