Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 5.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-১৯-২০১২

জিয়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযোদ্ধা

জিয়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযোদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে তারা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখলেও দাবির কথা ভোলেননি। মামলা দায়ের করেছেন, যা চেয়েছেন, রায়ে তার চেয়ে বেশি পেয়েছেন।' তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে মামলার রায় ২০১৪ সালে হবে। ১৪ সালের নির্বাচনে তারা জয়ী হলে সে রায়ও তারা পারেন।' রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯২তম জন্মবার্ষিকী জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেত্রীর পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে টাকা নেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার জন্ম শিলিগুড়ির চা-বাগানে। তার নানা-নানির নাম কী? জিয়াউর রহমানের জন্ম ভারতে, পড়াশোনা করেছেন পাকিস্তানে। তার বাবা-মা'র কবর পাকিস্তানে। দেশের প্রতি তাদের দরদ থাকবে কী করে? তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ঘটনাচক্রে মুক্তিযোদ্ধা। বিএনপির নেতা মেজর হাফিজের লেখা বইয়ে আছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলারা বেগম জিয়াকে ভারতে নিয়ে যেতে এসেছিলেন। তিনি যাননি। তিনি ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে মেসে ছিলেন।' শেখ হাসিনা বলেন, 'বিএনপির নেত্রী পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগকে হারাতে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। পাকিস্তানের আদালতে হলফনামা দিয়ে আইএসআইয়ের প্রধান স্বীকার করে নিয়েছেন, বিএনপির নেত্রীকে তারা টাকা দিয়েছেন। যাদের আমরা পরাজিত করেছি, যারা মা-বোনের ইজ্জত লুটেছে, গণহত্যা করেছে, সেই পরাজিত শক্তির দালালি করার চেয়ে জঘন্য নোংরা কাজ আর কী হতে পারে?' মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে মামলায় জয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু '৭৩ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করেন। '৭৪ সালে তিনি একটা সমুদ্র আইন করেন। '৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্রসীমা নিয়ে প্রথম আইন করে। এ আইনে একটা ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। তিনি বলেন, 'বিএনপি-জামায়াত সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কোনো কাজ করেনি। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে জাতিসংঘে গিয়ে সমুদ্র আইন-সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনালে অণুস্বাক্ষর করি।' শেখ হাসিনা বলেন, '২০১১ সালের মধ্যে সমুদ্রসীমা নিয়ে দাবি পেশ করার সময় ছিল। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এবার আমরা সরকার গঠন করেই উদ্যোগ নেই।' তিনি বলেন, 'সমুদ্রসীমা রক্ষায় আমরা কক্সবাজারের রামুতে সেনাঘাঁটি, কক্সবাজারে বিমানঘাঁটি স্থাপন এবং নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করি।' প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা ক্ষমতায় আসি জনগণের কল্যাণের জন্য। পরাজিত শক্তির টাকা খেয়ে দালালি করলে দেশের প্রতি দরদ থাকে না।' সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মতিয়া চৌধুরী, মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ইফসুফ হোসেন হুমায়ুন, মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। কবিতা পাঠ করেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ইয়াফেস ওসমান।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে