Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯ , ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (26 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-০৬-২০১২

ধ্যানের সুফল নিয়ে বিজ্ঞানীদের নতুন অন্বেষা

ধ্যানের সুফল নিয়ে বিজ্ঞানীদের নতুন অন্বেষা
বিজ্ঞানীরা নিউরোসায়েন্সের আলোকে আধুনিক সময়ের ধ্যানের বিষয়ে গবেষণা করছেন। ধ্যানের সুফল মানুষ বিভিন্ন পর্যায়ে ভোগ করে থাকে। কেননা মানুষ শারীরিক, মানসিক, আবেগিক, জাগতিক, আধ্যাত্মিক ইত্যাদি সত্তার সমন্বয়ে গঠিত সুফল : নিয়মিত শিমিলায়ন বা ধ্যান চর্চা করলে নানাবিধ সুফল পাওয়া যায়। শারীরিক সুফল : ১. ড. হার্বার্ট বেনসনের পর্যবেক্ষণ লব্ধফল যখন হলো, দেহে তখন শারীরবৃত্তীয় অবস্থা পরিবর্তিত হয় যেমন বিপাক হার, নর এড্রিপলিন হরমোনের তৎপরতা হ্রাস পায়। ব্রেইনে তখন দ্রুতলয়ের বিটা তরঙ্গ তৈরি হয় না বরং মন্থরগতির আলফা, থিটা ও ডেল্টা তরঙ্গ বইতে থাকে আর এমনি করেই হাজারো রোগমুক্তির প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে। ২. কঠিন দীর্ঘস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিরাময় অযোগ্য রোগ যেমন আরথ্রাইটিস (সন্ধিবাত), ডায়াবেটিস (টাইপ-২), গ্লুকোমা (চোখের ছানি), ক্যান্সার, লিউকিমিয়া (শ্বেত কণিকাধিক্য), অ্যালার্জি, মাইগ্রেন (আধকপালে মাথাধরা) সাইনোসাইটিস, হাঁপানি বারসাইটিস (সংযোগ মূলগুলোয় অবস্থিত থলির স্ফীতজনিত যন্ত্রণা) ইত্যাদি রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা যায় বা ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়। ৩. ১০০ জনের 'টাইপ-২' ডায়াবেটিসের ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে যে যারা মানসিক চাপ মোকাবেলার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তারা বেশকিছু সুফল লাভ করেছেন : রক্তের সুগার ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে ছিল, স্নায়ু ও দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি, কিডনির নিষ্ক্রিয় হওয়া ইত্যাদি থেকে মুক্ত আছেন। ৪. অক্সিজেনের চাহিদা কমে যায়, ৫. রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ৬. হৃদস্পন্দন হ্রাস পায়, ৭. ব্যায়াম সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়, ৮. শরীর গভীরভাবে প্রশমিত হয়, নিরুদ্বেগ হয়, ৯. শ্বাস-প্রশ্বাসের হার কমে যায়, কিন্তু বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায় ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস হয় সহজ, ১০. পেশির প্রসারণ টান উপশম হয়, ১১. রক্তের ল্যাকটেট (ল্যাকটিক এসিডজাত) স্তর কমে ফলে দুশ্চিন্তা হ্রাস পায়, ১২. ঘ্রাণ, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ ইন্দ্রিয়সমূহ প্রখর হয়, ১৩. প্রাক রজঃস্রাব প্রশমন করে, ১৪. ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেয়, ১৫. অস্ত্রোপচার পরবর্তী সমস্যা প্রশমন করে, ১৬. জীবনীশক্তি বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করে, ১৭. অনুজীবের ক্রিয়াশীলতাকে নিষ্ক্রিয় করে, ১৮. শক্তি-সামর্থ্য, তেজ, প্রাণশক্তিকে সুদৃঢ় করে, ১৯. আদর্শ ওজন নিশ্চিত করে, ২০. মুক্ত রেডিক্যাল কমায় ফলে ক্ষয়রোধ হয়, ২১. কোষ, কলার ক্ষতিপূরণ করে, ২২. উচ্চ ত্বক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে, ত্বক কোমল, নমনীয় হয়ে ওঠে, ২৪. কোলেস্টেরল স্তর নেমে যায়, ২৫. হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস হয়, ২৬. বার্ধক্য প্রতিরোধ করে, ২৭. জটিল রোগ নিয়ন্ত্রণ, হ্রাস করে, ২৮. ঘর্ম কমায়, ২৯. ডাক্তার, ওষুধ নির্ভরতা কমায়, ৩০. ওষুধের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় (ওষুধ না খেয়ে যখন উপায় থাকে না), ৩১. শক্তির অপচয় হ্রাস করে, ৩২. খেলাধুলার সৃজনশীলতা বিকশিত করে, ৩৩. অ্যাথলেটিক আচরণ বিকশিত করে, ৩৪. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির ক্ষরণে সমতা আসে, ৩৫. স্নায়ুতন্ত্রকে প্রশমিত করে, ৩৬. মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক হিতকর অবস্থা সুদীর্ঘ করে, ৩৭. বন্ধ্যত্ব নিরাময় করে (হরমোন ব্যবস্থার তারতম্যের জন্য হয়ে থাকলে), ৩৮. উবযুফৎড়বঢ়রধহফৎড়ংঃবৎড়হব এ হরমোন স্তর উঁচু পর্যায়ে যায়। এ হরমোন বার্ধক্য রোধ করে, অবসান ও ক্লান্তি দূর করে। চিন্তার জটিলতা থেকে মুক্ত করে। জীবনের গুণাবলীকে বিকশিত করে। এ হরমোন ২৫ বছর বয়সে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। ঐরা রোগীর ক্ষেত্রে এ হরমোন নিচু স্তরে অবস্থান করে। এর অভাবে দীর্ঘমেয়াদি স্বয়ং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ডিসঅর্ডার দেখা দেয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে