Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.0/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-১৬-২০১২

মিয়ানমার সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য, সতর্ক বিজিবি

মিয়ানমার সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য, সতর্ক বিজিবি
উপকূল থেকে বঙ্গোপসাগরের ২০০ নটিক্যাল মাইল বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠায় উৎফুল্ল সরকার। ২০০৯ সালের ৮ই অক্টোবর শুরু হওয়া আইনি লড়াইয়ের সমাপ্তি ঘটলো গত বুধবার জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত ইটলস-এর রায়ের মধ্য দিয়ে। টানা ৩৮ বছরের অমীমাংসিত সমস্যার অপ্রত্যাশিত সমাধানে ভারতের সঙ্গেও বিষয়টি সুরাহার ক্ষেত্রে এক ধাপ অগ্রগতি- এমনটাই বলেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা। রায়ের পর গতকাল ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের কাছে এ রায়ে দু’দেশের সম্পর্কে কোন প্রভাব ফেলবে না বললেও কক্সবাজার, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যাংছড়ি সীমান্ত এলাকার তিনটি পয়েন্টে মিয়ানমার অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্রে এসব খবর পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিজিবি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা রয়েছে সতর্কাবস্থায়।
আমাদের টেকনাফ সংবাদদাতা জানিয়েছেন, টেকনাফস্থ ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, মিয়ানমার সীমান্তের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে কিছু সৈন্য মোতায়েন করার খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনীর ৬ নম্বর সেক্টরে পতাকা বৈঠকের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে তারা এখনও এতে সাড়া দেয়নি। সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে বিজিবির টহল জোরদার ও নজরদারি কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশ ট্রানজিট যাত্রী মুহিউদ্দিন রশিদ জানান, সোমবারে একদল সেনা ও নাসাকা অফিসার মংডু সিকদারপাড়া হাই স্কুলের এসএসসি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছে। তারা প্রতিবছর পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করে থাকে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। এ ছাড়া মংডু শহর থেকে উত্তর দিকে বৃটিশ আমলের একটি সড়ক রয়েছে, তা সংস্কার ও চারটি বড় ব্রিজ তৈরি করার জন্য কিছু সৈন্য আনা হয়েছে।
গতকাল বিবিসি জানায়, বাংলাদেশের কক্সবাজার, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি এই তিনটি পয়েন্টে জিরো পয়েন্ট থেকে কিছুটা দূরে মিয়ানমারের অংশে দেশটির সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি’র কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে নয় সেখান থেকে কিছুটা দূরত্বে মিয়ানমার সেনা সমাবেশ ঘটাচ্ছে- ফলে বিষয়টিতে সীমান্ত থেকে সার্বিকভাবে দেখে বিষয়টি বোঝার সুযোগ নেই এবং সেটা তারা পারছেন না। দু’দিন থেকে এমন খবর বিজিবি বিভিন্ন সূত্রে পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে অধিনায়ক পর্যায়ে একটি বৈঠক চাওয়া হয়েছিল। দু’ দেশের দু’জন কমান্ডারের মধ্যে একটি আলোচনাও হয়েছে। বিজিবি’র পক্ষ থেকে সেনা সমাবেশের বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে মিয়ানমার খোলাখুলি কিছু বলেনি। তবে কেন মিয়ানমার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে এমন প্রশ্নে বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, মিয়ানমার যেহেতু তাদের সীমান্তের ভিতরে সমাবেশ ঘটাচ্ছে সেহেতু সেখানে তাদের কোন টার্গেট থাকতে পারে। এছাড়া, সমুদ্রসীমার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষে রায় আসার প্রেক্ষিতে কিনা সেটা তারা দেখছেন। তবে এই দুইয়ের যোগসূত্রের বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। তবে বিজিবি পাল্টা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তারা শুধু সতর্ক অবস্থায় আছেন। ২৮শে মার্চ কক্সবাজারে দু’দেশের কমান্ডার পর্যায়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকটি আগে থেকেই নির্ধারিত হলেও তখন বিজিবি’র পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে।
ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশ জয়ী হবে: প্রধানমন্ত্রী
২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গেও সমুদ্রসীমা বিরোধ নিরসনে বাংলাদেশ জয়ী হবে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক রায়ে বাংলাদেশ জয়ী হওয়ায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী করলে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মতো আরেকটি সুসংবাদ দিতে পারবো। গতকাল সংসদে ডেপুটি স্পিকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এ রায়ের ফলে বঙ্গোপসাগরের ১ লাখ ১১ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন স্বাধীনভাবে মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করার স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছে। তিনি বলেন, এ রায়ের ফলে মিয়ানমারের সঙ্গে শুধু সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধই মেটেনি, দুই দেশই এতে উপকৃত হয়েছে। দুই দেশই এখন নিজ নিজ সীমানায় অবাধে ও স্বাধীনভাবে সম্পদ আহরণ করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার তিন বছর পর বঙ্গবন্ধু প্রথমবার সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আইন করেন। কিন্তু পরে আওয়ামী লীগের আগে কোন সরকারই বিষয়টির গুরুত্ব বোঝেনি। ১৯৮২ সালে জাতিসংঘে এ বিষয়ে দাবি পেশের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। তবে ওই সময়ে জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সরকার এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়নি। এটা ছিল  আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে জাতিসংঘে অনুস্বাক্ষর করে। তবে ৩৮ বছর মিয়ানমারের সঙ্গে অনেকবার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করা হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় ২০০৯ সালে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আপিল করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পক্ষে রায় পেতে শুরু থেকেই এ ব্যাপারে আমরা অনেক প্রস্তুতি নিই। সমুদ্র এলাকায় সব সার্ভে শেষ করা হয়। ২০১০ সালের মধ্যে সার্ভে শেষ করি এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই ২০১১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি দাবি পেশ করি। এছাড়া প্রস্তুতি হিসেবে নৌবাহিনীসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা হয়। সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন ঘাঁটি করা হয়। সব দিক দিয়ে সব প্রস্তুতি নিয়েই আমরা এগোতে থাকি। ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে যে বিরোধ রয়েছে সে রায়ও আসবে। জনগণ যদি আবারও আমাদের ক্ষমতায় আনে তাহলে আমরা ওই রায়েও জয়ী হবো আশা করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশের ভৌগোলিক আয়তনের চেয়েও বেশি জায়গা দাবি করেছি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই জনগণের জন্য কাজ করে। রায়ের ফলে ২শ’ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক জোন এবং তদূর্ধ্ব ২শ’ নটিক্যাল মাইল মহীসোপান হিসাবে আমরা এখন স্বাধীনভাবে সমুদ্র থেকে সম্পদ আহরণ করতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চাই। মিয়ানমারকেও আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, সমুদ্রসীমায় বিরোধ নিরসনে মিয়ানমার যে প্রস্তাব দিয়েছিল তাতে ১৩০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে আমাদের সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়। তাদের যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে আমরা ট্রাইব্যুনালে গিয়েছি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় এনেছেন। আমি তাদেরও অভিনন্দন জানাই।
রায় নিয়ে উৎফুল্ল এমপিরা
মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক রায়কে সাধুবাদ জানিয়েছেন এমপিরা। একই সঙ্গে ওই সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনিকে সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। গতকাল সংসদে স্বতন্ত্র এমপি মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, জাসদের মইনউদ্দিন খান বাদল, সরকার দলীয় এমপি এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এ সময় এমপিরা টেবিল চাপড়ে তাদের ওই বক্তব্যে সমর্থন দেন। এর আগে গত বুধবার সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের (ইটলস) সভাপতি হোসে লুই জেসাস ওই রায় পড়ে শোনান। এর ফলে  উপকূল থেকে বঙ্গোপসাগরের ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা হলো বাংলাদেশের। এছাড়া ২০০ নটিক্যাল মাইল ছাড়িয়ে মহীসোপানের বাইরের সামুদ্রিক সম্পদের ওপর বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার সুনিশ্চিত হলো। সালিশি আদালতে দুই বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধের রায়টি দেয়া হয়। অধিবেশনের শুরুতে ফজলুল আজিম বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের দেশের সমুদ্র সীমান্ত নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। গতকাল জানতে পেরেছি সবদিক বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে রায় দিয়েছে। এটা সুন্দর ও ন্যায্য রায় হয়েছে। ভারতের সঙ্গেও সমুদ্র সীমানা নিয়ে আমাদের বিরোধ রয়েছে। আমরা আশা করি বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী ভারত এ রায়ের আলোকে বাস্তবতাকে স্বীকার করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে সুষ্ঠু সমাধান করবে। এরপরই বক্তব্য রাখেন মইনউদ্দিন খান বাদল। তিনি বলেন, সংসদ প্রত্যাশা করে এমপিরা নির্মোহ দৃৃষ্টিতে কথাবার্তা বলবেন। তবে আমরা তা বলি না। গতকাল বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য একটি শ্রেষ্ঠ দিন ছিল। বর্তমান ভূখণ্ডের দ্বিগুণ সমুদ্রসীমা আমাদের সার্বভৌমত্বের অধীনে যোগ হয়েছে। এটা সাদামাটা কোন ব্যাপার নয়। এটা অনেক বড় সাফল্য। এরপর এ নিয়ে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। তিনি বলেন, আমাদের ধারণা ছিল এ নিয়ে সংসদে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হবে। যদি ওই রায় আমাদের বিরুদ্ধে যেতো তাহলে বিরোধীদলীয় নেত্রী বলতেন আমরা ওই সমুদ্রসীমা মিয়ানমারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। অথচ এ ধরনের সাফল্যের পর বিএনপির পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তিনি বলেন, আমি মনে করি আপনার চেয়ার থেকে ওই প্রস্তাব আসা উচিত। সমুদ্রসীমা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপের পর শেখ হাসিনা ঝুঁকি নিয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছেন। এ সময় সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী বলেন, বিজয়ের সংবাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন।
কৃতিত্ব সরকারের নয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের: বিএনপি
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা জয়ের কৃতিত্ব সরকারের নয়-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি। গতকাল সকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটা আমাদের জন্য একটি বিরাট সুখবর। এতে সমুদ্রে বাংলাদেশের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা দেশ, মানুষ ও ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসায় বিএনপি আনন্দিত। এ জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানাবেন কি না জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ কৃতিত্ব সরকারের নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবেই এ অর্জন ঘটেছে। সালিসি আদালতে এই রায়ের কাজে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যারা কাজ করছেন, তারা নিঃসন্দেহে ভাল কাজ করেছেন। তারা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ অর্জনের জন্য প্রশংসা শুধু মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্য, সরকার কোনভাবেই এর দাবিদার নয়।
সমুদ্রসীমার রায় ঢাকা-নেপিড’ সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: রাষ্ট্রদূত
সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলায় জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল (ইটলস)-এর রায়ে বাংলাদেশ জিতলেও ঢাকা-নেপিড’ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ঢাকাস্থ মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ মিন লুইন। গতকাল রাজধানী হোটেল রূপসী বাংলায় এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বুধবার জার্মানির হামবুর্গে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতে রায় ঘোষণার পর  পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনিও  আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্কে এ রায়ে কোন প্রভাব ফেলবে না।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে