Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (34 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-১৯-২০১২

বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, বিইআরসিতে গণশুনানি আজ

বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, বিইআরসিতে গণশুনানি আজ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে খুচরা বিদ্যুতের দাম আবারো বাড়ছে। পাইকারি দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া হিসেবে সোমবার সকালে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গণশুনানির আয়োজন করেছে। দ্রুত দাম বাড়ানো হবে বলে এবার উন্মুক্ত সভা করা হচ্ছে না।


বিইআরসি সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চলতি মাস থেকেই প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৪১ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। শুনানির মাধ্যমে এপ্রিল মাস থেকেই তা বাড়ানো হতে পারে।


আর গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিতরণ সংস্থাগুলো (ডিপিডিসি, ডেসকো, আরইবি, ওজোপাডিকো এবং পিডিবির অঞ্চলসমূহ) প্রস্তাব তৈরি করছে। এ মাসের মধ্যেই তা বিইআরসিতে উপস্থাপন করা হবে। সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পেলে গ্রাহক পর্যায়ের দাম বাড়ানোর বিষয়টি কার্যকর হবে এপ্রিল মাস থেকে।


বিইআরসির গত ২৪ নভেম্বরের আদেশ অনুযায়ী পাইকারি বিদ্যুতের দাম দুই দফায় (ডিসেম্বরের ১ ও ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে) বেড়েছে। ইতিমধ্যে গত ২৯ ডিসেম্বর জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি পাঁচ টাকা করে বাড়ানো হয়। এর ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় প্রতি ইউনিটে ২১ পয়সা বেড়ে সাড়ে পাঁচ টাকা হয়েছে। এতে গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে পিডিবির ১২৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত ঘাটতি হয়েছে।


বিইআরসিতে দেয়া পিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মার্চ মাস থেকে সেচ ও গ্রীষ্মকালীন বর্ধিত চাহিদার কারণে তেলচালিত কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে হবে। ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় প্রতি ইউনিটে আরো ২০ পয়সা বেড়ে পাঁচ টাকা ৭০ পয়সা হবে।


পিডিবি বলেছে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় পাঁচ টাকা ৭০ পয়সা। আর প্রতি ইউনিট পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে তিন টাকা ৭৪ পয়সা। ঘাটতি প্রতি ইউনিটে এক টাকা ৯৬ পয়সা। এই প্রেক্ষাপটে ১ মার্চ থেকে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের পাইকারি দাম ৪১ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।


পিডিবি সূত্র জানায়, পিডিবির সরবরাহ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো তরল জ্বালানিনির্ভর কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। কুইক রেন্টালের কারণে সরবরাহ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বার বার দাম বাড়াচ্ছে সরকার।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না করায় সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে; বিপরীতে দ্বিগুণ হারে বেড়েছে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তরল জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন। এর ফলে সামগ্রিক ভর্তুকি বেড়ে চলেছে। গত অর্থবছরে এ কারণে ভর্তুকি দাঁড়িয়েছিল সাড়ে আট হাজার কোটি টাকায়, চলতি অর্থবছর শেষে তা ১৫-১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে