Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ২ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.0/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২০-২০১২

আওয়ামী লীগের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব: তোফায়েল

আওয়ামী লীগের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব: তোফায়েল
তোফায়েল আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, আমরা যেমনিভাবে মায়ানমারের কাছ থেকে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি তেমনি ভারতের কাছ থেকেও আমাদেও প্রাপ্য অধিকার আদায় করবো। তিনি বলেন, এ নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের মামলাও চলবে, আলোচনাও চলবে। ব্যরিস্টার মওদুদের বক্তব্য খন্ডন করে তিনি বলেন, বিএনপির সময়ে ২০০১ সালে অপারেশন ক্লিনহার্টের মাধ্যমে ৫৮ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যার পর ইনডেমনিটি দেয়া হয়। অনেক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে আমাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্লেট চুরির মামলায় সাবের হোসেন চৌধুরীকে, ময়মনসিংহে সিনেমা হলে বোমা হামলার পর সন্দেহ করে আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানকে আসামী করা হয়েছিল। ওই ঘটনার সঙ্গে তার কোন সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঘরে ঘুমাতে পারেনি। বিএনপি’র সময়েই ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র কোথা থেকে এসেছিল তাও তো জানা যায়নি। একই সঙ্গে ৬৩ জেলায় বোমা হামলা করা হয়েছিল। বিরোধী দলের বক্তব্য প্রত্যাখান করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও বলেনি ১০ টাকায় চাল দেয়ার কথা। বিনা পয়সায় সার দেয়ার কথা। এসব বিএনপি নেতাদের অসত্য প্রচার। তিনি বলে, অসত্য বলার জন্য যদি নোবেল দেয়া হয় তাহলে বিএনপি নেতাদের তা দেয়া যেতো। তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের সামগ্রিক অথনীতি ভাল আছে। জার্মানি ছাড়া ইউরোপের অন্য সব দেশে এখন অর্থনৈতিক সঙ্কট আছে। চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি  ডাবলডিজিট থেকে ৮ এ নেমে এসেছে। এতো কিছুর পরও আমাদের অর্থনীতির সব সুচক ভাল। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করেছে। যেসব খুনি এখনও বিদেশে আছে তাদেরও দেশে এনে বিচার করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে। শিক্ষায় প্রভুত উন্নতি হয়েছে। কৃষিতে সাফল্য এসেছে। গ্রামে তথ্য প্রযুক্তির সেবা পৌছে দেয়া হয়েছে। ১২ই মার্চ বিরোধী দলের সমাবেশে সরকারের বাধা দেয়ার বিষয়ে ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদের বক্তব্যের সূত্র ধরে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপি সময়ে গণ আদালতে গোলাম আযমের বিচার চেয়ে যে আন্দোলন কর্মসূচী দেয়া হয়েছিল তাও তৎকালীন সরকার করতে দেয়নি। যারা কর্মসূচী দিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। তিনি বলেন, ১২ই মার্চের সমাবেশে গোলাম আযম নিজামীর ছবি নিয়ে জামায়াতের কর্মীরা ছিল। সেই দিন ব্যবস্থা না নিলে রাস্তায় লাশের পর লাশ পড়তো।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে