Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.8/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৬-২০১৫

সাতটি হত্যাকাণ্ড ঘটানো সেই প্রেমিক যুগলের ফাঁসির ওপর স্থগিতাদেশ!

সাতটি হত্যাকাণ্ড ঘটানো সেই প্রেমিক যুগলের ফাঁসির ওপর স্থগিতাদেশ!

নয়াদিল্লি, ২৬ মে- ভারতে ২০০৮ সালে পরিবারের ১০ মাসের শিশু সহ সাতজন সদস্যকে খুন করা প্রেমিকযুগলের মৃত্যুদণ্ডের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এ কে সিকরি ও ইউ ইউ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে এই ব্যাপারে জানতে চেয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ মে, বুধবার।

২০১০ সালে দায়রা আদালতে প্রেমিকা শাবনাম ও প্রেমিক সেলিমের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। সেলিম ও শবনমের মৃত্যুদণ্ডের সাজা বহাল রেখেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ২০১৩ সালের সেই রায়কে সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখে।

সেলিম ও শবনামের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় তারা দুজন মিলে খুনের ষঢ়যন্ত্র করে। প্রেমিক যুগলের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ার প্রধান কারণ ছিল শবনম ছিল বিবাহিত। যুগলের সেই ষড়যন্ত্র মত ২০০৮ সালের ১৫ এপ্রিল শবনামের পরিবারের সবাইকে খুন করে প্রেমিক-প্রেমিকা। খুন হয় শবনমের বাবা-মা, দুই ভাই, তাদের স্ত্রীরা। সেলিম-শবনমের নৃশংস হত্যালীলায় বাদ যায়নি ভাইয়ের ১০ মাসের পুত্র সন্তানও।

সাত জনের খুনের খবর জানাজানি হওয়ার পর শবনম দাবি করেছিল, তাদের উত্তরপ্রদেশের আমরোহার বাড়িতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়ে ওদের খুন করেছে। কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে, শবনমই খুনে প্ররোচনা দেয় সেলিমকে। মাদক মেশানো খাবার খাইয়ে বাড়ির লোকজনকে অজ্ঞান করে সবাইকে কুপিয়ে খুন করা হয়।

নয়াদিল্লি, ২৬ মে- ভারতে ২০০৮ সালে পরিবারের ১০ মাসের শিশু সহ সাতজন সদস্যকে খুন করা প্রেমিকযুগলের মৃত্যুদণ্ডের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এ কে সিকরি ও ইউ ইউ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে এই ব্যাপারে জানতে চেয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ মে, বুধবার।

২০১০ সালে দায়রা আদালতে প্রেমিকা শাবনাম ও প্রেমিক সেলিমের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। সেলিম ও শবনমের মৃত্যুদণ্ডের সাজা বহাল রেখেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ২০১৩ সালের সেই রায়কে সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখে।

সেলিম ও শবনামের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় তারা দুজন মিলে খুনের ষঢ়যন্ত্র করে। প্রেমিক যুগলের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ার প্রধান কারণ ছিল শবনম ছিল বিবাহিত। যুগলের সেই ষড়যন্ত্র মত ২০০৮ সালের ১৫ এপ্রিল শবনামের পরিবারের সবাইকে খুন করে প্রেমিক-প্রেমিকা। খুন হয় শবনমের বাবা-মা, দুই ভাই, তাদের স্ত্রীরা। সেলিম-শবনমের নৃশংস হত্যালীলায় বাদ যায়নি ভাইয়ের ১০ মাসের পুত্র সন্তানও।

সাত জনের খুনের খবর জানাজানি হওয়ার পর শবনম দাবি করেছিল, তাদের উত্তরপ্রদেশের আমরোহার বাড়িতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়ে ওদের খুন করেছে। কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে, শবনমই খুনে প্ররোচনা দেয় সেলিমকে। মাদক মেশানো খাবার খাইয়ে বাড়ির লোকজনকে অজ্ঞান করে সবাইকে কুপিয়ে খুন করা হয়।

সূত্র: জিনিউজ

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে