Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ , ৩০ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৮-২০১২

নতুন এক ডজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৫০ মামলার তদন্তে ট্রাইব্যুনাল

নতুন এক ডজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৫০ মামলার তদন্তে ট্রাইব্যুনাল
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আরো এক ডজনেরও বেশি সাবেক ও বর্তমান রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
ট্রাইব্যুনালে আটক এবং নতুন এক ডজনেরও বেশি এই যুদ্ধাপরাধীসহ যাদেরকে অভিযোগের আওতায় আনা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে চারশত অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে।

 

দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে থাকা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলাগুলো তদন্ত সংস্থায় স্থানান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা সেগুলো পর্যালোচনা করছেন।

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রাথমিক ভাবে ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান। তিনি বলেন, ‘‘এই অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, পর্যায়ক্রমে বাকিদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তদন্ত করা হবে।’’

 

তার মতে, তদন্ত সংস্থার অবকাঠামো ও জনবল সংকটসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন কারণে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন হলেও তদন্ত থেমে নেই। তদন্তকালে কর্মকর্তারা গাড়ির সংকট, লাইব্রেরি সংকট, পত্রিকা কাটিংয়ের ব্যবস্থা না থাকা ইত্যাদি সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রতিদিন।

 

তদন্ত সংস্থা এখন যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করছে, তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রীও রয়েছেন। তদন্তের তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের মধ্যে একেএম ইউসুফ আলী, মীর কাসেম আলী, চৌধুরী মাঈনুদ্দিন, মাওলানা আবদুস সোবহান, আশরাফ হোসেন খান, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু, সাখাওয়াত হোসেন, এবিএম আব্দুল খালেক মজুমদার ও সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার অন্যতম। এদের শীর্ষভাগই জামায়াতের নেতা। তবে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা। তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

 

তদন্তের সুবিধার জন্য যেকোনো সময় নতুন করে তালিকায় ঠাঁই পাওয়াদেরকে গ্রেফতারের আবেদন করা হতে পারে বলেও তদন্ত সংস্থার প্রধান আবদুল হান্নান খান বার্তা ২৪ ডটনেটকে জানান।

 

দ্বিতীয় কিস্তিতে যাদের যাদের নাম ওঠে এসেছে, তাদের নিজ এলাকাসহ  মানিকগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফেনী, খুলনা ও পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত চলছে। ওইসব এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে তদন্ত কর্মকর্তারা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

 

জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে যে  সব অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালে মানুষ হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরিত করণ, লুটপাট ইত্যাদিতে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা করা। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে এসব অপরাধে জড়িত থাকা। সমসাময়িক বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ চলছে।

 

চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফ হোসেন খানের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে তারা দুজনেই দেশের বাইরে থাকেন। চৌধুরী মাঈনুদ্দিন থাকেন ইংল্যান্ডে আর আশরাফ হোসেন খান আমেরিকাতে। এই দুজনের বিরুদ্ধে অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ও সাংবাদিক সিরাজুদ্দিন হোসেনসহ অন্যান্য বুদ্ধিজীবী হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

 

অন্যদিকে মীর কাসেম আলীসহ জামায়াতের প্রথম ও মধ্যম সারির বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। তাদের ব্যাপারেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলছেন না তদন্ত সংস্থার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে সবাইকে তা জানানো হবে।

 

তদন্ত কাজে সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে সরকারের কাছে একটি আবেদনও করা হয়েছে। দেশের তৎকালীন ২১টি জেলায় তদন্ত সংস্থার কার্যালয় স্থাপনের সুপারিশও রয়েছে ওই আবেদনে। আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবেদনটি মঞ্জুর হলে ২১ জেলায় তদন্ত সংস্থার কার্যালয় স্থাপন করা হবে।

 

তারা বলেন, সাক্ষীদের আজীবন নিরাপত্তা ও ভরণপোষণে সাক্ষী সুরক্ষা আইন থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের কোনো  আইনি উদ্যোগ নেয়নি সরকার।

 

বর্তমানে তদন্ত সংস্থায় মাত্র ১৯ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। আরো ২৯ জন কর্মকর্তা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা ও সমন্বয়ক মো. আবদুল হান্নান খান।

 

তিনি বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন সময়ে সারা দেশের থানা, জেলা ও উচ্চ আদালতে যুদ্ধাপরাধের যেসব মামলা বা অভিযোগ ছিল, তা এখন আমাদের কাছে এসেছে। আমরা এসবের বিষয় আবারো পর্যালোচনা করে কোনো তথ্য বাকি আছে কিনা এসব খোঁজখবর নিচ্ছি ও তদন্ত করছি।’’

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গঠনের পর ২৮ মার্চ যাত্রা শুরু করে। পরে অভ্যন্তরীণ ট্রাইব্যুনাল অর্থ্যাৎ আন্তর্জাতিক আইনে ডমেস্টিক আদালতে বিচার হবে বলে বিধি  করা হয়।

 

অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করা জন্য গত ২২ মার্চ দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং আদালতটির ব্যাপারে ২৫ মার্চ সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রথম ট্রাইব্যুনালের কয়েকটি বিধি সংশোধন করে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের জন্য রুলস তৈরি করে গ্রহণ করা হয়েছে।

 

২৫ মার্চ আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতারের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটরদের আবেদনের শুনানির মধ্য দিয়ে ওইদিনই কার্যক্রম শুর করে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল।  গত ২ এপ্রিল আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চুকে গ্রেফতার করতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

 

আদেশে বলা হয়, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চুকে গ্রেফতারের আদেশ বাস্তবায়ন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।

 

ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে জামায়াতের ছয়জন ও বিএনপির দুইজন নেতা  রয়েছেন। জামায়াতের নেতারা হলেন সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা।

 

বিএনপির দুইজন হলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীম ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

 মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আরো এক ডজনেরও বেশি সাবেক ও বর্তমান রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

 

ট্রাইব্যুনালে আটক এবং নতুন এক ডজনেরও বেশি এই যুদ্ধাপরাধীসহ যাদেরকে অভিযোগের আওতায় আনা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে চারশত অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে।

 

দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে থাকা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলাগুলো তদন্ত সংস্থায় স্থানান্তর করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা সেগুলো পর্যালোচনা করছেন।

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রাথমিক ভাবে ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান। তিনি বলেন, ‘‘এই অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, পর্যায়ক্রমে বাকিদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তদন্ত করা হবে।’’

 

তার মতে, তদন্ত সংস্থার অবকাঠামো ও জনবল সংকটসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন কারণে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন হলেও তদন্ত থেমে নেই। তদন্তকালে কর্মকর্তারা গাড়ির সংকট, লাইব্রেরি সংকট, পত্রিকা কাটিংয়ের ব্যবস্থা না থাকা ইত্যাদি সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রতিদিন।

 

তদন্ত সংস্থা এখন যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করছে, তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রীও রয়েছেন। তদন্তের তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের মধ্যে একেএম ইউসুফ আলী, মীর কাসেম আলী, চৌধুরী মাঈনুদ্দিন, মাওলানা আবদুস সোবহান, আশরাফ হোসেন খান, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু, সাখাওয়াত হোসেন, এবিএম আব্দুল খালেক মজুমদার ও সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার অন্যতম। এদের শীর্ষভাগই জামায়াতের নেতা। তবে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা। তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

 

তদন্তের সুবিধার জন্য যেকোনো সময় নতুন করে তালিকায় ঠাঁই পাওয়াদেরকে গ্রেফতারের আবেদন করা হতে পারে বলেও তদন্ত সংস্থার প্রধান আবদুল হান্নান খান বার্তা ২৪ ডটনেটকে জানান।

 

দ্বিতীয় কিস্তিতে যাদের যাদের নাম ওঠে এসেছে, তাদের নিজ এলাকাসহ  মানিকগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফেনী, খুলনা ও পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত চলছে। ওইসব এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে তদন্ত কর্মকর্তারা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

 

জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে যে  সব অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালে মানুষ হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরিত করণ, লুটপাট ইত্যাদিতে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা করা। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে এসব অপরাধে জড়িত থাকা। সমসাময়িক বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ চলছে।

 

চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফ হোসেন খানের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে তারা দুজনেই দেশের বাইরে থাকেন। চৌধুরী মাঈনুদ্দিন থাকেন ইংল্যান্ডে আর আশরাফ হোসেন খান আমেরিকাতে। এই দুজনের বিরুদ্ধে অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ও সাংবাদিক সিরাজুদ্দিন হোসেনসহ অন্যান্য বুদ্ধিজীবী হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

 

অন্যদিকে মীর কাসেম আলীসহ জামায়াতের প্রথম ও মধ্যম সারির বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। তাদের ব্যাপারেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলছেন না তদন্ত সংস্থার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে সবাইকে তা জানানো হবে।

 

তদন্ত কাজে সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে সরকারের কাছে একটি আবেদনও করা হয়েছে। দেশের তৎকালীন ২১টি জেলায় তদন্ত সংস্থার কার্যালয় স্থাপনের সুপারিশও রয়েছে ওই আবেদনে। আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবেদনটি মঞ্জুর হলে ২১ জেলায় তদন্ত সংস্থার কার্যালয় স্থাপন করা হবে।

 

তারা বলেন, সাক্ষীদের আজীবন নিরাপত্তা ও ভরণপোষণে সাক্ষী সুরক্ষা আইন থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের কোনো  আইনি উদ্যোগ নেয়নি সরকার।

 

বর্তমানে তদন্ত সংস্থায় মাত্র ১৯ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। আরো ২৯ জন কর্মকর্তা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা ও সমন্বয়ক মো. আবদুল হান্নান খান।

 

তিনি বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন সময়ে সারা দেশের থানা, জেলা ও উচ্চ আদালতে যুদ্ধাপরাধের যেসব মামলা বা অভিযোগ ছিল, তা এখন আমাদের কাছে এসেছে। আমরা এসবের বিষয় আবারো পর্যালোচনা করে কোনো তথ্য বাকি আছে কিনা এসব খোঁজখবর নিচ্ছি ও তদন্ত করছি।’’

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গঠনের পর ২৮ মার্চ যাত্রা শুরু করে। পরে অভ্যন্তরীণ ট্রাইব্যুনাল অর্থ্যাৎ আন্তর্জাতিক আইনে ডমেস্টিক আদালতে বিচার হবে বলে বিধি  করা হয়।
অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করা জন্য গত ২২ মার্চ দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং আদালতটির ব্যাপারে ২৫ মার্চ সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রথম ট্রাইব্যুনালের কয়েকটি বিধি সংশোধন করে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের জন্য রুলস তৈরি করে গ্রহণ করা হয়েছে।

 

২৫ মার্চ আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতারের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটরদের আবেদনের শুনানির মধ্য দিয়ে ওইদিনই কার্যক্রম শুর করে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল।  গত ২ এপ্রিল আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চুকে গ্রেফতার করতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

 

আদেশে বলা হয়, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চুকে গ্রেফতারের আদেশ বাস্তবায়ন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।

 

ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে জামায়াতের ছয়জন ও বিএনপির দুইজন নেতা  রয়েছেন। জামায়াতের নেতারা হলেন সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা।

 

বিএনপির দুইজন হলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীম ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে