Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ , ২ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (13 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২২-২০১৫

মোদীর জবাবি-চিঠি জয় করে নিল তৈয়বার ‘হৃদয়’

মোদীর জবাবি-চিঠি জয় করে নিল তৈয়বার ‘হৃদয়’

আগ্রা, ২২ মে- জন্মলগ্ন থেকেই আট বছরের তৈয়বার হৃদযন্ত্র কমজোরী ৷ মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে না পেরে অপরাধবোধে ভুগতেন তৈয়বার বাবা৷ ছোট্ট মেয়েটি বাবার মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করতে পারত৷ কিন্তু তার তো কিছু করার ছিল না৷ একদিন ছোট্ট তৈয়বা টিভি দেখতে দেখতে ভাবল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর থেকে সাহায্য চাইলে কেমন হয়! ভাবামাত্র আর্থিক সাহায্য চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখল সে৷ চিঠিতে তৈয়বা লিখল, চিকিৎসা বাবদ খরচ পড়বে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা৷ সেইসঙ্গে জানাল, তাঁর বাবা দৈনিক মজুরিতে একটি জুতোর কারখানায় কাজ করেন৷ যা উপার্জন তাতে পরিবারের পাঁচ সদস্যের পেট চালাতেই হিমশিম৷ মেয়ের চিকিৎসা করাবেন কোথা থেকে!

এর পরেই একদিন বাড়িতে এল অশোক-স্তম্ভ মার্কা একখানা লেফাফা৷ খুলে চমকে উঠলেন তৈয়বার মা-বাবা৷ চিঠি এসেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে৷ তৈয়বার যথাযথ চিকিৎসার দায়িত্ব পালনের জন্য দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ চিঠিতে জানানো হয়েছে, চিকিৎসার পুরো খরচ বহন করবে সরকারি কোষাগার৷

সেইমতো তৈয়বার চিকিৎসা হয় গুরু তেজবাহাদুর হাসপাতালে৷ তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তৈয়বার পূর্ববর্তী চিকিৎসক এস কে কালরা জানিয়েছেন, আগ্রায় তৈয়বার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছিল না৷ তাই তার পরিবারকে বলেছিলাম চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লি নিয়ে যেতে৷ কালরার বয়ানে, ‘চার-পাঁচ বছর আগে যখন মেয়েটি প্রথম আমার কাছে আসে তখন ওর হার্টের দুটো ভালভই ঝাঁঝরা ছিল এবং বড় নিলয়টিও সঠিক স্থানে ছিল না৷ উপসর্গস্বরূপ প্রায়ই তৈয়বা সর্দি-কাশি, রক্তাল্পতা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিল৷যা অবস্থা তাতে আগ্রায় তার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না৷আর খরচের কথা তো ছেড়েই দিলাম৷’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লেখার কথা কী করে মাথায় এল ওই একরত্তি মেয়ের? তৈয়বার কথায়, ‘বাবা সব সময়ই আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন৷মাকে সে কথা বার বার বলতামও৷ একদিন টিভি দেখছিলাম৷ হঠাৎ দেখি, প্রধানমন্ত্রী আমার মতো বহু ছেলেমেয়েকে সাহায্য করছেন৷ তখনই ঠিক করি, ওনাকে চিঠি লিখব৷ আর তার পর লিখেও ফেললাম৷’

এখন তৈয়বা আর নিজেকে নিয়ে চিন্তিত নয়৷ কেবল বাবা-মাকে নতুন করে কোনও সমস্যায় ফেলতে চায় না সে৷ তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া তৈয়বার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে তাদের আর্থিক সমস্যা ঘুচবে৷


(প্রিয় পাঠক,  আপনার অভিমত লক্ষ লক্ষ পাঠকের সাথে শেয়ার করতে চাইলে নীচের বক্সটিতে লিখুন।)

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে