Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (38 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-৩০-২০১২

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ফ্রি ট্রানজিট ভিসা চালু প্রয়োজন

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ফ্রি ট্রানজিট ভিসা চালু প্রয়োজন
ঢাকা, ৩০ মার্চ- সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও পর্যটন বিকাশে ফ্রি ট্রানজিট ভিসা চালু করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শুক্রবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘১১তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার ও টুরিজম মার্ট-২০১২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান, নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী লেক রাজ ভট্টো, মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আমির আব্দুল্লাহ্, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম মোর্তুজা রেজা চৌধুরী, ট্যুরিজম বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজানুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশিষ বোস প্রমুখ।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সার্ক অঞ্চলটিকে বিউটি অব নেচার বলা যায়। এ অঞ্চলে ট্যুরিজমের বিকাশ ঘটাতে পারলে সব দেশই লাভবান হবে এবং পর্যটন খাত বিকাশের পাশাপাশি বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সেই সঙ্গে বিশ্বমন্দা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যটন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, পর্যটন খাত বিকাশে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে ভিসা জটিলতা। সার্ক এই জটিলতা মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি মেলার শুভকামনা করে বলেন, এই মেলা আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ ব্যবসা ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

জিএম কাদের বলেন, বিশ্বের ৬ ভাগের ১ ভাগ মানুষ সার্কভুক্ত দেশগুলোতে বাস করে। কিন্তু সে অর্থে এ অঞ্চলে ব্যবসার তেমন প্রসার ঘটেনি। মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ বাণিজ্য সার্ক দেশগুলোতে হয় বলে তিনি জানান। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশী ৭১৫টি পণ্য বিশ্বের ১৮৮টি দেশে রপ্তানি হয়। তিনি আরো বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে বাণিজ্য বৃদ্ধি করার পরামর্শ দেন। মন্ত্রী বলেন, ভারত সরকার আমাদের ও সার্কভুক্ত সকল দেশের পণ্যের ওপর ডিউটি ফ্রি ঘোষণা করেছে। ভারত সরকারের কাছে তিনি ভারত থেকে আমদানি করা তুলার ওপর ডিউটি ফ্রি করার আবেদন জানান।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। এছাড়া আমাদের দেশের ওভেন, ফার্নিচার শিল্পের দ্রুত বিকাশ হচ্ছে। চাহিদা বাড়ছে আমাদের নির্মিত জাহাজেরও। ফারুক খান পর্যটন খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ব্যবসা ও পর্যটন

খাত মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। একটি আরেকটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটলে ব্যবসারও বিকাশ ঘটবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বাংলাদেশ সফররত প্রত্যেক বিদেশী অতিথিকে হাতে ধরে বাংলাদেশের সৌন্দর্য উপভোগ করানোর জন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে জানানো ও ধারণা দেয়ার আহ্বান জানান। পর্যটন শিল্পের অন্তরায় ভিসা সমস্যার সমাধানে সার্কের ও পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ বলেন, আমাদের নিকটবর্তী দেশ নেপালের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। কিন্তু আমাদের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে এর বিকাশ ঘটছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনদিনব্যাপী এই মেলা চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। এ মেলায় ৩৫০টি স্টল থাকছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের জন্য ৫০টি ও বাণিজ্যের জন্য ১৮০টি। এছাড়া অন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য ১০০টি ও সার্ক পর্যবেক্ষক দেশগুলোর জন্য ২০টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মেলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে