Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯ , ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (16 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১১-২৭-২০১৪

সাত খুনে তারেক সাইদ জড়িত: তদন্ত রিপোর্ট

সাত খুনে তারেক সাইদ জড়িত: তদন্ত রিপোর্ট

ঢাকা, ২৭ নভেম্বর-  নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জড়িত ছিলেন র‌্যাব-১১এর তৎকালীন অধিনায়ক তারেক সাইদ ও আরেক কর্মকর্তা আরিফ হোসেন। এছাড়া অপর কর্মকর্তা এসএম রানা ওই সাত জনকে অপহরণ পর্যন্ত জড়িত ছিলেন।

এ ঘটনায় অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে দেয়া র‌্যাবের তদন্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি জানান, গত ২৩ নভেম্বর র‌্যাবের তদন্ত প্রতিবেদনটি তিনি পেয়েছেন।

আগামী ১০ ডিসেম্বর এ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।

এর আগে গত ১৭ জুন সাত খুনের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন র‌্যাব-১১ এর চাকরিচ্যুত অধিনায়ক ও অবসরে পাঠানো সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল তারেক সাঈদ।

তারও আগে গত ৪ জুন র‌্যাব-১১ এর উপ-অধিনায়ক ও অবসরে পাঠানো মেজর আরিফ হোসেন ও পরদিন ৫ জুন নৌ বাহিনীর কমান্ডার এম এম রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহৃত হন।

৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয় জন এবং ১ মে সকালে অপরজনের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় নিহত নজরুলের শ্বশুর ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাব তাদের হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন।

পরে এ ঘটনায় সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। তবে ভারতে পালিয়ে যায় নূর হোসেন।

সাত খুনের ঘটনার পরেই আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা তারেক সাইদ ও তার অধস্তনদের বিরুদ্ধে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে গত ১৬ মে রাতে তারেক সাঈদ ও আরিফ হোসেন এবং ১৭ মে এম এম রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। র‌্যাবের এ তিন কর্মকর্তাকে  প্রথমে প্রত্যাহার এবং পরে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় নিজেদের সস্পৃক্ততার দায় স্বীকার করেছেন কিলিং মিশনে অংশ নেয়া র‌্যাব-১১ এর বাকি তিন সদস্য হাবিলদার এমদাদুল হক, সিপাহী আবু তৈয়্যব ও ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়া। গত ২৬ আগস্ট রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জবানবন্দিতে র‌্যাবের এ সদস্যারা স্বীকার করে, তারা শুধুমাত্র চাকরি বাঁচানোর জন্যই সাত খুনের পুরো ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। ওই সময়ে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘কাজটি সঠিক হচ্ছে না’ বললেও তারা তাতে কর্ণপাত করেননি। বরং সিনিয়র কর্মকর্তাদের প্রচণ্ড চাপ, হুমকি, ধমক আর রোষানলে পড়ে বাধ্য হয়ে তারা সাতজনকে অপহরণের ঘটনায় সম্পৃক্ত হয়। তবে অপহরণের পর সাতজনকে হত্যা করা হবে এ বিষয়টি বুঝতে পারেনি র‌্যাবের সদস্যরা।

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে