Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.2/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২১-২০১৫

রেমিট্যান্স অর্জনে শীর্ষ অবস্থানে ভারত

রেমিট্যান্স অর্জনে শীর্ষ অবস্থানে ভারত

নয়াদিল্লি, ২১ মে- গত বছর বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ ছিল ৫৮৩ বিলিয়ন ডলার। এর অর্ধেক অর্জন করেছে মাত্র ১০টি দেশ; এগুলোর বেশির ভাগই এশিয়া অঞ্চলভুক্ত। সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স অর্জনকারী দেশ হিসেবে অবস্থান করে নিয়েছে ভারত। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিভিন্ন দেশের মানুষ কাজ করছে। এদের পাঠানো অর্থের ওপরই তাদের পরিবার নির্ভরশীল। ইউএই ছাড়াও অন্যান্য দেশে কর্মরত অভিবাসীরা নিজ দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, তা উন্নয়নশীল দেশগুলোয় আর্থিক সহায়তার (যা অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স নামে পরিচিত) দ্বিগুণের বেশি। এ সময় মোট ৫৮৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স অর্জিত হয়, যার প্রায় অর্ধেকেরই গন্তব্য ছিল এশিয়ার দেশগুলোয়।

রেমিট্যান্স অর্জনে শীর্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে প্রথমে রয়েছে ভারত। গত বছর দেশটির প্রবাসী নাগরিকরা মোট ৭০ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্স পাওয়ার দিক থেকে এর পরের অবস্থানে রয়েছে চীন (৬৪ বিলিয়ন ডলার), ফিলিপাইন (২৮ বিলিয়ন ডলার), মেক্সিকো (২৫ বিলিয়ন ডলার), নাইজেরিয়া (২১ বিলিয়ন ডলার), মিসর (২০ বিলিয়ন ডলার), পাকিস্তান, (১৭ বিলিয়ন ডলার), ভিয়েতনাম (১২ বিলিয়ন ডলার) ও লেবানন (৯ বিলিয়ন ডলার)।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক বসু বলেন, বিপুল পরিমাণ এ রেমিট্যান্স প্রবাহ, যা প্রাথমিকভাবে প্রবাসীদের পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে ব্যয় হয়, তা উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহূত অর্থের চেয়েও বেশি।

তিনি আরো বলেন, ভারত ও ইসরায়েলে যে তারল্য সংকট রয়েছে, তা প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো অর্থে সামলে নেয়া সম্ভব হবে। অন্যদিকে মেক্সিকোর নাগরিকরা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। তাজিকিস্তানের ভোক্তা ব্যয় নির্বাহ হচ্ছে রেমিট্যান্সের অর্থ দিয়ে।

বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, গত বছর থেকে তেলের দরপতন সত্ত্বেও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহে ভাটা পড়েনি। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ এর প্রভাব আঁচ করতে পারেনি।

ভবিষ্যতেও রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকার বিষয়ে আশাবাদী বিশ্বব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির মতে, জিসিসি অঞ্চলে অঢেল আর্থিক সম্পদ
ও দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো পরিকল্পনার কারণে এখানে অভিবাসী শ্রমিকদের চাহিদা অব্যাহত থাকবে।

(প্রিয় পাঠক,  আপনার অভিমত লক্ষ লক্ষ পাঠকের সাথে শেয়ার করতে চাইলে নীচের বক্সটিতে লিখুন।)

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে