Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ১ পৌষ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.3/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-১০-২০১২

টরন্টোতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আলোচনা সভা

টরন্টোতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আলোচনা সভা
টরন্টো, শুক্রবার, ০৯ মার্চ ২০১২ : বেঙ্গলি ইনফরমেশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস (বায়েস) আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীকে নারী নয়, মানুষ হিসেবে মুল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বায়েস ৮ মার্চ এই আলোচনা অনূষ্ঠানের আয়োজন করে। টরন্টোর ২৭ মেরিয়ান রোডে অনুষ্টিত এই আলোচনায় সাংবাদিক, সাহিত্যিকসহ বেশ কিছুসংখ্যক নারী অংশগ্রহণ করেন।  

বায়েসের ট্রেজারার অধ্যাপক দিলরুবা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম মোস্তফা। আলোচনা করেন সাংবাদিক শওগাত আলি সাগর, বায়েসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি কে এম মবিদুর রহমান, ইসমত আরা মোস্তফা, সাবিহা সুলতানা, নওশীন খান, জোহরা খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইসরাত জাহান লতা।  

সাংবাদিক শওগাত আলি সাগর তাঁর বক্তব্যে বলেন, নারীকে একজন নারী হিসেবে নয় মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির যদি পরিবর্তন ঘটতে না পারি তাহলে নারী উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, কানাডা উন্নত দেশ হলেও নারী পুরুষে বৈষম্য এখনও বিদ্যমান। আমরা একে অপরকে যদি সম্মান করি তাহলে বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব।

মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন বলেন, কানাডায় বসবাসরত বাঙালি নারীদের বেশিরভাগই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। কিন্তু তাঁদের এই শিক্ষাগত যোগ্যতা এখানকার শিক্ষার সাথে সমম্বয় ঘটেনি অনেকাংশেই। ফলে তাদের মেধা ও প্রতিভার যথাযথ প্রতিফলন ঘটছে না। এক্ষেত্রে বাঙালি কমিউনিটির উন্নয়নে ব্যক্তি, সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একেবারেই গৌণ বলা যায়। একে অপরের সাথে তথ্য আদান প্রদান, সচেতনতা সৃষ্টি এবং নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই অবস্থা থেকে উত্তরণ কিছুটা সম্ভব।

অন্যান্য বক্তাগন বলেন, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমরা এখনও নারীকে গুরুত্ব দিই না। নারীরাও অনেক সময় তাদের অধিকারের বিষয়ে সচেতন নয়। আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের মাধ্যমেই কানাডায় অবস্থানরত বাঙালি নারীদের জীবন যাত্রার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

কানাডায় বাঙালি নারীদের অবস্থা: একটি পর্যবেক্ষণ শীর্ষক মূল প্রবন্ধে গোলাম মোস্তফা বলেন, বিশ্বে বছরে যত ঘন্টা মানুষ কাজ করে এর ৭০ শতাংশই করে নারী। আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্য যে, পৃথিবীর সকল সম্পদের মাত্র এক শতাংশের মালিকানা হচ্ছে নারীর। কানাডিয়ান উইমেন নেটওয়ার্কের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানকার প্রায় অর্ধেক নারী ১৬ বছরের পর থেকে কোনো না কোনোভাবে শারিরীক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয। এছাড়া প্রায় ৪৫ শতাংশ নারী তার পরিচিত পুরুষদের দ্বারা সহিংসতার শিকার হয়। বাঙালি নারীদের ক্ষেত্রে এখানে তার স্বামী কিংবা পুরুষ কর্তৃক নির্যাতনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। যার চূড়ান্ত পরিণতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ এবং পারিবারিক অশান্তি বাড়ছেই।  

উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। এবছর এ দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, কানেকটিং গার্লস, ইনস্পায়ারিং ফিউচার।

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে