Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.1/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৫-২০১১

শামীমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা বেশি, তৈমুরের সব দুর্নীতির

শামীমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা বেশি, তৈমুরের সব দুর্নীতির
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচিত তিনজন প্রার্থীর মধ্যে সেলিনা হায়াত আইভী ছাড়া বাকি দুজনের বিরুদ্ধেই রয়েছে সন্ত্রাস, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও দুর্নীতির অভিযোগ। এসব অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে রয়েছে বেশ কিছু মামলা।
এর মধ্যে শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ১৭টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার বেশির ভাগই সন্ত্রাস, দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগে দায়ের হয়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চলছে পাঁচটি মামলার। আর তৈমুর আলম খন্দকারের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে ১১টি মামলা। এর মধ্যে এখন চালু আছে নয়টি। এর সবগুলোই দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা।
নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া তিনজন প্রার্থীর হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, একমাত্র আইভীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ?আমি সারা জীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করেছি এবং সব সময় সহিংসতা থেকে দূরে থেকেছি।?
এই তিনজনের মধ্যে সেলিনা হায়াত আইভী ও শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের সমর্থনপ্রত্যাশী। আর তৈমুর আলম খন্দকার বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী।
শামীম ওসমানের ১৭ মামলা: হলফনামা অনুযায়ী, শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৭টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে পাঁচটি মামলার কার্যক্রম চলছে। এই পাঁচটির মধ্যে দুর্নীতি দমন আইনের দুটি মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। অস্ত্র আইনে একটি মামলা বিচারাধীন। সন্ত্রাস, দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগে দুটি মামলার বিচার কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত আছে।
শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে অতীতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় নয়টি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুটি মামলাসহ ১২টি মামলা ছিল। এই ১২টির মধ্যে বর্তমান সরকার তিনটি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। একটি মামলা হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ ও আয়কর ফাঁকির দুটি মামলায় নিম্ন আদালতে শামীম ওসমানের সাজা হলেও পরে হাইকোর্ট থেকে তিনি খালাস পান।
এ ছাড়া ১৯৯৫, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সদর থানার তিনটি মামলা থেকে শামীম ওসমান খালাস পেয়েছেন। ২০০১ সালে একই থানার আরেকটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেওয়ায় তিনি নিস্তার পান। ১৯৯৪ সালে একই থানার দুটি মামলার আসামি ছিলেন শামীম ওসমান। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৯৯৭ সালে মামলা দুটি থেকে তিনি অব্যাহতি পান।
জানতে চাইলে শামীম ওসমান প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, ?আমি সারা জীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। এ কারণে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এসব মামলা দিয়েছে।?
সন্ত্রাসের গডফাদার হিসেবে শামীম ওসমানের বদনাম রয়েছে। তাই অনেক ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস করে না ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা। এ অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শামীম ওসমান প্রথম আলোকে বলেন, ?আমি কী সন্ত্রাস করেছি, সামনা-সামনি এসে বলুক। আমি সন্ত্রাস করেছি, এমন অভিযোগ বা প্রমাণ কেউ সামনে এসে দিতে পারবে না।?
তৈমুরের ১১ মামলা: বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার হলফনামায় বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট ১১টি মামলা হয়েছে। বর্তমানে আছে নয়টি মামলা। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলাগুলো করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে তিনটি মামলায় নিম্ন আদালতে তাঁর সাজা হলেও হাইকোর্টের আদেশে তা স্থগিত আছে। বাকি ছয়টি মামলার কার্যক্রমের ওপরও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। এ ছাড়া অতীতে নারায়ণগঞ্জ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা ছিল।
জানতে চাইলে তৈমুর আলম খন্দকার দাবি করেন, ?এক-এগারোর পর তারেক রহমানের মামলার আইনজীবী ছিলাম আমি। এ কারণেই ওই সময়ের সরকার গ্রেপ্তার করে আমার বিরুদ্ধে এসব মামলা দিয়েছে। এসব মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন।?
?ব্যবসায়ী? শামীমের আয়: নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় নিজেকে জ্বালানি তেল আমদানি, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন শামীম ওসমান। ২০১১-১২ অর্থবছরের কর বিবরণী অনুযায়ী, তাঁর ব্যবসায়িক কোম্পানির নামে ব্যাংকে কোনো টাকা নেই। তবে হাতে নগদ আছে ৮৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।
শামীম ওসমান গত অর্থবছরে কর দেওয়ার সময় মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছেন তিন কোটি ২৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৭৫ টাকা। তাঁর আয়ের উৎস বলা হয়েছে ব্যবসা ও বাড়িভাড়া। বাড়িভাড়া থেকে তাঁর বছরে আয় চার লাখ ৪৭ হাজার ৮৬৩ টাকা। আর ব্যবসা থেকে নয় লাখ ৪০ হাজার টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, শামীম ওসমানের স্ত্রীর আয় বছরে নয় লাখ ৪০ হাজার টাকা। তাঁর ছেলে ইমতিনান ওসমান (২৩) বছরে আয় করেন ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৪৮০ টাকা।
এ ছাড়া শেয়ার ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে নির্ভরশীলদের থেকে শামীম ওসমান আয় দেখিয়েছেন ৯২ হাজার ১৫০ টাকা। স্ত্রীকে একবার ব্যবসায়িক অংশীদার বলে উল্লেখ করা হলেও তাঁকে আবার চাকরিজীবীও বলা হয়েছে। চাকরিতে স্ত্রীর আয় দেখিয়েছেন বছরে ২৪ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পদ: হলফনামায় স্থাবর সম্পদ হিসেবে শামীম ওসমান নিজের নামে ১০ শতাংশ কৃষিজমি আছে বলে উল্লেখ করেছেন। স্ত্রীর নামে ১৪ শতাংশ কৃষিজমি থাকলেও পাঁচ শতাংশ বিক্রি করে দিয়েছেন। এ ছাড়া নিজ নামে ছয় শতাংশ জমির ওপর দোতলা একটি আবাসিক বাড়ি আছে।
অস্থাবর সম্পদ: হলফনামা অনুযায়ী, শামীম ওসমানের হাতে নগদ টাকা আছে দুই লাখ। আর স্ত্রীর কাছে এক লাখ ও নির্ভরশীলদের কাছে ৫০ হাজার টাকা আছে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শামীম ওসমানের নামে জমা আছে ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৪০৩ টাকা। স্ত্রীর নামে জমা ১৯ লাখ ৯২ হাজার ১২৮ টাকা ও নির্ভরশীলদের নামে ৪৫ হাজার টাকা।
বন্ড, ঋণপত্র, স্টকের মধ্যে উইজডম নিটিং মিলস লিমিটেডের আড়াই লাখ টাকার শেয়ার, শীতল পরিবহনের ১৩ লাখ টাকার, ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজের ১০ লাখ টাকা ও জেডএন করপোরেশনের ৩৫ লাখ টাকার অংশীদার। এ ছাড়া নির্ভরশীলদের নামে ওরিয়নের পাঁচ লাখ টাকার শেয়ার আছে।
এ ছাড়া ব্যাংকে শামীম ওসমানের নামে এক কোটি এক লাখ টাকা, স্ত্রীর নামে ২৫ লাখ ও নির্ভরশীলদের নামে এক কোটি ৩১ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে।
দেনা: শামীম ওসমানের কোনো ব্যাংকঋণ নেই। বিদেশে কর্মরত বন্ধুর কাছ থেকে ২৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫০ টাকা, স্ত্রীর বড় ভাই শামীম আহমেদের কাছ থেকে ৬০ লাখ টাকা, স্ত্রীর ছোট ভাই তানভীর আহমেদের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ধার করেছেন। এ ছাড়া বাড়িভাড়া বাবদ অগ্রিম ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে হলফনামায় বলেছেন।
তৈমুরের আয় ও সম্পদ: তৈমুর আলম খন্দকার আয়ের উৎস হিসেবে বাড়িভাড়া ও আইন পেশার কথা বলেছেন। তিনি বাড়িভাড়া থেকে চার লাখ ৩৮৬ টাকা ও আইন পেশা থেকে তিন লাখ ৬৭ হাজার টাকা বছরে আয় দেখিয়েছেন। নির্ভরশীলদের আয় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ছাড়া ব্যাংক থেকে সুদ বাবদ তিনি ৪৫ হাজার ৯৮৪ টাকা ও ওপর নির্ভরশীলরা এক লাখ ৪৩ হাজার ১৩৪ টাকা আয় করেন।
তৈমুর আলম স্থাবর সম্পদ হিসেবে ঢাকায় নিজ নামে ১৭ শতাংশ জমিতে নির্মাণাধীন ছয়তলা বাড়ি এবং রাজউকের কাছ থেকে পাওয়া পাঁচ কাঠার একটি প্লটের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর স্ত্রীর নামে ঢাকার তোপখানা রোড ও সেগুনবাগিচায় তিনটি ফ্ল্যাট আছে। পাশাপাশি ফতুল্লার বিসিক এলাকায় তাঁর স্ত্রী একটি প্লট পেয়েছেন।
তৈমুর অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজের কাছে থাকা নগদ ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ৪৩৯ টাকা ও স্ত্রীর কাছে থাকা ৭৭ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৭ টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। তৈমুরের নিজের নামে ব্যাংকে জমা আছে ২২ লাখ ৬২ হাজার ৯৫ টাকা এবং স্ত্রীর নামে জমা আছে ৩১ লাখ ৪৬ হাজার ৫১৬ টাকা। বিয়ের সময় তিনি ১৪ তোলা স্বর্ণ এবং স্ত্রী ২৬ তোলা স্বর্ণালংকার উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে হলফনামায় বলা হয়।
ব্যতিক্রমী আইভী: নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে পাওয়া সম্মানী ছাড়া আইভীর আর কোনো আয় নেই। তাঁর স্বামী নিউজিল্যান্ডপ্রবাসী একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার।
হলফনামায় আইভী লিখেছেন, তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করেন এবং তাঁর খরচ স্বামী বহন করেন। দুই ছেলের লেখাপড়ার খরচও স্বামী দেন। তাঁর নিজের কোনো বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই। তিনি ১১২ শতাংশ অকৃষি জমির যৌথ মালিক। এ ছাড়া তাঁর ৩০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার আছে।
আইভীর অস্থাবর সম্পদ হিসেবে কেবল ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা আছে। এই টাকা তিনি মেয়র থাকাকালে সম্মানী হিসেবে পেয়েছিলেন।
তিনজনের নির্বাচনী খরচ: হলফনামায় শামীম ওসমান বলেছেন, তিনি এই নির্বাচনে ১৫ লাখ টাকা খরচ করবেন। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা তিনি নিজে, স্ত্রী সালমা ওসমানের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা, স্ত্রীর বড় ভাই শামীম আহমেদের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা এবং তাঁর ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ মো. খালেদ হায়দার খানের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা নিয়ে খরচ করবেন।
তৈমুর আলম খন্দকার নির্বাচনে খরচ করবেন বলেছেন ১২ লাখ টাকা। নিজ আয় ও জমি বিক্রির টাকা থেকে তিনি এই খরচ করবেন।
আর আইভী নির্বাচনে খরচ করবেন ১০ লাখ টাকা এবং মেয়র হিসেবে পাওয়া সম্মানী থেকে এই টাকা খরচ করবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আওয়ামী লীগের সমর্থনপ্রত্যাশী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের জন্ম ১৯৬১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ১৯৮৩ সালে সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষায় তিনি তৃতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৬ সালে তিনি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ থেকে এলএলবি পাস করেন।
তৈমুর আলমের জন্ম ১৯৫৩ সালের ১৯ অক্টোবর। ১৯৭২ সালে তিনি তোলারাম কলেজ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে বিকম পাস করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এলএলবি পাস করেন।
আইভীর জন্ম ১৯৬৬ সালের ৫ জুন। তিনি রাশিয়া থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন।
অন্য প্রার্থীরা: এই তিনজন ছাড়া আরও পাঁচজন মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এস এম আকরাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি নিয়েছেন। সরকারের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।
মেয়র পদপ্রার্থী শরিফ মোহাম্মদ অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন। তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুকবিরোধী আইনে একটি মামলা আছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন। তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধাদান এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাগুলো হয়েছে।
আরেক মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম অষ্টম শ্রেণী পাস বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
আটজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকার উপবিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার বিশ্বাস লুৎফর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ?আটজন মেয়র পদপ্রার্থীর হলফনামা ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে সেগুলো বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্য সত্য হিসেবে ধরে নিচ্ছি। সাধারণ নাগরিকদের এসব তথ্য জানার অধিকার আছে। নির্ধারিত সময়ে হলফনামার তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করব।?
সংরক্ষিত নয়টি নারী কাউন্সিলর পদে ৫৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৮ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থীসহ মোট ১২৪ জন কাউন্সিলরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সত্যতা গোপন করায় আটজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আজ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন। আর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ অক্টোবর। ভোট গ্রহণ হবে ৩০ অক্টোবর।

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে