Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ , ১২ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.4/5 (33 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০৬-২০১২

মহাজোটের সমাবেশে যাচ্ছি না: এরশাদ

মহাজোটের সমাবেশে যাচ্ছি না: এরশাদ
আগামী ১৪ মার্চ ঢাকায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সমাবেশে অংশ নিচ্ছে না জোটের অন্যতম শরিকদল জাতীয় পার্টি। মঙ্গলবার সকালে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধুমঘাট ব্রিজের ওপর সাংবাদিকদের একথা জানান।
এরশাদ বলেন, “আমরা সমাবেশে যাচ্ছি না।”

 

১৪ মার্চ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি থাকবেন। ১৪ দলের অন্য শরীকরা এতে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিলেও জাতীয় পার্টি আগে থেকেই এ সমাবেশে অংশ নেয়ার ব্যাপারে অনীহা দেখিয়ে আসছে। আজ এরশাদের স্পষ্ট ঘোষণার দ্বারা তাদের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেল।

 

ফেনী নদী অভিমুখে জাতীয় পার্টির লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ফেনীতে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন এরশাদ। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টায় নদী পরিদর্শনে যান তিনি। সেখানে ৯টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং এরপর ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। ফেনী নদীর পানি রক্ষা দাবিতে এ কর্মসূচি নেয়া হয়।

 

যেখান থেকে ভারত পাম্প দিয়ে পানি তুলছে সেখানে যাবেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে এরশাদ বলেন, “পাম্পতো অনেক দূরে।”

 

এলাকাবাসী জানান, ফেনী নদীর মূল পয়েন্ট হলো শুভপুর ব্রিজ। সেটি এখান থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দীর্ঘ সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে এখানে যুদ্ধ করেছেন জিয়াউর রহমান। তখন পাকিস্তানি সৈন্যদের হামলায় ব্রিজটির একটি অংশ উড়ে যায়। এখনো চট্টগ্রাম থেকে ফেনীতে আসতে ওই ব্রিজটি ব্যবহার করা হয়। সেটাই মূল ফেনী নদী। আর শুভপুর ব্রিজ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত। যেখানে ভারত এখন পাম্প বসিয়ে পানি তুলে নিচ্ছে।

 

‘ধুমঘাট ব্রিজ’কে ফেনী নদীর মূল পয়েন্ট বলে এরশাদকে পার্টির নেতারা ভুল বুঝিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

 

লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে উল্লেখ করে ধুমঘাট ব্রিজের ওপর এরশাদ বলেন, “১৬ কোটি মানুষ পানি চায়। তাদের প্রতিবাদের মুখে এটি অবশ্যই আদায় হবে।”

 

তিনি বলেন, “আমরা আসায় দেশের জনগণ এ সমস্যা জানতে পারলো। আমরা ফেনীর মানুষের হৃদয় জয় করেছি।”

 

দেশের এসব সমস্যা সমাধানে গণমাধ্যমের ভূমিকারও প্রশংসা করেন এরশাদ।

 

ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তারা কেন পাম্প তুলে নিবে না? এটি (ফেনী নদী) অভিন্ন নদী নয়।” এ নদীর উৎপত্তি ও প্রবাহ বাংলাদেশে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, “নদী নেই মানে আমাদের জীবন নেই, কৃষি নেই। আমরা এমন দেশে বাস করতে চাই না।”

 

এরশাদ বলেন, “সরকারের দুই জন উপদেষ্টা বাংলাদেশর নয়।”

 

ভারতের কাছে ট্রানজিটের ট্যাক্স চাওয়া অসভ্যতা হবে- এমন বক্তব্যতো কোনো বাংলাদেশির হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

সরকার চিরস্থায়ী নয় উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, “আমরা সরকারকে বিষয়গুলো জানাবো। তারা যদি এর সমাধান না করে, ভবিষ্যতে যারা আসবে তারাই এর সমাধান করবে।”

 

এ সময় এরশাদের সঙ্গে ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর আহমদে, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মওলা চৌধুরী প্রমুখ।

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে