Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৫-২০১২

তিনটি এনআরবি ব্যাংক অনুমোদন

তিনটি এনআরবি ব্যাংক অনুমোদন
প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের মালিকানায় তিনটি নতুন বাণিজ্যিক এনআরবি (নন রেসিডেন্সিয়াল বাংলাদেশি) ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুমোদনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে রোববার দুপুর দেড়টায় আবার বসবে পরিচালনা পর্ষদ। ওইদিন এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার নতুন ব্যাংক অনুমোদনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে ৩টি ব্যাংক অনুমোদন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী। প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের মালিকানায় বাণিজ্যিক ব্যাংক (এনআরবি) প্রতিষ্ঠার জন্য অনুমোদন পেয়েছেন ৩ জন। তারা হচ্ছেন_ যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইকবাল আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফরাসত আলী ও নিজাম চৌধুরী। ইকবাল আহমেদ এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক নামে এবং ফরাসত আলী ও নিজাম চৌধুরী এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড নামে দুটি পৃথক ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। এজন্য গত বছরের (২০১১) মার্চ মাসে অফেরতযোগ্য ১৫ হাজার ডলারসহ প্রবাসী উদ্যোক্তাদের আবেদন করতে বলা হয়। ২০১১ সালের ৩১ মে পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ সময় মাত্র ৫টি আবেদন জমা পড়ে। সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৪৭টি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক ৪টি, বিশেষায়িত ৪টি, ৩০টি বেসরকারি এবং ৯টি বিদেশি। এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবাসীদের বিনিয়োগের বড় ধরনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হবে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় রোববার নতুন ব্যাংকের অনুমোদন হতে পারে। প্রথম ধাপে দেশের বেসরকারি খাতে ছয়টি ব্যাংক অনুমোদন দিতে সরকারের দিক থেকে চাপ রয়েছে বলে জানা গেছে। পরের ধাপে আরো ২টি ব্যাংক আসতে পারে বলে সূত্রগুলো জানায়। প্রথম ধাপে দেশের বেসরকারি খাতে যে ব্যাংকগুলোর অনুমোদন হতে পারে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ইউনিয়ন ব্যাংক। তবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে শহিদুল আলমের। ব্যাংকটির উদ্যোক্তা তালিকায় আছেন গোলাম মসি, যিনি জাতীয় পার্টির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ঢাকা-১২ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসের মধুমতি ব্যাংক এ পর্বে অনুমোদন পেতে পারে। এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে হুমায়ুন কবীরের। সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ফারমার্স ব্যাংকও এ তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মহীউদ্দীন খান ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে প্রস্তাব করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আয়কর উপদেষ্টা এম মনিরুজ্জামান খন্দকারের প্রস্তাবিত ব্যাংক মিডল্যান্ড ব্যাংকও রয়েছে এই তালিকায়। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের নাম আছে এ তালিকায়। ব্যাংকটির প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান হচ্ছেন এস এম আমজাদ হোসেন। উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা আবদুল মান্নান চৌধুরী। এ ছাড়া এই তালিকায় রয়েছে মেঘনা ব্যাংক। ব্যাংকটির প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান হচ্ছেন রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এন আশিকুর রহমান। আর পরিচালকের তালিকায় আছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ব্যাংকের জন্য আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে। ১০ লাখ টাকা অফেরতযোগ্য জামানতসহ ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকের জন্য ৩৭টি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই করে ১৬টি আবেদনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই ১৬টি আবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়সহ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়। এর মধ্য থেকে কয়েকটি আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নতুন ব্যাংক লাইসেন্সের অনুমোদন দেবে ।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে