Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৬-২০১২

কোন পথে পুঁজিবাজার

কোন পথে পুঁজিবাজার
দেশের পুঁজিবাজার আবার তার স্বাভাবিক পথ হারিয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন দানা বাঁধতে শুরু করেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। গত সপ্তাহে দুই দিনের দরপতনে প্রায় ১৬০ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজারের এমন আচরণে ফের আতঙ্কিত বোধ করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

 

গত ১৫ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচিত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দেশের পুঁজিবাজার। গত দেড় বছরে অব্যাহত দরপতনে পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা নতুন করে আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন। ব্যক্তিশ্রেণীর  বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সক্রিয় হয়ে উঠেছিল প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। দুই বাজার মিলে হাজার কোটি ছাড়িয়েছিল দিনের লেনদেন।

 

তবে গত সপ্তাহে হটাত করে ছন্দপতন হয়েছে সূচকের ঊর্ধ্বগতিতে। একই সঙ্গে কমে গেছে লেনদেনের পরিমাণ। আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যানের কাছে বাজার স্থিতিশীলতায় ৩৩ দফা দাবি পেশ করেছে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

 

এদিকে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন ধরে বাজারে গুজব রয়েছে। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়। এ অবস্থায় গত বুধবার উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত ও এককভাবে ন্যূনতম শেয়ার ধারণের আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মনে করিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে চিঠি দিয়েছে ডিএসই। ডিএসইর এমন উদ্যোগে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও আস্থা ফিরিয়েছে বলে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকের অভিমত। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে যার ইতিবাচক প্রভাবও বাজারে দেখা গেছে।

 

এর আগে গত মঙ্গলবার ও বুধবার দরপতন হয়। বুধবার দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১০৫ পয়েন্ট কমে। মঙ্গলবার সূচক কমে ৫৬ পয়েন্ট। তবে সূচকের এই পতনে খুব বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ দেখছেন না বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, বেশ কয়েকদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সূচকের এই নিম্নমুখী প্রবণতা স্বাভাবিক। সাইডলাইনে বসে থাকা অনেক বিনিয়োগকারীরা ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে। বাজারে ফিরে আসতে শুরু করেছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের ধর্য ধরে অপেক্ষা করার পরমর্শ দিয়েছেন অনেকেই।

 

গত সপ্তাহে  লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে দিনের গড় লেনদেন কমেছে আট দশমিক ৯৯ শতাংশ। লেনদেন হওয়া মোট ২৭৫টি ইস্যুর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৬টির, কমেছে ১১৮টির, অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি ও লেনদেন হয়নি চারটি। এর আগের সপ্তাহে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছিল ২৩১ পয়েন্ট। আর গত সপ্তাহে বেড়েছে ১০৮ পয়েন্ট। বাজার মূলধন বেড়েছে এক দশমিক ৬৫ শতাংশ।

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে