Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৪ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.2/5 (89 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১২-১৬-২০১৪

সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে যুগের সমাপ্তি

সামিউল ইসলাম শোভন


সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে যুগের সমাপ্তি

ক্রিকেট মাঠে তারা একে অপরের পরিপূরক। ঠিক মাঠের বাইরেও। বলা হয়ে থাকে, বর্তমান সময়ে ব্যাট হাতে মাঠে অন্যতম সফল জুটি তারা। শুধু তাই নয়, একজন আবার উইকেটের পিছনেও। বলছিলাম শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান কুমার চোকসানাদা সাঙ্গাকারা এবং দিনাগামাগে প্রোবথ মাহেলা ডি সিলভা জয়াবর্ধনের কথা। বরাবরই তারা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাদের ক্রিকেটীয় সাফল্যের কারণে। তবে এবার নতুন করে আরো একবার আসলেন আলোচনাতে। তা হলো, ভাঙতে চলেছে সাঙ্গা-জয়াবর্ধনে জুটি! ইতিমধ্যেই নতুনদেরকে সুযোগ দেওয়ার নামে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটের দুটি (টি-২০ এবং টেস্ট) থেকেই অবসরের ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। একই সাথে ঘোষণা দিয়েছেন আসন্ন ২০১৫ বিশ্বকাপের পর অবসর নেবেন একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকেও। শুধু জয়াবর্ধনেই নয়, বিশ্বকাপের পর ওয়ানডে থেকে অবসর নিচ্ছেন কুমার সাঙ্গাকারাও। ফলে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মঙ্গলবার সাত ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের সপ্তম ও শেষ ম্যাচই হতে চলেছে দেশের মাটিতে সাঙ্গা-জয়াবর্ধনে জুটির শেষ ম্যাচ।

এখন পর্যন্ত ৪৩৩টি ওয়ানডে ম্যাচে জয়াবর্ধনের ব্যাট থেকে এসেছে ১২২১৯ রান।রয়েছে ১৭টি শতক এবং ৭৬টি অর্ধশতক। অন্যদিকে উইকেটরক্ষক কাম ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা খেলেছেন ৩৮৯টি ম্যাচ। তবে মাহেলার চাইতেও কম ম্যাচ খেলে ব্যাটে করেছেন বেশি রান। একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২০টি শতক ও ৯১টি অর্ধশতকসহ তাঁর মোট ব্যাক্তিগত রান ১৩৩৩৯। উইকেটের পিছনে থেকে ক্যাচ নিয়েছেন ৩৮৮টি এবং স্ট্যাম্পিং করেছেন ৯২টি। শুধু তাই নয়, দুজনেই দীর্ঘদিন সামনে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অধিনায়ক হিসেবেও তারা ছিলেন সফল।

দেশের মাটিতে নিজেদের শেষ ম্যাচটি তাই স্মরণীয় হয়ে থাকবে তাদের কাছে। দেশের মাটিতে শেষবারের মতো এই জুটির খেলা পুরো ক্রিকেট দুনিয়ার কাছেই স্বাভাবিকভাবে রোমাঞ্চকর।

জুটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জয়াবর্ধনে জানান, ‘সবকিছুরই একটা শেষ রয়েছে। আমি মনে করি এখানে আমাদের (সাঙ্গাকারাপ ও জয়াবর্ধনে)দুঃখপ্রকাশের কিছু নেই, কারণ আমরা আমাদের সবকিছু দেশ ও দলের জন্য করেছি। এমনকি আগামীকালের ম্যাচ নিয়েও আমরা একইভাবে চিন্তা করছি। তাছাড়া আমাদের অবসরের পর শ্রীলংকা ক্রিকেট মারা পড়তে যাচ্ছেনা। বরং তা আরো আগে বাড়বে বৈ কি।দলে এবং দলের বাইরে অনেক তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি তারা ঠিকই এই দায়িত্ব নেবে।’

দেশের মাটিতে শেষ ম্যাচ। কেমন মনে হচ্ছে? আর কিসের অভাববোধ করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মাহেলা বলেন, ‘যখন আমার ১৬বছর বয়স, তখনই আমি স্কুলের হয়ে এই মাঠেই (প্রেমাদাসা)খেলি। তখন থেকেই এখানকার দর্শক, সমর্থন সবকিছুকে খুব অনুভব করতাম। এই মাঠেই দেশের হয়ে শেষ করতে পেরে অনেক ভালো লাগবে। তবে এই রঙিন দর্শক, এই মাঠ, এই সঙ্গীত আর দিনগুলোর আক্ষেপ থেকেই যাবে।’

হয়তো মাঠে রঙিন জার্সিতে ব্যাট হাতে আর একসাথে দেখা যাবেনা তাদেরকে। তবে ক্রিকেটকে তারা যা দিয়েছেন তা হয়তো অনেক সফল ক্রিকেটারের কাছেই অধরা থেকে যাবে। সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে থাকবেন লাখো সমর্থকদের অন্তরে।

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে