Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৪-২০১১

কোটি টাকার সরকারি স্থাপনা দুই যুগেও কাজে আসেনি

কোটি টাকার সরকারি স্থাপনা দুই যুগেও কাজে আসেনি
এক কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে নির্মাণের পর এক দিনও ব্যবহার করা হয়নি মাগুরার মহম্মদপুর উপকারাগার। দুই যুগ ধরে অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। এতে কারাগারের বিভিন্ন ভবনের দরজা-জানালা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখানে অসামাজিক কাজ হচ্ছে এবং মাদকসেবীরা আড্ডা দিচ্ছে। এলাকাবাসী সূত্রে এ কথা জানা গেছে।
মাগুরা গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে তৎকালীন সরকার মহম্মদপুর উপজেলার বাওইজানী এলাকায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে আড়াই একর জায়গার ওপর কারাগারটি নির্মাণ করে। এখানে জেলারের জন্য একটি ও কর্মচারীদের জন্য দুটি কোয়ার্টার, কয়েদিদের জন্য তিনটি ভবন (এসব ভবনে নারীদের জন্য পাঁচটি ও পুরুষদের জন্য ২৫টি ওয়ার্ড আছে) এবং একটি গুদামঘর আছে।
গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে সরকার মহম্মদপুরসহ সারা দেশে অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে থাকা ২০টি উপকারাগারকে ?শিশুপরিবার? এবং একটিকে ?নিরাপত্তা হেফাজত? হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়। পরে ওই স্থাপনাগুলো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যায়। মহম্মদপুরেরটিকে শিশুপরিবারে রূপান্তর করতে ২০০৭ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চাহিদা অনুযায়ী, সংস্কার ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য, মাগুরা গণপূর্ত বিভাগ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে এক কোটি ৫৩ লাখ টাকার প্রকল্প প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি।
মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, মহম্মদপুর সদরে একটিমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সহস্রাধিক। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের চাপে পাঠদানে হিমশিম খাচ্ছে। অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে থাকা উপকারাগারকে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় করা যেতে পারে। এতে সবার উপকার হবে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তাহেলা জেসমিন বলেন, ?উপকারাগারটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তরের পর থেকে আমরা দেখাশোনা করছি। প্রশান্ত বিশ্বাস নামে আমাদের একজন কেয়ারটেকার সেখানে থাকেন।?
উপকারাগারের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক (সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মচারী) প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, ?আমি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কারাগারের কোয়ার্টারে থাকি। দুই-তিনটি ছিন্নমূল পরিবার কারাগারে বসবাস করছে। স্থানীয় লোকজন এটিকে পাটকাঠি রাখা, ধান শুকানোসহ নানা কাজে ব্যবহার করেন। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কারাগারের অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে।?
মাগুরা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকায় আমরা কারাগারটি সম্পর্কে কোনো খোঁজখবর রাখি না। এটুকু জানি, কারাগারটি শিশুপরিবারে রূপান্তর করা হবে। এ জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের প্রায় দেড় কোটি টাকার একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন আছে।

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে