Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৪ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (13 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১০-২০১৫

‘উৎসাহ দিলেই দেশকে এগিয়ে নেবে ওরা’

‘উৎসাহ দিলেই দেশকে এগিয়ে নেবে ওরা’

ঢাকা, ১০ এপ্রিল- উন্নত দেশগুলোর মতো এদেশের শিক্ষার্থীরা সুযোগ-সুবিধা না পেলেও ‘ঠিকমতো’ উৎসাহ যোগাতে পারলে তারা তথ্য-প্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নিতে পারবেন বলে মনে করেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল।

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে রাখা বড় প্রয়োজন বলেও মনে করেন এই লেখক-অধ্যাপক।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গিয়ে দেশের শিক্ষার্থীদের ‘অপ্রাপ্তি’ নিয়ে কষ্টের কথা তুলে ধরেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের এই শিক্ষক।

“আমাদের ছেলে-মেয়েদের আমরা সুযোগ দিতে পারি না। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা যে সুযোগ পায় তা দেখে চোখে পানি এসে যায়, যখন চিন্তা করি আমাদের ছেলে-মেয়েরা কী রকম পরিবেশে লেখা পড়া করে।”


তবে যথাযথ সুযোগ-সুবিধা না পেলেও সীমাবদ্ধতা নিয়েই এদেশের শিক্ষার্থীরা ‘সফল’ হতে পারেন বলে মনে করেন অধ্যাপক জাফর।

তিনি বলেন, “ওদেরকে কিছু দিতে হয় না, শুধু উৎসাহ দিলেই তারা এগিয়ে যায়।

“শুধু আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে যদি দেশের জন্য ভালবাসা জাগিয়ে রাখতে পারি তাহলেই হবে, তারপর যা করার তারা নিজেরাই করবে।”

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা যে স্বপ্ন দেখ আমরাও সেই স্বপ্ন দেখি এবং সেই স্বপ্নটা যদি আমরা পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেই তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।”

১৯৯৮ সালে থেকে বাংলাদেশ  ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট পোগ্রামিং কনটেস্ট ( আইসিপিসি) এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জনকারী দলগুলোকে আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব বলেন জাফর ইকবাল।

শুক্রবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার সমালোচনা করে অধ্যাপক জাফর বলেন, “এখানে ভর্তি পরীক্ষা ‘ডেঞ্জারাস’ জিনিস। ম্যাথমেটিক অলিম্পিয়াড বা ইনফরমেটিক্সে যারা পুরস্কার পায় তারা আমাদের ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে না। আমাদের সিস্টেমে সমস্যা আছে।”

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “তথ্য-প্রযুক্তি খাতে   আমাদের সন্তানদের জন্য দেশেই কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে চাই। আমাদের সন্তানরা যখন ফেইসবুকের মতো অ্যাপ্লিকেশন বা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বাংলাদেশকে পরিবর্তন করবে তখনই আমাদের প্রকৃত স্বপ্ন পূরণ হবে।”


প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হাইস্কুল পর্যায়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আগামী জুনের আগেই সারা দেশে সাতটি বিভাগের ১০টি পয়েন্টে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এখন থেকে প্রতিবছর সম্মাননার আয়োজন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৯৯৮ সাল থেকে আইসিপিসি ও আঞ্চলিক পর্যায়ে শীর্ষস্থান অধিকারী বিভিন্ন দলের ৭১ জনকে সম্মননা দেওয়া হয়।

এবারের চ্যাম্পিয়ন টিমের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে প্রণোদনা দেওয়া  হয়।

প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতা ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্সে অংশগ্রহণকারীদের  তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠেয় প্রতিযোগিতায়  অংশ নিতে তাদের রাউন্ড-ট্রিপে বিমান ভাড়া ও দৈনন্দিন ব্যয় বাবদ মোট পাঁচ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সবচেয়ে বৃহৎ প্রোগ্রামিং আয়োজন আইসিপিসি। এর মূল আয়োজক এসোসিয়েশন অব কম্পিউটার মেশিনারিজ বা এসিএম।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের  সচিব  শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

১০ এপ্রিল ২০১৫/০৬:৩৩পিএম/স্নিগ্ধা/

শিক্ষা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে