Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (29 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৪-২০১২

বিচ্ছেদেও সম্পত্তির ভাগ পাবে ভারতীয় নারী

বিচ্ছেদেও সম্পত্তির ভাগ পাবে ভারতীয় নারী
কলকাতা, মার্চ ২৪- বিচ্ছেদ হলেও স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রীর অধিকার দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের সংশোধনী অনুমোদন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা।

তবে একজন পুরুষ বিয়ের পরে যে সম্পত্তি অর্জন করবেন- তারই অংশ পাবেন নারী। বিয়ের আগে বা উত্তরাধিকার সূত্রে সাবেক স্বামীর পাওয়া সম্পত্তির অধিকার দাবি করা যাবে না।

শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়- রাজ্যসভা ও সংসদীয় কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা এই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়। ভারতীয় পার্লামেন্টের চলতি বাজেট অধিবেশনেই বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের এই সংশোধনী পাস হতে পারে।

এতে বলা হয়েছে, ‘নিজেদের মধ্যে সমঝোতার আর কোনো জায়গা নেই’- স্বামী-স্ত্রীর এমন আবেদনে আদালত বিচ্ছেদ চূড়ান্ত করে স্ত্রীকে সম্পত্তি বুঝিয়ে দেবেন। স্বামী ‘বিচ্ছেদ অসম্ভব’ বলে আদালতে আর্জি জানালে স্ত্রী তার বিরোধিতা করতে পারবেন।

এদিকে ভারতের নারী অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আইন সংশোধন হলে বিচ্ছেদ হয়তো কিছুটা সহজ হবে। কিন্তু সম্পত্তি ভাগাভাগির ক্ষমতা আদালতের হাতে থাকলে নারীর অসুবিধা থাকবেই।

তাদের অভিযোগ, বিচারবিভাগও অনেক ক্ষেত্রে পিতৃতন্ত্রের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না।

ভারতে নারী অধিকার আন্দোলনের সংগঠক কীর্তি সিংহ কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারকে বলেন, বর্তমান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী স্ত্রী শুধু ভরনপোষণ পান; তাও স্বামীর আয়ের উপর তা নির্ভর করে। আইন সংশোধন হলে ভরনপোষণের পাশাপাশি এককালীন কিছু সম্পত্তি পেলে নারীর সামাজিক ও আর্থিক নিারপত্তা বাড়বে।

এর আগে ভারতের গোয়ায় স্বামীর সম্পত্তিতে নারীর অধিকার স্বীকৃত ছিলো। গোয়ায় এখনো ১৮৬৭ সালের পর্তুগিজ দেওয়ানী আইন প্রচলিত আছে।

“এখন তা ভারতের সব জায়গাতেই চালু হবে”, বলেন ভারতীয় আইন কমিশনের সাবেক সদস্য কীর্তি সিংহ।

আনন্দবাজার লিখেছে, ভারতে প্রতিবছর কী পরিমাণ বিবাহ-বিচ্ছেদ হয় তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও এ প্রবণতা ক্রমশঃ বাড়ছে। বিচ্ছেদের পর আর্থিক নিরাপত্তার অভাবে নারীকে বাবা বা ভাইয়ের পরিবারে আশ্রয় নিতে হয়। এতে প্রান্তিক নারীরা সামাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।

ভারতে বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ আবেদনের নিস্পত্তির জন্য ৬ থেকে ১৮ মাস অপেক্ষা করতে হয়। আইন সংশোধন হলে এই সময়ও কমে আসবে।

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে