Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯ , ১ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.7/5 (19 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১২-২০১৪

সোনার চোরাচালান আটক হলেও বন্ধ হয় না

সোনার চোরাচালান আটক হলেও বন্ধ হয় না

ঢাকা, ১২ নভেম্বর- প্রতিদিনই আকাশপথে বাংলাদেশে ঢুকছে চোরাচালানকৃত সোনা। শনিবার ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ কেজি সোনা। চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে গত এক সপ্তাহে প্রায় ১২ কেজি এবং সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে উদ্ধার হয় দেড় কোজি সোনার বার।

অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসা এমন বিপুল পরিমাণ সোনা আটকের ঘটনা এখন নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। গত এক বছরে এভাবেই তিন হাজার কেজিরও বেশি সোনা আটক করেছে কাস্টমস কতৃপক্ষ। তারপরও চোরাই সোনার চালান আসছেই। কোনভা্বেই বন্ধ করা যাচ্ছে না সোনার চোরাচালান। বরং এ পর্যন্ত যত সোনা আটক হয়েছে, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সোনা পাচার হয়েছে নিরাপদে। নিত্যনতুন কৌশলে, রুটের পরিবর্তন এনে সোনা চোরাচালান হচ্ছে। কখনো দেহের ব্যান্ডেজে, কখনো পায়ুপথে, হুইল চেয়ারে, জুতা, স্যান্ডেল, বেল্ট, সাবান কেস, ল্যাপটপের ভিতর- নানা অদ্ভুতসব কায়দায় সোনা পাচার হচ্ছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ভৌগোলিক অবস্থান ও নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সোনা চোরাচালানকারীরা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দুবাই, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশ ও স্থল পথে সোনার চোরাচালান নিয়ে আসছে বাংলাদেশে। জানা যায়, আশির দশকে এ দেশে চোরাচালানের মাধ্যমে সোনা আসা শুরু হয়। ১৯৮৫ সালে চোরাচালানের ৯৬ কেজি ৫২৫ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। সোনার বারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। ওই বছরই সোনা চোরাচালানের অভিযোগে ২৬টি মামলায় ৩১ জনকে আটক করা হয়। ’৮৬ সালে উদ্ধার করা হয় ১২০ কেজি ২২৫ গ্রাম সোনা। ওই বছর সোনা চোরাচালানের অভিযোগে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলা হয়। সেই সময় থেকে বছর গেছে আর সোনার চোরাচালান বেড়েছে। ২০১৪ সালে এসে শত শত কেজি সোনার বার পাচার হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোনা আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে ভারত সরকার। ফলে দেশটিতে সোনা আমদানি ৯৫ শতাংশে কমে আসে। তা ছাড়া সোনা আমদানিতে শুল্ক হার ৬ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এতে সোনা আমদানিতে আরও ধস নামে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সোনা ব্যবহারকারী দেশ ভারতে সোনা পাচার অতিমাত্রায় বেড়ে যায়। তাই বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের চোরাকারবারিদের কাছে সোনা পাচার এখন অধিকতর লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

কাস্টমস হাউসের হিসাবমতে, গত ১৩ মাসে শুধু শাহজালাল বিমানবন্দরে ১২৫টি সোনার চালান আটকের ঘটনায় থানা ও বিভাগীয়সহ ৭০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক মামলার তদন্ত থেমে গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজ পর্যন্ত সোনা চোরাচালান মামলায় জড়িতদের কোনো শাস্তি হওয়া দূরের কথা, মূল হোতাদেরই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁরা বরাবরই রয়ে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে