Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৬-০৯-২০১৫

এই না হলে মুমিনুল!

এই না হলে মুমিনুল!

ফতুল্লা, ০৯ জুন- ফতুল্লায় অনুশীলনের সময় গত পরশুও তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু মুমিনুল হক শর্ত দিয়ে দিলেন, ‘জানি তো কী বলবেন। ওইটা ছাড়া অন্য কিছু থাকলে বলেন...।’
কী সেই কথা, যা তিনি আগে থেকেই জানেন! আসলে মুমিনুলকে নিয়ে কথা তো এখন একটাই—তিনি কি পারবেন এবি ডি ভিলিয়ার্সের টানা ১২ টেস্টে ফিফটি করার রেকর্ড ছুঁতে? সুযোগটা আসছে আগামীকাল শুরু ভারত টেস্টে। এমন একটা হাতছানির সামনে দাঁড়িয়ে নিশ্চয়ই রোমাঞ্চিত বাংলাদেশ দলের এই ব্যাটসম্যান?
তাই যদি হবে, তাহলে আর তিনি মুমিনুল কেন? মনে রোমাঞ্চ থাকলেও থাকতে পারে, তবে কাল বিকেলে ফতুল্লায় অনুশীলন শেষে যতবারই প্রশ্ন করা হলো, ততবারই বোঝাতে চাইলেন, এটা কোনো ব্যাপার নয়। এ নিয়ে বাড়তি ভাবনা, রোমাঞ্চ কিছুই তাঁর মধ্যে নেই। মুমিনুলের সঙ্গে সাংবাদিকদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বটা এ রকম—

এবি ডি ভিলিয়ার্সকে আপনি কোন পর্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন?
মুমিনুল:
আমি তো ওনার আশপাশেও নেই। আপনারাও জানেন উনি সব ফরম্যাটের রাজা। আমি মনে করি না যে আমি ওনার প্রতিদ্বন্দ্বী।

ভারতের বিপক্ষে টেস্টে তো সুযোগ আছে তাঁর রেকর্ড স্পর্শ করার...
মুমিনুল:
কার পাশে বসব কি বসব না, সেটা নিয়ে চিন্তা করছি না। আগের ম্যাচগুলোতে যেভাবে খেলে আসছিলাম, এখনো সেভাবেই খেলব। চেষ্টা করব, আপনারা যেমন প্রত্যাশা করেন, দেশের মানুষ যেভাবে প্রত্যাশা করে এবং আমার যেটা লক্ষ্য, সেটি অর্জন করার। কারও পাশে বসার জন্য নয়।

আগেও বলেছিলেন রেকর্ডের বিষয়গুলো মাথায় থাকে না। কিন্তু এখন যখন রেকর্ডটা একদমই কাছে, চিন্তাটা কি অবচেতনেও কাজ করে না?
মুমিনুল:
না, কাজ করে না। আপনারা যখন বলেন, তখন একটু মনে পড়ে। এরপর আবার ভুলে যাই।

সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন, তাতেও কোনো চাপ তৈরি হয় না?
মুমিনুল:
তাও হয় না। আপনারা চলে গেলে এটা আর মনেই থাকবে না। চেষ্টা করব, পরেও যেন মনে না আসে।

—এই হলেন মুমিনুল হক। নির্ভার। নিশ্চিন্ত। ভালো খেলাটাই তাঁর একমাত্র মন্ত্র, সেই ভালো খেলা তাঁকে কোন আকাশে ওঠাবে, তা নিয়ে চিন্তা নেই। এমনকি ওয়ানডেতে সম্ভাবনা সত্ত্বেও যে তাঁকে দিনে দিনে শুধু টেস্ট বিশেষজ্ঞ বানিয়ে ফেলা হচ্ছে, সেটা নিয়েও নেই কোনো টেনশন। মুমিনুলের কাছে এর ব্যাখ্যা বরং খুবই সহজ-সরল, ‘এখন টেস্টে ভালো করছি, তাই অনেকে বলছে আমি টেস্ট খেলোয়াড় হয়ে গেছি। হয়তো অন্য ফরম্যাটে ভালো করলে ওটাতেও ভালো বলবে। যেখানে আমার ঘাটতি আছে, সেখানে যদি ভালো পারফর্ম করতে পারি, সে ক্ষেত্রে ওখানেই আমি সুযোগ পাব।’
টেস্ট তো বটেই, ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেও খেলেননি কখনো। তার পরও ফতুল্লা টেস্ট মুমিনুলের কাছে বিশেষ কিছু নয়। আর দশটা ম্যাচের মতোই এক ম্যাচ। ভালো খেলতে হবে, রান করতে হবে—এসবের বাইরের সব ভাবনাকে যেন ঝেঁটিয়ে দূর করে দিচ্ছেন মন থেকে। মুমিনুলের ভাষায়, ‘অন্য দলগুলোর সঙ্গে খেলার সময় যে রকম লাগে, সে রকমই লাগছে।’ তবে সব দলের বিপক্ষে পরিকল্পনা তো আর একরকম হয় না। ভারতীয় বোলিং নিয়ে যেমন তাঁর মূল্যায়ন, ‘আমার মনে হয় ভারতের বোলিং এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক ভালো। দুজন স্পিনারই ভালো স্পিনার। একজন (হরভজন) তো অনেক দিন ধরে খেলছেন। অশ্বিনও ভালো করছেন। আমার মনে হয় তাদের স্পিনারদের বিপক্ষে খেললে নতুন কিছু শিখতে পারব।’
ভারতের ব্যাটিং বরাবরই ভালো। বোলিংকেও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো বলছেন। বাংলাদেশের সামনে তো তাহলে কঠিন চ্যালেঞ্জই। সেই চ্যালেঞ্জে জিততে মুমিনুলকে প্রেরণা জোগাচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে গত সিরিজের পারফরম্যান্স, ‘একটা সিরিজ ভালো হলে সবার আত্মবিশ্বাসই ভালো থাকে। আমরা সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই নামব।’

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে