Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.7/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১৭-২০১৪

কালোকে ফর্সা, মোটাকে চিকন বানানোর ফাঁদ

তোহুর আহমদ


কালোকে ফর্সা, মোটাকে চিকন বানানোর ফাঁদ

ঢাকা, ১৭ নভেম্বর- সৌন্দর্য বর্ধনের নামে প্রকাশ্যে চলছে ভুয়া চিকিৎসা বাণিজ্য। মোটাকে চিকন, কালোকে ফর্সা, অসুন্দরকে সুন্দর, বয়স কমিয়ে দেয়া, টাক মাথায় চুল গজানোসহ নানা ধরনের চিকিৎসার কথা বলে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সৌন্দর্য বর্ধনের নামে এই ‘চিকিৎসা’ দিচ্ছে লেজার ট্রিট নামে রাজধানীর একটি কথিত বিউটি ক্লিনিক। নামিদামি মডেলের চটকদার বিজ্ঞাপনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ‘রোগী’ বাগিয়ে নিচ্ছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আমদানি নিষিদ্ধ ইনজেকশন ও কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিকের সাহায্যে এসব ‘চিকিৎসা’ দেয়া হচ্ছে এই ক্লিনিকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালো বর্ণের মানুষকে কখনোই সাদা বানানো যায় না। পৃথিবীর কোথাও কালোকে সাদা বানানোর চিকিৎসা নেই। আর অবিশ্বাস্য দ্রুততায় মোটাকে চিকন এবং টাক মাথায় চুল গজানোর বিজ্ঞাপন একটা চটকদার প্রলোভন মাত্র। সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হল এ ধরনের চিকিৎসায় নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেক সময় সাময়িক ফল দেখা গেলেও ক্ষতি হয় দীর্ঘমেয়াদি।

চিকিৎসার প্রলোভন : তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, লেজার ট্রিটের বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে মোটাকে চিকন করার জন্য ‘জেরনা’ নামের একটি চিকিৎসার প্রলোভন দেয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, মাত্র তিন সপ্তাহে মোটা শরীরের ৩ থেকে ৯ ইঞ্চি মেদ কমিয়ে দেয়া সম্ভব। এই প্রচারের জন্য অর্ধনগ্ন নারী শরীরের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘জেরনা’ একটি মেশিনের নাম। এই মেশিনের মাধ্যমে লেজার রশ্মির সাহায্যে মেদ কমানোর কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে এর দ্বারা শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশের মেদ অপসারণ সম্ভব নয়। দু’তিন সপ্তাহের মধ্যে শরীরের ৩ থেকে ৯ ইঞ্চি মেদ কমিয়ে ফেলাও অসম্ভব।
জানা গেছে, বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে সেবা প্রত্যাশীরা লেজার ট্রিট ক্লিনিকে আসার পর থেকেই প্রতারণা শুরু হয়। মেদবহুল ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতিবার জেরনা থেরাপির জন্য ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে নেয়া হয়। মেদবহুল ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০-১৫ বার থেরাপি নিতে বলা হয়। ফলে একজন ব্যক্তির কাছ থেকেই ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে লেজার ট্রিট। এত টাকা খরচের পরও যখন প্রত্যাশিত মেদ কমে না, তখন হতাশ হয়ে গ্রাহকরা সেবা গ্রহণ ছেড়ে দেন।

সূত্র জানিয়েছে, একটি জেরনা মেশিনের দাম ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা। তবে বিনিয়োগের এই টাকা ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তির কাছ থেকেই তুলে নেয়া হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শরীরের মেদ চর্বি অবিশ্বাস্য দ্রুততায় অপসারণের কোনো জাদুবিদ্যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে নেই। এ জন্য দরকার দীর্ঘমেয়াদে নিয়মিত শরীর চর্চা ও নিয়ন্ত্রিত সুষম খাদ্য গ্রহণ।
লেজার ট্রিটের আরেকটি লোভনীয় চিকিৎসা হচ্ছে কালোকে ফর্সা বানিয়ে দেয়া। প্রচারিত বিজ্ঞাপনে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, কালো ব্যক্তিকে লেজার চিকিৎসার সাহায্যে মুহূর্তেই ফর্সা করে দেয়া সম্ভব। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি অসম্ভব ব্যাপার।

জানা গেছে, কালোকে ফর্সা বানানোর চিকিৎসার জন্য গ্লুটাথিউন নামের এক ধরনের ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। আসলে এটি এক ধরনের বিষ। এই ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে, ইনজেকশন শরীরে প্রবেশ করানোর পর ত্বক অস্বাভাবিক ফ্যাকাসে ও সাদা হয়ে যায়। আর এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকেই ত্বক ফর্সা করার চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ত্বক ফর্সা করার জন্য গ্লুটাথিউন ইনজেকশন ব্যবহারের কিছুদিন পর ত্বকে ফোস্কা পড়ে। ত্বক কুঁচকে চামড়া উঠে যায়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

লেজার ট্রিট ক্লিনিকের আরেকটি লোভনীয় চিকিৎসা হচ্ছে বয়স্ক ব্যক্তির শরীর থেকে বয়সের ছাপ দূর করে কম বয়সী দেখানো। কুঁচকানো চামড়া লেজার থেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক করে দেয়া। বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে ৫০ বছরের ব্যক্তিকে লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে তারা ৩০ বছর বয়সীর মতো তরুণ বানিয়ে দিতে পারে! জানা গেছে, এই চিকিৎসার জন্য ফিলার এবং মেজো নামের অনিবন্ধিত এবং বিপজ্জনক ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। ফিলার এবং মেজো হচ্ছে হায়ালুরেনিক এসিড। এর পার্শ্বপতিক্রিয়া মারাÍক। এটি বাংলাদেশে আমদানিও নিষিদ্ধ। কিন্তু কসমেটিক্স হিসাবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে চোরাইপথে এটি আমদানি করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক বলেন, ফিলার ইনজেকশন এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অনুমোদন দিলেও মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য ব্রিটিশ সার্জন অ্যাসোসিয়েশন এগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। বিশেষ করে নারীদের স্তনে ব্রেস্ট ফিলার ব্যবহারের কারণে স্তন ক্যান্সার হতে পারে। সৌন্দর্য বর্ধনের প্রলোভনে এ ধরনের আরও অনেক চিকিৎসার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে লেজার ট্রিট। এই ক্লিনিকটির দৈনিক আয় অন্তত ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু এসব দেখার কেউ নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশের প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও শমরিতা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এম ইউ কবীর চৌধুরী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মানুষকে ফর্সা করে দেয়া বা মোটাকে চিকন করে দেয়া সংক্রান্ত এমন চিকিৎসার বিরোধী। চিকিৎসা প্রত্যাশীকে অবশ্যই আগে বলে দিতে হবে এ ধরনের চিকিৎসা ক্ষণস্থায়ী, ব্যয়বহুল এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ মাসুদ চৌধুরী বলেন, কোনো চিকিৎসার মাধ্যমে নায়ক-নায়িকার মতো আকর্ষণীয় শারীরিক গড়ন বানিয়ে দেয়া কখনোই সম্ভব নয়। ধরুন, একজন রোগী ব্রণের চিকিৎসার জন্য ক্লিনিকে এলেন। চিকিৎসকের উচিত তাকে ব্রণের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া। কিন্তু তা না করে লেজার ক্লিনিকগুলো রোগীকে ব্যয়বহুল লেজার চিকিৎসার দিকে প্রথমেই ঠেলে দেন। এটা ঠিক নয়।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণের কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। তাহলেই অনেক প্রতারণা বন্ধ করা যাবে। একই সঙ্গে কোনো রোগী প্রতারিত হলে তার বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

চিকিৎসকের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন : লেজার ট্রিটের মালিকের নাম ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ছিলেন। চার বছর আগে নিজের ক্লিনিকে রোগী ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগে তিনি বরখাস্ত হন। এই চিকিৎসক তার ভিজিটিং কার্ডে বেশকিছু ডিগ্রির কথাও উল্লেখ করেছেন। যেগুলো আদৌ কোনো ডিগ্রি নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যেমন, ভিজিটিং কার্ডে তিনি লিখেছেন বডি শেপিং, জেরনা ও অ্যাসথেটিক লেজার চিকিৎসার ওপর তিনি অ্যাডভান্স ডিগ্রিপ্রাপ্ত।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও চিকিৎসাবিষয়ক সাংবাদিক ডা. মোড়ল নজরুল ইসলাম বলেন, কেউ বিদেশ থেকে যখন কোনো চিকিৎসা যন্ত্র কেনেন তখন স্বাভাবিকভাবেই তাকে যন্ত্রটি চালানো শিখিয়ে দেয়া হয়। এটি কোনো ডিগ্রি নয়। তাছাড়া কোনো চিকিৎসক কোনো সেমিনারে অংশ নিয়ে সেটিকে ডিগ্রি হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। এটি পেশাগত অসদাচরণ।
লেজার ট্রিটের মালিকের ডিগ্রি ও কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ মাসুদ চৌধুরী বলেন, চাকরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার হওয়ার পরও তার নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হওয়ার কথা। কিন্তু তিনি একদিনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যান না। তার হাজিরা খাতাও সম্পূর্ণ ফাঁকা।

এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক মাসুদ চৌধুরী বলেন, বহিষ্কার অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া তার বিদেশে যাওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয়। কিন্তু তিনি কর্র্তৃপক্ষকে না জানিয়ে চলতি বছরের ৯ থেকে ১২ এপ্রিল ভিয়েতনাম সফর করেছেন। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
তিনি বলেন, এই চিকিৎসক ডিল্পোমা ইন ডার্মাটোলজি (গ্লাসগো, ইউকে) নামের যে ডিগ্রি নিয়েছেন তা বিএমডিসি অনুমোদিত কিনা সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। লেজার ট্রিট ক্লিনিকে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ডাক্তার শামীম ছাড়া ক্লিনিকে হাতেগোনা সদ্য এমবিবিএস পাস করার কয়েকজন জুনিয়র চিকিৎসক রয়েছেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত বেশির ভাগ কাজই করেন বেতনভুক্ত নারী শ্রমিকরা। এসব নারী শ্রমিকের চিকিৎসায় পেশাগত কোনো প্রশিক্ষণও নেই।

মডেলের সরল স্বীকারোক্তি : লেজার ট্রিট ক্লিনিকের বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসা প্যাকেজের প্রচারে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন মডেল অভিনেত্রী মেহজাবীন। এই মডেলের অভিনীত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে দেখানো হচ্ছে, লেজার রশ্মির সাহায্যে মুহূর্তেই ত্বক ফর্সা অপরূপ ও লাবণ্যময় হয়ে উঠছে। এ ধরনের বিজ্ঞাপনে কাজ করার আগে এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জেনেছেন কিনা বা নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে সরল স্বীকারোক্তি দেন মডেল মেহজাবীন। তিনি বলেন, কখনোই তিনি লেজার ট্রিটে চিকিৎসা নেননি। তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু জানেনও না। তিনি চুক্তি অনুযায়ী শুধু বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মাণে অভিনয় করেছেন। ইতিমধ্যে লেজার ট্রিটের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য : অবৈধ ও আমদানি নিষিদ্ধ ইনজেকশনসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক বলেন, লোকবল সীমাবদ্ধতার কারণে সব ক্ষেত্রে সমানভাবে নজরদারি করা যাচ্ছে না। তারপরও রাজধানীর অনেকগুলো জায়গায় নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। লেজার ট্রিট নামের ক্লিনিকে আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চটকদার প্রলোভনযুক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞাপন ও রোগীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য অধিদফতরের একজন পরিচালক বলেন, লেজার ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার পর একাধিক ব্যক্তি স্বাস্থ্য অধিদফতরে অভিযোগ করেছেন। এসব অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ক্লিনিক বা হাসপাতালের লাইসেন্স নিয়ে যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো চিকিৎসা দিতে পারে না। তাকে অবশ্যই দেশের আইন-কানুন মানতে হবে।

যা বললেন লেজার ট্রিটের মালিক : প্রতিষ্ঠানটির মালিক ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি বিশ্ব স্বীকৃত নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি বাংলাদেশে নিয়ে এসেছি যা আগে কেউ আনেনি। আমিই বাংলাদেশে একমাত্র চিকিৎসক, যিনি লেজার চিকিৎসার ওপর উচ্চতর ডিগ্রি পেয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার ব্যবসায়িক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি বেআইনি কিছুই করছি না। চিকিৎসা প্রত্যাশীদের বিষয়ে আমি সর্বোচ্চ যত্নবান থাকি।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্তের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে