Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.6/5 (33 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৩-২৫-২০১৫

রক্তের অক্ষরে লেখা জয়ের পতাকা

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম


মার্চের গণহত্যা বিশ্বকে জানিয়ে দিল পাকিস্তানি বর্বরতার উত্তরে সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামকেই বাঙালি বেছে নিয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে যার নির্দেশনা বঙ্গবন্ধু দিয়ে গেছেন। পশ্চিমের কাগজগুলো বঙ্গবন্ধুর এই অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে। পশ্চিমের অনেক সরকার বাংলাদেশ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নিতে এই বিবেচনাটি মাথায় রেখেছে। এই অবস্থানটি বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞাকে প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে এটি ছিল বাঙালির শিক্ষা ও সভ্যতার একটি পরিমাপক। পশ্চিমে কিছু কাগজ এভাবেই এটিকে দেখেছে।

রক্তের অক্ষরে লেখা জয়ের পতাকা

একাত্তরের মার্চ মাসজুড়ে বিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলোর একটা বড় জায়গা অধিকার করে রেখেছিল বাংলাদেশ। প্রতিদিনই বাংলাদেশ নিয়ে সংবাদ হতো, বাংলাদেশ পরিস্থিতির বিশ্লেষণ হতো বিশ্বের প্রথম সারির সব সংবাদপত্রে। টেলিভিশন সংবাদও ব্যতিক্রম ছিল না। ১ মার্চের পর থেকেই প্রতিটি দিন ছিল ঘটনাবহুল। ঢাকায় বহু বিদেশি কাগজের প্রতিনিধি জড়ো হয়েছিলেন। ৭ মার্চ রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ শুনতে তাঁরা গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ইংল্যান্ডের এক রেডিও সাংবাদিকও ছিলেন। আমি তাঁকে সঙ্গ দিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ইংরেজিতে অনুবাদ করে দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বগণমাধ্যমের উৎসাহ এবং উদ্বেগের কথা প্রথম তাঁর কাছেই শুনেছিলাম। আরও দু-এক সাংবাদিকের সঙ্গে আমার টুকটাক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। তাঁদের থেকেও জেনেছি মার্চের ঘটনাপ্রবাহ কীভাবে বিদেশের কাগজে সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে।
এর বছর পাঁচেক পর আমার সুযোগ হয় একাত্তরের মার্চে বেরোনো বেশ কটি কাগজ পড়ার। কানাডার একটি গ্রন্থাগারে মাইক্রোফিল্মে সংরক্ষিত এসব পুরোনো সংখ্যা পড়ার সুযোগ পেয়ে তা ভালোই কাজে লাগিয়েছিলাম। এর আগে আমার ধারণা ছিল পশ্চিমের নামী সংবাদপত্রগুলো একটা নৈতিক মান মেনে চলে, সংবাদ পরিবেশনায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখে, ডানে-বাঁয়ে যেদিকেই তারা হেলে পড়ুক না কেন। কিন্তু ডানপন্থী কয়েকটি মার্কিন সংবাদপত্র পড়ে আমার সে ভুল ভেঙেছিল। নিউইয়র্ক পোস্ট-এর মতো কয়েকটি কাগজে বাংলাদেশের সংবাদ তেমন গুরুত্ব পায়নি। বঙ্গবন্ধু বাম ঘরানার মানুষ, তাঁর নেতৃত্বে যে সংগ্রাম হচ্ছে, তা নিয়ে ভেবেচিন্তে যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এ রকমই একটা ইঙ্গিত এসব কাগজ দিয়ে যাচ্ছিল। ২৫ মার্চের পর এসব কাগজই পাকিস্তানকে পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছে। যেমন দিয়েছে মার্কিন সরকার। তবে পত্রপত্রিকার একটি বড় অংশ পাকিস্তানি বীভৎসতার বিবরণ দিয়েছে, বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রতি নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। সম্পাদকীয়-উপসম্পাদকীয়গুলোয় এটি প্রতিফলিত হয়েছে।
পশ্চিমের কাগজগুলো পড়তে পড়তে ২৫ মার্চ নিয়ে আমার একটি চিন্তা জেগেছিল। চিন্তাটি ছিল এই: যদি বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার একপক্ষীয় ঘোষণা দিয়ে দিতেন এবং সারা দেশে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু হতো, তাহলে বাংলাদেশ কি ওই নৈতিক সমর্থনটা পেত? আর যদি পাকিস্তানিরা ২৫ মার্চ রাতে তাদের অপারেশন সার্চলাইট না শুরু করত, তাহলে কি সমর্থনটা ধীরে ধীরে এতটা প্রবল হতো? আমার মনে হয়েছিল, ২৫ মার্চের শহীদেরা তাঁদের রক্ত ঝরিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে অবধারিত ঘটনায় পরিণত করেছিলেন। আর ওই রাতে পাকিস্তানিরা পাশবিকতা চালিয়ে তাদের পরাজয়ের পথটাই তৈরি করে দিয়েছিল। এই বৈপরীত্যটি একদিকে দেশের জন্য প্রশ্নহীন আত্মদান, অন্যদিকে গণহত্যার মতো অপরাধ কাঁধে নিয়ে পাকিস্তানিদের একাত্তর-যাত্রা—একই সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতার দাবিকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকে বিশেষ মহিমা দিয়েছিল।
বঙ্গবন্ধু একপক্ষীয় ঘোষণা না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি তাঁর আস্থার কথাটি ঘোষণা করেছিলেন, যদিও তাঁর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে কারও মনে কোনো দ্বিধা ছিল না। আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধটি অনিবার্য হয়ে পড়ে। ২৫ মার্চ পর্যন্ত মানুষের মনে একটি প্রশ্নই ছিল: কখন? যুদ্ধ শুরু হবে অথবা হয়ে গেছে, কিন্তু কখন শুরু হবে অস্ত্র নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা, রণক্ষেত্রের কামান গর্জন? একাত্তরের মার্চের অনেক আগেই মুক্তিযুদ্ধ ‘কেন’—এ প্রশ্নের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল। শুধু ‘কখন’টা বাকি ছিল। ২৫ মার্চ রাত জানিয়ে দিল, সেই প্রশ্নেরও উত্তর মিলে গেল। ৭ থেকে ২৫ মার্চ বিশ্ব জানল, বঙ্গবন্ধু নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। কিন্তু ২৫ মার্চের গণহত্যা বিশ্বকে জানিয়ে দিল পাকিস্তানি বর্বরতার উত্তরে সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামকেই বাঙালি বেছে নিয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে যার নির্দেশনা বঙ্গবন্ধু দিয়ে গেছেন।
পশ্চিমের কাগজগুলো বঙ্গবন্ধুর এই অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে। পশ্চিমের অনেক সরকার বাংলাদেশ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নিতে এই বিবেচনাটি মাথায় রেখেছে। এই অবস্থানটি বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞাকে প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে এটি ছিল বাঙালির শিক্ষা ও সভ্যতার একটি পরিমাপক। পশ্চিমে কিছু কাগজ এভাবেই এটিকে দেখেছে।
একাত্তরে বিশ্বের দুটি পরাশক্তির মধ্যে অপেক্ষাকৃত শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, নতুন জেগে ওঠা শক্তি চীনও তা-ই করেছে। ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য-সহায়তা-চুক্তি-সমঝোতার নানা বেড়াজালে বাঁধা ছিল অনেক দেশ। একাত্তরের মার্চের কাগজ পড়ে আমার মনে হয়েছে, যদি বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা না থাকত, যুদ্ধ শুরুর ক্ষেত্রে একটা তাড়াহুড়া হতো এবং আমরা যে আগ বাড়িয়ে মারি না, কিন্তু কেউ মারতে এলে তাকে উচিত শিক্ষা দিতে পারি—এই সত্য ও প্রত্যয়টি আমরা জগতের কাছে তুলে না ধরতে পারতাম, তাহলে আমাদের শুধু পাকিস্তান নয়, প্রতিকূল বিশ্বমতের বিরুদ্ধেও লড়তে হতো। আর বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে পাকিস্তান নিয়ে যাওয়ার পর তাঁর সহযোগীরা, বিশেষ করে তাজউদ্দীন আহমদ ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম যে পারদর্শিতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলেছিলেন এবং ১৭ এপ্রিল থেকে প্রবাসী সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাতে বিশ্ব আমাদের সঙ্গে থাকার একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা অনুভব করেছে।

দুই.
২৫ মার্চ রাতের শহীদেরা তাঁদের রক্ত ঝরিয়েছিলেন বলে আমরা নিজেদের ভেতর সেই রক্তের ঋণ শোধ করার একটি প্রবল তাড়না অনুভব করেছি এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। ১৯৫২-এর ফেব্রুয়ারির ভাষাশহীদেরা রক্ত ঝরিয়েছিলেন। তাঁদের কাছে আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ভাষা নিয়ে তাঁদের স্বপ্নকে আমরা বাস্তবে রূপ দেব। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ একটি ঘটনাবহুল পথপরিক্রমা, সংগ্রামমুখর দুটি দশক। কিন্তু সাফল্য আমাদের করতলে ধরা দিয়েছে। সেই সাফল্য দেশগঠনে আমাদের যতটা উজ্জীবিত করার কথা ছিল, তা করতে পারেনি। বাইরের কেউ নয়, আমরা নিজেরাই নিজেদের পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু এখনো নতুন করে শুরু করলে মুক্তি অর্জনেও আমরা সফল হব। না হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
স্বাধীনতার পর সাড়ে চার দশক পার হয়েছে, এই সময়টাও ছিল ঘটনাবহুল। গণতন্ত্র নিরুদ্দেশ হয়েছে, গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, আবার আসেওনি। মানুষের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। ধর্মীয় উগ্রবাদের বিস্তার হয়েছে। সমাজ বিভাজিত হয়েছে। কিন্তু বিপরীত চিত্রও তো অনেক দেখছি আমরা—অর্থনীতি গতি পেয়েছে, নারীরা কর্মক্ষেত্রে ঢুকেছেন ব্যাপক হারে। শিক্ষার বিস্তার হয়েছে, স্বাস্থ্যচিত্রেও সামাজিক নানা সূচকে প্রভূত উন্নতি হয়েছে। সমাজ গতিশীল হয়েছে। এই দেশটা সংকল্প নিয়েছে, অনুন্নয়নের রাস্তা থেকে উন্নয়নের রাস্তায় উঠে একটা দৌড় লাগাবে। তা-ই লাগিয়েছেও। এই দৌড়ে আমাদের সাফল্য কেন আসবে, এ রকম প্রশ্ন করলে বলা যাবে, যেহেতু দৌড়াচ্ছেন তরুণেরাই। প্রত্যয়ী তরুণেরাই। খুব কম দেশেই এত পরিবর্তনকামী তরুণ এতটা প্রত্যয় নিয়ে দৌড়ান।
সবচেয়ে বড় কথা, এই তরুণেরা কারও মুখের দিকে তাকিয়ে বসে নেই। তাঁরা একাত্তরকে সেই দিকনির্দেশনার জন্য, অনুপ্রেরণার জন্য বেছে নিয়েছেন। মাঝখানে একাত্তর নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিল। এখনো এক বড়সংখ্যক তরুণের কাছে একাত্তরকে তুলে ধরা হচ্ছে নেতিবাচকভাবে। তাঁদের অন্ধ করে রাখা হচ্ছে। কিন্তু একদিন তাঁদের চোখেও আলো পৌঁছাবে, যেদিন তাঁরা দেখবেন, উন্নয়নের রাস্তায় যে দৌড়ের উৎসব চলছে, তাতে যোগ না দিলে তাঁরা ছিটকে পড়বেন।
আমাদের রাজনীতি, বিভাজিত সমাজ, স্বার্থান্ধ নানা গোষ্ঠী, বিভ্রান্তি ছড়ানো নানা মতবাদ বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মুক্তির নতুন সংগ্রামের। বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ভাষণে একই সঙ্গে স্বাধীনতা ও মুক্তির কথা বলেছিলেন। স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি, কিন্তু মুক্তি এখনো নয়। এই মুক্তি আসবে শিক্ষার হাত ধরে, দারিদ্র্য বিদায়ে, নারীর স্বাধীনতায়, সুস্বাস্থ্যে, সবুজ জীবনধারণে, অর্থনীতির ক্রমাগত অগ্রযাত্রায় এবং সংস্কৃতির ক্রমাগত শক্তি সঞ্চয়ে। চিরমুক্তির সাধনায়, আরও নানা উপায়ে। এ জন্য আয়োজনটাকে হতে হবে ব্যাপক, প্রস্তুতি হতে হবে বিশাল, প্রত্যয় থাকতে হবে দৃঢ়। এগুলোর সমন্বয় কারা করবেন?
করবেন তরুণেরা, নিজেরাই। করতে যে শুরু করেছেন, তার প্রমাণ আমার চোখে পড়ে। সবার চোখেও নিশ্চয়, যদি তা দেখার জন্য আমরা তাকাই। আমার একটা বিশ্বাস, যত তরুণ একাত্তরে ফিরে গেছেন, ২৫ মার্চ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন, তত তাঁদের প্রত্যয়টা দৃঢ় হচ্ছে: একাত্তরের শহীদদের ঋণ আমরা শোধ করব। সাড়ে চার দশকে নিজেরাই আমরা মুক্তির পথে নানা বাধার দেয়াল তৈরি করেছি, কিন্তু আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, বাধার দেয়ালগুলো ভাঙার জন্য মানুষ পথে নেমেছে। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এখনো এই আয়োজন আর প্রত্যয়কে সম্মান জানাতে কার্পণ্য করছে, নানা স্বার্থের জালে রাজনীতিকে আটকে রেখেছে। কিন্তু তরুণেরাই এই নেতৃত্বকে একদিন তাঁদের সহযাত্রী হতে বাধ্য করবেন।
আমাদের রাজনীতির একটা বড় ব্যর্থতা, উন্নয়নের আয়োজনে শামিল হতে এটি নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে, অথচ উন্নয়নের সবটুকু কৃতিত্ব দাবি করে। এই অভ্যাসের পরিবর্তন প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া এগিয়েছে প্রো-অ্যাকটিভ রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য। সেটি বাংলাদেশেও হবে। এটি হবে সময়ের প্রয়োজনে, তরুণদের অংশগ্রহণে এবং এ জন্য পথ দেখাবে একাত্তর।

তিন.
২৫ মার্চ রাতটি বিষাদের। মার্চজুড়ে বাঙালি সারা দেশের অনেক শহরে-গ্রামে রক্ত দিয়েছে। ওই রক্ত এবং ২৫ মার্চ রাতে যে রক্ত ঝরল, তাতে ফুটল স্বাধীনতার কলি। সেই কলিকে কুসুমে পরিণত করল একাত্তরে ঝরে যাওয়া রক্ত। এত দিনে বিষাদকে আমরা এমন একটা স্তরে নিয়ে গেছি, যা আমাদের আর স্তব্ধ করে রাখে না, শহীদদের স্মৃতি ও স্বপ্ন উদ্যাপনে বরং উদ্বুদ্ধ করে। অনেক দিন থেকেই এটি ঘটছে।
এই ২৫ মার্চ আমি দৃঢ়ভাবে অনুভব করছি, অসংখ্য তরুণ, যাঁদের পিতা-মাতাও হয়তো মাত্র স্কুলে পড়তেন একাত্তরে, তাঁরা
এই রাতটির সঙ্গে নিজেদের কল্পনা মেলাতে চান। এই রাত থেকে অনুপ্রেরণা চান। যত বেশি তরুণ একাত্তরে ফিরবেন, তত উচ্চতায় উড়বে জয়ের পতাকা।
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম: কথাসাহিত্যিক। অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে