Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-২৬-২০১২

শহীদ মিনারের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শহীদ মিনারের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে সাধারণ একটি কবর ঘিরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মাজারের কিছু স্থাপনা আদালতের আদেশে ভেঙে দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। তবে মাজার ভাঙা হয়নি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিনের নেতৃত্বে শনিবার সকাল থেকে এই অবৈধ স্থাপনা ভাঙার কাজ শুরু হয়। গণপূর্ত বিভাগ, ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক পুলিশ এ সময় সেখানে উপিস্থত ছিলেন। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসির মামুনের এক রিট আবেদনে গত বুধবার বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শহীদ মিনারের পাশের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। তবে কবরটি ম ১ ঠিক রাখাতে বলা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন বলেন, মাজারের কিছু স্থাপনা ভাঙা হয়েছে। তবে কবর ও পাশের মসজিদ অক্ষত রাখা হয়েছে। এই অভিযানের বিষয়ে হাইকোর্টকে অবহিত করা হবে। সরেজমিন দেখা যায়, মাজারের পেছনের (নার্সিং হোস্টেলের সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন) দুটি বাথরুম, এর একটু দূরে একটি রান্নাঘর কাম স্টোর রুম, পশ্চিম পাশে মাজারের খাদেম ও মসজিদের ইমামের থাকার ঘর, মাজারের সামনের মূল ফটক, ওজুখানা ও পানির ট্যাঙ্কসহ ছোটখাটো কয়েকটি স্থাপনা ভাঙা হয়েছে। শাহবাগ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, নির্বিঘ্নেই এই অভিযান চলেছে। কেউ বাধা দেয়ার চেষ্টা করেনি। মাজারের ভক্ত আবদুল মান্নান বলেন, হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। এ কারণে ভাঙার কাজ চলছে। মূল মাজার বা মসজিদ ভাঙা হয়নি। শহীদ মিনারের পেছনে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার কথা উল্লেখ করে ২০ ফেব্রুয়ারি কালের কণ্ঠে 'বেড়ে উঠছে কথিত মাজার, হুমকিতে শহীদ মিনার' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করে মুনতাসির মামুন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ঢাকা মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এখানে কখনো কোনো মাজার ছিল না। ছিল সাধারণ একটা কবর। তারা এ-ও জানান, কবরটি মেডিকেল কলেজের কোনো এক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর। পরে সেই কবরটি নব্বই দশকে এবং ২০০০ সালের দিকে ধীরে ধীরে মাজার বানিয়ে নিয়েছে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের জন্য আশপাশের যে চার একর জমি বরাদ্দ আছে, সেখান থেকেই দখল দেয়া হয়েছে ওই ২০ কাঠা। ইতোমধ্যে দখলকৃত জায়গায় গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্থাপনা। মাজার ব্যবসায়ীরা এখন কথিত পীরের কবরের ওপর গম্বুজ ও কবরের পাশে কমপ্লেক্স নির্মাণের পাঁয়তারা করছে। ফলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি স্মারক ও বাঙালি চেতনার প্রতীক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে