Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০ , ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.0/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৯-০৯-২০১৫

বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের গণ্ডি থেকে মুক্ত করতে চান আশরাফ

বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের গণ্ডি থেকে মুক্ত করতে চান আশরাফ

ঢাকা, ০৯ সেপ্টেম্বর- বঙ্গবন্ধুকে দলীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ করায় জাতির জনক হিসেবে তার প্রকৃত মূল্যায়ন হচ্ছে না বলে মত প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

বঙ্গবন্ধুকে গণ্ডিবদ্ধ করার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তার মতে, জাতির জনককে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে আওয়ামী লীগ নিজেকেই খাটো করেছে।

১৫ অগাস্ট স্মরণে বুধবার এক অনুষ্ঠানে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “আমাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে আটকে রাখা ঠিক হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধু পুরো জাতির নেতা, সকল মানুষের ও সকল রাজনৈতিক দলের নেতা।

“আমরাই কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে বিভক্ত করেছি; আর বঙ্গবন্ধুকে বিভক্ত করে নিজেদেরই খাটো করেছি।”

বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে আশরাফ বলেন, “মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ভারতে কোনো বিতর্ক নেই, পাকিস্তানে জিন্নাহকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, আমেরিকায় ওয়াশিংটনকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তাহলে কেন বঙ্গবন্ধু একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন?”

বঙ্গবন্ধুর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএসএমএমইউ’র ৪০ দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী আশরাফ।

এই দিবস সার্বজনীনভাবে পালনে আওয়ামী লীগের আহ্বানে এবার জনগণের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আশরাফ বলেন, “যে সব সংগঠন আগে কোনোদিনও জাতীয় শোক দিবস পালন করেনি, তারাও করেছ। যে সব ব্যক্তি কখনও এসব অনুষ্ঠানে যায়নি, তারাও গেছে। এ বছর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বিপুল লোক সমাগম হয়েছিল, যেটা গত ১০ বছরেও হয়নি।”

আরও বড় আশা রেখে তিনি বলেন, “এই বছর ‍পুরোপুরি সফল না হলেও আমার অচিরেই সার্বজনীন আকারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করব।

“এমন একদিন আসবে যেদিন আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমার পাশে বিএনপির মহাসচিব, তার পাশে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক; থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, তার পাশে বিরোধীদলীয় নেত্রী- আমরা সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেব।”

আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম শুরু করা শেখ মুজিবুর রহমান কালে ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন।


বঙ্গবন্ধুর জীবনীনির্ভর আলোকচিত্র নিয়ে এবার প্রদর্শনী হয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে

স্বাধীন দেশে একদল সেনা সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের হত্যার পর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে যাত্রা শুরু করেছিল।

তারপর যে দলগুলো ক্ষমতায় ছিল, তারা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে বঙ্গবন্ধুকে অনেকটা নির্বাসনেই পাঠিয়েছিল।    

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তাকে শেষ করতে পারে নাই। তিনি জীবন দিয়ে জনগণের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু ক্রমে ক্রমে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছেন। এখন বঙ্গবন্ধু, জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়েও অনেক শক্তিশালী।”

‘রোগীর সেবায় হই আরও যত্নবান’ স্লোগানে এবার বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেছে তার নামে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় বিএসএমএমইউ।

স্লোগানের ব্যাখ্যা তুলে ধরে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক বলেন, “চিকিৎসকরা যদি যে যেখানে আছি সেখান থেকে দেশের চিকিৎসা স্বাস্থ্যসেবার জন্য উন্নততর কিছু করতে পারি, তাহলে বঙ্গবন্ধুকে যথাযথভাবে স্মরণ করা হবে।”

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক দ্বীন মোহাম্মদ নুরুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের ‍স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নেতা অধ্যাপক ডা. শরফুদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে