Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.6/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০২-২০১২

টাকার অভাবে এমপিও বন্ধ

টাকার অভাবে এমপিও বন্ধ
সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) তালিকা চূড়ান্ত করা হলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে নতুন এমপিও দেয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে শুধু বলা হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বরাদ্দের 'সবুজ সঙ্কেত' পেলে তালিকা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও নিয়ে জাতীয় সংসদে এমপিদের তোপের মুখে পড়েন। এমপিরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার তালিকা দেয়ার পরও তা না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় এমপিওভুক্ত করা যাচ্ছে না। অর্থ পেলেই স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্তির জন্য সাত হাজার ৫৩৩টি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের মধ্যে প্রাথমিক বাছাইয়ে সাত হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও'র জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়। এরমধ্যে অধিকতর যোগ্য ১ হাজার ৬১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রাজনৈতিক বিবেচনা, স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সংখ্যা, অবস্থানগত দিক, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় আনা হয়েছে। নতুন এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে কয়েকবার প্রয়োজনীয় টাকা চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় অর্থ ছাড় দেয়ার ব্যাপারে কোনো সবুজ সঙ্কেত দেয়নি। জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রথমে পাঠদানের অনুমতি দেয়া হয়, এরপর একাডেমিক স্বীকৃতি। তারপর শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের যোগ্যতা মূল্যায়নের পরই এমপিওভুক্ত করা হয়। কিন্তু অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ২০০৪ সালের শেষের দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে এমপিও সম্পর্কিত একটি নীতিমালার সুপারিশ প্রণয়ন করে। ১৯৯৭ সালে এমপিওভুক্তির জন্য সর্বশেষ নীতিমালা তৈরি করা হয়েছিল। এ ৬ নীতিমালার আলোকে কমিটি নতুন নীতিমালা তৈরি করে। পরে ২০১০ সালে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশের মধ্যদিয়ে অর্ধযুগের এমপিওভুক্তি বন্ধের বন্ধ্যাত্ব দূর হয়। সে সময় এক হাজার ৬০৯টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, প্রতি বছর পর্যায়ক্রমে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। এজন্য মন্ত্রণালয় একটি তালিকা তৈরি করেছে। তবে প্রয়োজনীয় টাকার অভাবে নতুন করে কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিও করা যাচ্ছে না। অর্থ বরাদ্দ পেলে শিগগিরই আরো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।
 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে