Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০ , ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.3/5 (14 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-১৭-২০১৫

ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায়: সৌরভ

ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায়: সৌরভ

কলকাতা, ১৭ মার্চ- আবারও বিশ্বকাপ, আবারও মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত। এবার একেবারে নকআউট পর্বে। তুলনামূলক কম শক্তিশালি হলেও মেলবোর্নে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশকে সামনে পেয়ে দুরু দুরু বুকটা কম কাঁপছে না ভারতীয়দের। বার বারই তাদের মনে ফিরে আসছে ২০০৭ এবং ২০১২ সালের স্মৃতি।

ভয়ে-আতঙ্কে দিন কাটানোদের তালিকায় রয়েছেন ২০০৭ সালে বাংলাদেশের কাছে হেরে যাওয়া ভারতীয় দলের সেরা পারফরমার সৌরভ গাঙ্গুলিও। মুখে বলছেন, ধোনিদের এই দলটাকে হারাতে পারবে না বাংলাদেশ। কিন্তু মনে মনে ঠিকই ভয় পাচ্ছে মাশরাফিদের নিয়ে। তেমনই শঙ্কার দোলাচলে থাকা মনের কথাগুলো সৌরভ বলছিলেন কলকাতার আজকাল পত্রিকার সঙ্গে। 

২০০৭ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে যাওয়ার সেই ঘটনা মনে পড়লে এখন কী মনে হয়?

সৌরভ: কী হবে পুরনো কাদা ঘেঁটে? মন খারাপ করতে চাই না। জীবনে যত ম্যাচ হেরেছি, তার মধ্যে ওই ম্যাচটাও থাকবে। আমি রান পেয়েও ভারত হেরেছিল, এমন ঘটনাও তো কম নেই। তবু, ২০০৭-এর পোর্ট অফ স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালে হারার ব্যাপারটা মনে পড়লেই কষ্ট পাই, মন খারাপ হয়ে যায়।

ভারতের খেলার মাঝে তো অনেক বড় বিরতি। সময় কাটাচ্ছেন কিভাবে?

সৌরভ: এখন শুধু এ শহর ও শহর করতে হচ্ছে। একা আছি, সময় কাটতে চায় না। তার চেয়ে বরং, একঘেয়েমি কাটানোর জন্য এডিলেড টু অকল্যান্ড টু মেলবোর্ন উড়ে বেড়ানো ভাল। ৩০ মার্চ রাতে কলকাতায় ফিরব। তার আগে শুধুই চরকি পাক।‌

১৯ মার্চ ভারত বনাম বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে কমেন্ট্রি বক্সে থাকছেন তো?

সৌরভ: হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই থাকব। ভারতের সব ম্যাচে কমেন্ট্রি করব। বলেছে চারটে কোয়ার্টার ফাইনালেই মাঠে হাজির থাকতে। আমি চাইছি, ২দুটো ম্যাচ;‌ কিন্তু ওরা নাছোড়বান্দা মনোভাব দেখাচ্ছে।‌ দেখি, যদি অন্তত একটা ম্যাচেও রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

বাংলাদেশ তো প্রচণ্ড উদ্দীপ্ত হয়ে আছে?

সৌরভ: থাকুক। ভালই তো;‌ কিন্তু, ভারতকে হারাতে পারবে না।

প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছে কিন্তু বাংলাদেশ শিবির…।

সৌরভ: হোক। এই ইন্ডিয়া টিমের যা ওজন, তাতে ধোনিদের হারার কথা নয়।

Sourav২০০৭ সালেও কিন্তু ত্রিনিদাদে হারার কথা ছিল না…।

সৌরভ: বলছি তো, ওটা একটা অঘটন। তবে, আমি চাই না, ওই পুরনো ম্যাচে ফিরে যেতে।

আপনি ৬৬ রানে করেছিলেন। ভারত তুলেছিল ১৯১। আপনার স্কোর ছিল সর্বোচ্চ। যুবরাজ সিং ছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৪৭) রান সংগ্রাহক…।

সৌরভ: এ সব অতীত। আট বছর আগের ওই ম্যাচের সঙ্গে এবার ১৯ মার্চ কোয়ার্টার ফাইনালের কোনও সম্পর্ক নেই।

বাংলাদেশ তো, ওই ম্যাচের কথা বলে উদ্দীপ্ত করতে পারে নিজেদের…।

সৌরভ: করতেই পারে।‌ কে আটকাচ্ছে ওদের?

আবার ওই আট বছর আগে ফিরতে চাইছি। বাংলাদেশের কাছে সেবার হারের মূল কারণ কী কী?

সৌরভ: অনেক কারণ ছিল। যা এখন বলতে চাই না।‌

৫০ ওভার পুরো ব্যাট করতে পারেননি আপনারা সেদিন…।

সৌরভ: উইকেটটা ভাল ছিল না। একটা কারণের কথা যদি বলতে হয়, তাহলে তা হবে, ব্যাটিং-ব্যর্থতা। তা না হলে ১৯১ রানে আমাদের মতো দল, অল আউট হয়ে যায়?

আঙুল উঠেছিল মন্থর গতিতে রান তোলার দিকেও…।

সৌরভ: উল্টো দিক থেকে যেভাবে উইকেট পড়ছিল একের পর এক, তাতে তো এক দিক আগলে রাখাও জরুরি ছিল। এটা যদি অভিযোগকারীরা বুঝেও না বুঝতে চায়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই।

তখনকার কোচ গ্রেগ চ্যাপেল কিন্তু আঙুল তুলেছিলেন আপনার দিকেও?

সৌরভ: আমি শুনতে চাইছি না। কোনও বিতর্ক তৈরি করতে চাইছি না।

ব্রায়ান লারা কিন্তু আপনার ৬৬ রানের ইনিংসের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন, ওটাই ছিল সঠিক পদ্ধতি…।

সৌরভ: তাই? তবুও আমি, কিছু বলব না এ প্রসঙ্গে। ছেড়ে দিন না, প্লিজ।‌

এবারও পরিস্থিতি প্রায় এক রকম। ভারত হেরে গেলে দেশে ফিরে যেতে হবে। যেমন যেতে হয়েছিল ২০০৭ সালে…।

সৌরভ: ওহ‍্, সেই পরিস্থিতি? না, না, ভারত এবার বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাবে। এখন, ধোনিদের হারানো কঠিন। ২০০৭-এর পরাজয়ের সঙ্গে, কোনও মিল না খোঁজাই ভাল। ধোনি-রায়না আগের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে কীভাবে ম্যাচটাকে বের করল বলুন তো? এই ছন্দে ভারতকে রুখতে পারবে না বাংলাদেশ।‌ এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।

বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা একটা মরণ কামড় দিতে চাইবে কিন্তু…।‌

সৌরভ: ন্যাড়া বেলতলায় কিন্তু একবারই যায়, তাই না? ২০০৭-এর ভুল, ২০১৫’য় করবে না ভারত।

১৭ মার্চ ২০১৫/১১ঃ০৬পিএম/আনিকা/

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে