Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৫ মে, ২০২০ , ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.0/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-২১-২০১২

সরকারের প্রতি জনআস্থা হ্রাস ১০ কারণে

শাহেদ চৌধুরী


সরকারের প্রতি জনআস্থা হ্রাস ১০ কারণে
১০ কারণে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা হ্রাস পেয়েছে বলে মনে করে গোয়েন্দা সংস্থা। এক বছরের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কিছু জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থার অতি সম্প্রতি এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। যে ১০টি কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে তার মধ্যে রয়েছে_ অর্থনৈতিক সংকট, শেয়ারবাজার পরিস্থিতি, পদ্মা সেতু নিয়ে ধূম্রজাল, তিস্তা চুক্তি, টিপাইমুখ বাঁধ, গণমাধ্যমের সঙ্গে দূরত্ব। 'বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয়' শীর্ষক এ রিপোর্টে বিভিন্ন সেক্টরে সরকারের ব্যর্থতা নির্ণয়ের পাশাপাশি সংকট নিরসনে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। রিপোর্টটি সরকারের নীতিনির্ধারক, কয়েকজন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর হাতে রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে দরপতন, প্রস্তাবিত পদ্মা সেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ, সেতু নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করতে না পারা, সরকারের কয়েকটি নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার প্রকাশ্য সমালোচনা, পরস্পরের বিরুদ্ধাচরণ এবং অপপ্রচারের কারণে সরকারের জনসমর্থন কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, তিন বছরে সরকারের জনসমর্থন অনেক কমেছে। পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা আগের চেয়ে বেড়েছে।
শেয়ারবাজার : ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে দরপতন হওয়ায় কয়েক লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারী বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এ সমস্যা উত্তরণের লক্ষ্যে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর গণভবনে শেয়ারবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বৈঠক শেষে বাজারে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
এর আলোকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে এসইসি। এ ঘোষণার পর পুঁজিবাজারে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা ফিরে না এলেও ইতিবাচক ধারা দেখা দেয়। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে বিধিনিষেধ এবং কালো টাকা বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির ঘটনা শেয়ারবাজারকে আবার অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এর পাশাপাশি 'কুচক্রী মহলের' কারসাজিতে শেয়ারবাজার স্বাভাবিক রূপ নিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
পদ্মা সেতু : পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সৃষ্ট জটিলতা এবং বিরোধী দলসহ গণমাধ্যমের অপপ্রচারের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি যথেষ্ট ক্ষুণ্ন হয়েছে। জটিলতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের শীতলতাও অনেকাংশে দায়ী।
রিপোর্টে বলা হয়, কোনো কারণে পদ্মা সেতু নির্মিত না হলে সেটা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা ভঙ্গের কারণ হবে। এতে সরকারের প্রতি জনসমর্থনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জনমতের বিষয়টি বিবেচনায় এনে যে কোনোভাবে বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শুরুর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এলসি জটিলতা ও তারল্য সংকট : ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যমান অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ১০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। জানুয়ারি মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা হলে রিজার্ভ ৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসবে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে তাদের চাহিদার মাত্র অর্ধেক পরিমাণ ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার জন্য পর্যাপ্ত ডলার সংগ্রহে ব্যর্থ হচ্ছে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিতে এটি উল্লেখযোগ্য এবং ঋণপত্র খুলতে না পারলে দ্রুত বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট বাড়বে।
ডলারের উচ্চমূল্য, সরকার কর্তৃক অধিক হারে ঋণগ্রহণ, বাণিজ্য ঘাটতি, একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিশ্রুত অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হওয়ায় অর্থনীতিতে তারল্য সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এর ফলে সরকারের জনপ্রিয়তা আরও কমে যেতে পারে।
মন্ত্রীদের মূল্যায়ন : বর্তমান প্রেক্ষাপটে কয়েকজন মন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের কারণে বিতর্কিত হয়েছেন। অনেকের যোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন মন্ত্রীর স্ববিরোধী বক্তব্য এবং কর্মসম্পাদনে শিথিলতার কারণে জনগণের মাঝে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। ওই মন্ত্রীদের স্বপদে বহাল রাখায় সরকারের ভাবমূর্তিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়, বিভিন্ন সংস্থার মতামত গ্রহণ এবং জনমত যাচাইসহ যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আগের মাসের কার্যক্রম এবং পরবর্তী তিন মাসের কর্মপরিকল্পনার ওপর প্রধানমন্ত্রীকে পাওয়ার পয়েন্ট ব্রিফিং প্রদান করতে পারেন।
দলীয় কোন্দল : দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের কমিটিগুলো না করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। কোন্দলের কারণে মাঝে মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনাও কার্যকর হচ্ছে না। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর ভিন্ন অবস্থানই এর প্রমাণ। অভ্যন্তরীণ কোন্দল অনেক ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নরসিংদী পৌরসভার মেয়র আলহাজ লোকমান হোসেনসহ খুলনা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এর বড় দৃষ্টান্ত। এ বিষয়গুলো আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল করছে।
দলীয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও গতিশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে পুনর্গঠন করতে হবে। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য ছয়টি মহানগর, বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে বিরাজমান কোন্দল নিরসনে সমঝোতার উদ্যোগ নিতে হবে।
বিরোধী দল লংমার্চ ও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে দলীয় সংহতি ফিরিয়ে এনেছে। বিভাগীয় শহর ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সভা-সমাবেশ করা যেতে পারে। নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখতে কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা-উপজেলায় গণসংযোগ বাড়াতে পারেন।
সরকারের কর্মকাণ্ডের পক্ষে ও জাতীয় ইস্যুতে জনমত গড়া এবং বিরোধী দলের মিথ্যাচারসহ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রচারের কাজে সরকার সমর্থক বুদ্ধিজীবী-পেশাজীবীদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সক্রিয় করা প্রয়োজন। দলীয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ প্রয়োজন।
সংস্কারপন্থিদের আস্থা : গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের পদ-পদবি বঞ্চিত কয়েকজন সংস্কারপন্থি নেতা দলীয় ফোরামের বাইরে বিভিন্ন ইস্যুতে কখনও কখনও দল এবং সরকারের সমালোচনা করেন। এ কার্যক্রম দলকে দুর্বল করছে। সরকার প্রসঙ্গে তাদের সমালোচনার ঘটনা বিরোধী দলের সরকারবিরোধী অপপ্রচারকে সত্যতায় রূপ দেওয়ার বেলায় সহায়তা দিচ্ছে। জনমতেও সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রধান বিরোধী দল দলীয় সংহতির কথা বিবেচনায় এনে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাসহ অনেক সংস্কারপন্থি নেতাকে দলে ফিরিয়ে এনেছে। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের সংস্কারপন্থি নেতাদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে রাখার পাশাপাশি তাদের আস্থায় রাখতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় করা দরকার।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ত করে তাদের মতামত বিবেচনায় আনতে হবে। এ নেতারা তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত দু'জন সিনিয়র নেতাকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়েছে। সংস্কারপন্থিদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য আরও দু'একজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় করা যেতে পারে।
তিস্তা চুক্তি ও টিপাইমুখ বাঁধ : তিস্তা চুক্তি ও টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য স্পর্শকাতর। তিস্তা চুক্তি না হওয়া এবং ভারত কর্তৃক টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দল, গণমাধ্যম ও সরকারের শরিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল কঠোর সমালোচনা করে জনমনে সরকার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ ও গণমাধ্যমগুলো ফারাক্কা বাঁধ, তিস্তার পানি বণ্টন, টিপাইমুখ বাঁধসহ ভারতের সঙ্গে অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানে অতীতের বিএনপি সরকারের ব্যর্থতা এবং নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে পুরোপুরি নীরব রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো প্রকল্প না করার ঘোষণা দেওয়ার পরও টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগের বিষয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। 'বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রধান সমস্যাগুলোর সমাধানে একমাত্র আওয়ামী লীগই সফল হয়েছে'_ এ বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমে প্রচার চালানো দরকার। ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার বিষয়টিকে পুঁজি করে তার বিপরীতে দরকষাকষির মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি সম্পাদন এবং টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলোকে কূটনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
গণমাধ্যমের প্রচারণা : বিভিন্ন গণমাধ্যম সরকারের ইতিবাচক দিকগুলো প্রচারকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু নেতিবাচক দিকগুলোকে তুলে ধরার পাশাপাশি বিরোধী দলের সরকারবিরোধী অপপ্রচারগুলো প্রচার করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
শুধু প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘোষণা ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের সম্পৃক্ততা কম। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সেলও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়নি। এতে সরকারের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের দূরত্ব বেড়েছে।
গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া সেলের কার্যক্রম বৃদ্ধি করে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো অবহিতকরণ এবং প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে হবে।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সেলের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো যেতে পারে। প্রতি মাসে সম্ভব না হলেও অন্তত প্রতি দু'মাসে একবার গণমাধ্যমের কর্ণধার ও রিপোর্টারদের নিয়ে বৈঠক করতে পারে তথ্য মন্ত্রণালয়।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে