Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.5/5 (59 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-২৯-২০১৪

জিম্বাবুয়ের “কষ্টের খাতায়” আরেকটি পরাজয়

জিম্বাবুয়ের “কষ্টের খাতায়” আরেকটি পরাজয়

ঢাকা, ২৯ নভেম্বর- একের পর এক ম্যাচ হেরে কষ্টে বিভোর জিম্বাবুয়ে। কষ্টের পরিমাণটা এত বেশি যে বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছে তারা আকুল আবেদনও জানিয়েছে, ‘আমাদের নিয়ে মজা করো না।’ আজকের ম্যাচের মাঝামাঝি মনে হচ্ছিল সান্ত্বনার জয়টা পেয়েও যেতে পারে অতিথিরা। কিন্তু সাকিব-মাশরাফিদের ‘নিষ্ঠুরতা’য় তা আর হলো না। জিম্বাবুয়ের কষ্টের খাতায় যোগ হল আরেকটি পরাজয়।

এদিন সফরকারীদের মাশরাফি বাহিনী হারিয়েছে ২১ রানে।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৩ ওভারের মধ্যেই চারটি উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সাবেক দলপতি মুশফিকুর রহিম। তুলে নেন অর্ধশতক। তাকে সঙ্গ দেন ‘ভায়রা’ রিয়াদ। দুজনে মিলে মিরপুরে পঞ্চম উইকেটে শতক পার করা সর্বোচ্চ রানের জুটিও গড়েন। অর্ধশতক করা রিয়াদকে রেখে ফেরার সময় মুশফিক ছিলেন ৭৭ রানে।

মুশফিক-রিয়াদের জুটি ভাঙার পর ১৭ বলের ব্যবধানে রিয়াদকে রেখে ফিরে যান আরো দুই ব্যাটসম্যান।

এরপর মাঠে নামেন ‘নয়া কাপ্তান’ মাশরাফি বিন মর্তুজা। হতাশ করেননি। বিপদের সময় বোলারের তকমা ছেড়ে বনে যান ব্যাটসম্যান। ২৫ বলে করেন ৩৯ রান। দলীয় স্কোরটা নিয়ে যান ২৫৬ রানে। ততক্ষণ সাবেক এবং বর্তমান দুই কাপ্তানকে যোগ্য সমর্থন দিয়ে যান ধীর-স্থির রিয়াদ। ১১২ বল খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন ৮২ রানে।

এর আগে শুরুতেই ব্যক্তিগত পাঁচ রানের মাথায় এনামুল, ১৬ রানের মাথায় তামিম ইকবাল এবং ৫ রানের মাথায় ইমরুল কায়েস ফেরেন। এরপর মাত্র এক রানের মাথায় সাকিব আল হাসানও বিদায় নেন।

৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের খাতা খুলে স্বাগতিকরা।

ইনিংসের উদ্বোধন করতে নামেন এনামুল হক বিজয় এবং তামিম ইকবাল। এনামুল এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন। এর পর উইকেট হারানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মুশফিক। আর শেষ পর্যন্ত স্বস্তির স্কোর আসে মাশরাফির কল্যাণে।

এরপর ফিল্ডিং করতে নেমে ওয়ানডের অভিষেক ওভারেই উইকেটের দেখা পান লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন। শিকার করেন মারুমাকে। তার আগে অতিথি শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন সাকিব।

দশ ওভার পর্যন্ত ওপেনিং জুটি সচল ছিল জিম্বাবুয়ের।  রানও একেবারে খারাপ ছিল না। ৪৮। তখন প্রথম আঘাতটা করেন সাকিব আল হাসান। সিবান্দাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। এরপর ১২তম ওভারে ফেরান মাসাকাদজাকে। এরপর টেলর উঁকি দিয়ে হারিয়ে যান। আশা জাগান জয়ের। ৬৩ রান করে তিনি যখন ফিরে যান, তখন জিম্বাবুয়ের দরকার ছিল ৯২ বলে ৮৪ রান। সেখান থেকে টেলরের সতীর্থরা বাকী পথটুকু অতিক্রম করতে পারেননি। আরেকটি পরাজয়কে বরণ করে মাঠ ছেড়েছেন ভারাক্রান্ত হৃদয়ে। আর বাংলাদেশেকে পৌঁছে দিয়ে গেলেন আরেকটি ‘বাংলাওয়াশের’ নিঃশ্বাস দূরত্বে।

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে