Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.3/5 (9 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০২-২০১২

মে মাসের শেষ সপ্তাহে দুই ডিসিসি নির্বাচন

মে মাসের শেষ সপ্তাহে দুই ডিসিসি নির্বাচন
বহুল প্রত্যাশিত বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ বা ২৫ মে। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ সংক্রান্ত তফসিল ঘোষণা করা হবে। ডিসিসির দুই নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দুই নির্বাচন দু'দিনে অনুষ্ঠিত হলে নানা ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে এ আশঙ্কা থাকায় একই দিনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার সংসদে ডিসিসির আইন সংশোধনের পর বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, তারা ডিসিসি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। যথাসময়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে চলছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেন, এপ্রিলে তফসিল ঘোষণা করে মে মাসের শেষ দিকে এ নির্বাচন হতে পারে। নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, লোকবল নিয়োগ ও ভোটার তালিকা তৈরিসহ ডিসিসি নির্বাচনের জন্য তাদের অনেক কাজ করতে হবে। ইতোমধ্যে অবশ্য বড় বড় কাজগুলো শেষ করা হয়েছে । সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় ৯০ দিনের স্থলে ১৮০ দিন করায় ২৯ মের মধ্যে ঢাকায় দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করতে হবে। তাই ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, নির্বাচনী মালামালসহ সব প্রস্তুতির বিষয়ে বৈঠকে কমিশনকে জানানো হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষা ২০ মে পর্যন্ত চলবে। অধিকাংশ নির্বাচনী ৭ কর্মকর্তাই শিক্ষক। এ কারণে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সময় শেষ হওয়ার কমপক্ষে চার-পাঁচ দিন আগে নির্বাচন করতে হবে। কারণ নির্বাচন নিয়ে কোনো ওয়ার্ড বা কেন্দ্রে জটিলতা হলে নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ ২৯ মে'র মধ্যে শেষ করতে হবে। এ বিবেচনায় ২৪ বা ২৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে। সিইসিসহ পাঁচ কমিশনার শিগগির বৈঠক করে এ দুইটি দিন থেকে একটি তারিখ চূড়ান্ত করবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে কমপক্ষে ৪৫ দিন সময় রাখতে হবে। কারণ প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রতি ওয়ার্ডেও প্রার্থী সংখ্যা অনুযায়ী আলাদা আলাদা ব্যালটপেপার ছাপতে হবে। দুই ঢাকা সিটি করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। এক্ষেত্রে মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১ কোটি ২০ লাখ ব্যালট ছাপাতে হবে। মে মাসে লোডশেডিং আরো তীব্র হবে। বিষয়টি মাথায় রেখে প্রার্থিতা প্রত্যাহরের পর থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত ২১ দিন সময় রাখতে চান তারা। এছাড়া ডিসিসি নির্বাচনের জটিলতা বিবেচনায় মনোনয়ন দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহারে পর্যাপ্ত সময় দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন কমিশন। এসব বিবেচনায় এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার আগে ঢাকার নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিভিন্ন শূন্য পদ পূরণ, প্রয়োজনীয় গাড়ি সরবরাহ এবং রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের নাম চূড়ান্ত করা হবে। গতকাল বৈঠকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় মালামাল, সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়ন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে