Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০৩-২০১২

রাজধানীতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের শোভাযাত্রা (ভিডিও সংযুক্ত)

রাজধানীতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের শোভাযাত্রা (ভিডিও সংযুক্ত)
























ঢাকা, ৩ মার্চ- রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নিজেদের অধিকার, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে সমাবেশ করেছে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীরা।
শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ‘ভেঙে যাক সকল বাধা, তৈরি হোক চলাচলের সমতা’—এই স্লোগান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শেষ হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। পরে তাঁরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি সমাবেশের আয়োজন করে।
প্রতিবন্ধী তথা ভিন্নভাবে সক্ষম মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশি সিস্টেমস চেঞ্জ অ্যাডভোকেসি নেটওয়ার্ক (বি-স্ক্যান) এই শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে বক্তারা তাঁদের অধিকার, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন।
বি-স্ক্যানের সভাপতি সাবরিনা সুলতানা বলেন, পৃথিবীর আলো-বাতাসের স্পর্শ পেতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের ডিঙাতে হচ্ছে পাহাড় সমান বাধা। অনেকেই আবার ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দী হয়ে পড়ছে। অথচ তাদেরও সবকিছু করার অধিকার আছে। বাংলাদেশে মূল জনসংখ্যার ১৫ ভাগ প্রতিবন্ধী মানুষ। তাদের মধ্যে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর প্রকৃত সংখ্যা আজও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে এমন কোনো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি যেখানে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীরা একটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন পেতে পারেন। সিঁড়ির পাশাপাশি যে বিকল্প পথ অর্থাত্ র্যাম্প (ঢালু পথ) এই দেশে দরকার ছিল তা স্বাধীনতার ৪০ বছরেও তৈরি হয়নি। স্বাধীনতার ৪০ বছর হয়ে গেলে অথচ আমরা হুইল চেয়ার ব্যবহারকারীরা পরাধীনই থেকে যাচ্ছি।
সাবরিনা আরও বলেন, বাংলাদেশের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০০৮ অনুযায়ী প্রতিটি ইমারতে হুইলচেয়ার প্রবেশগম্যতা ও টয়লেট থাকা আবশ্যকীয় করা হয়েছে। অথচ আইন থেকেও তা এখনো বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এমনকি, হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের স্কুলে ভর্তিও করাতে চায় না স্কুল কর্তৃপক্ষ। হুইল চেয়ার যেন একটা অভিশাপের নাম। তিনি বলেন, আমাদের দাবি, হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের কথা আলাদাভাবে ভাবতে হবে। তাদের জন্য সহায়ক যাতায়াতব্যবস্থা, শিক্ষার সুযোগ, সর্বোপরি স্বাভাবিক জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে পরিণত করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবে এ দায়িত্ব আপনার, আমার সবার।
সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক সিস্টার ভ্যালেরি এ টেলরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বি-স্ক্যানের সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুব, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বি-স্ক্যানের প্রধান উপদেষ্টা ও ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস-বারডেমের পরিচালক শুভাগত চৌধুরী। এ ছাড়া আমার ফাউন্ডেশন, ব্লগারস ফোরাম, কমিউনিটি ব্লগ সচলায়তন, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা সেন্ট্রাল, ওয়াটার এইড ও মুক্ত আসরসহ বেশ কিছু সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে