Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯ , ৫ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (8 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-০৩-২০১২

টরন্টোর বায়তুল আমান মসজিদ কমিটি নিয়ে আবােরা মামলা

টরন্টোর বায়তুল আমান মসজিদ কমিটি নিয়ে আবােরা মামলা
টরন্টোর বায়তুল আমান মসজিদ কমিটির নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির উপর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়ের করেছেন সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন কমিশনের সদস্য জনৈক শরিফুল ইসলাম। মামলার আরজিতে তিনি বলেছেন, `গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুিষ্ঠত বায়তুল আমান মসজিদ পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে তিনি নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য হওয়া সত্বেও কোন অনিয়মের প্রতিকার করার ক্ষমতা তার ছিল না।'
তিনি আরও বলেন, `উক্ত নির্বাচন সঠিক হয়নি এবং ডানফোর্থ কমিউিনটি (ডিসিসি)র সদস্যরাও মনে করেন নির্বাচন পরিচালনায় ক্রুটি ছিল।' আরজিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‌'১২ই সেপ্টেম্বর আদালত কর্তৃক একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয় এবং ৫ অক্টোবর আশরাফুল হুদাকে করা হয় কনভেনর। কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন্র্র্র ব্যারিষ্টার কামরুল হাফিজ আহমেদ। পরিচালনা পর্ষদ থেকে ঐ সময় তাদেরকে ৭৪ জন ৈবধ সদস্যদের তালিকা দেয়া হয় (৫৪ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ২০ জন আজীবন সদস্য)। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য দািয়ত্ব দেয়া হয় মি. লর্ন লিবো অব স্ট্রেন কোহেন এলএলপি নামক প্রতিষ্ঠানকে। গত ১৮ অক্টোবর উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে িনর্বাচন পরিচালনার জন্য একটি পরিকল্পনা করা হয়। সে অনুযায়ী একটি নমিনেশন ফরম ৈতরি করা হয়। কিন্তু কামরুল হাফিজ এ ফরমটি অগ্রাহ্য করেন এবং তার কোন মতামত না নিয়েই তিনি আেরকটি ফরম ৈতরি করেন।'
মামলার আরজিতে শরীফ বলেন, 'আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, কামরুল হাফিজ আহমেদ এবং মোহাম্মদ জাহিদুর রহিম ববি ষড়যন্ত্র করেন যাতে আশরাফুল হুদা এবং আমি পদত্যাগ করি এবং তারা তাদের ইচ্ছে পূরণ করতে পারেন। ... ২৩ অক্টোবর আশরাফুল হুদা পদত্যাগ করলে পরদিন কামরুল হাফিজ নিজেকে ইলেকশন কমিশনার হিসেবে ঘোষণা করেন। আমি আশ্চর্য হচ্ছি এই ভেবে যে, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করার কোন প্রয়োজন মনে করেন নাই।'
আরজিতে আরও বলা হয়, ‌‌'আদালত কর্তৃক মনোনীত নির্বাচন পর্যবেক্ষক কোম্পানী দুই জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেন এদের মধ্য একজন ছিলেন মহিলা। ঐ মহিলাকে মসজিদের নারী ভোটারদের পর্যবেক্ষনের জন্য নিয়োগ দেয়া হয় যা মসজিদের নিয়মনীতির পরিপন্থী এবং এতে মুসলমান নারীরা বিব্রতবোধ করেছেন।'
মামলার বিবাদীগণ হলেন, আবু তাহের নূরী, মোহাম্মদ এইচ কবির, খালেদ এ মামুন, সৈয়দ এ রহমান, জহিরুদ্দিন একেএম, একেএম জয়নাল আবেদীন (বাহার), জাহিদুর রহিম (ববি), মোহাম্মদ শাহজাহান উদ্দিন, ও আকিল আহমেদ।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের বিবাদী করা হলেও মামলার আরজিতে তাদের বিরুেদ্ধ কোন কথা নেই। যা অভিযোগ নির্বাচন কমিশন এবং আদালত তথা বিচারকের রায়ের বিরুেদ্ধ।
এ বিষয়ে ব্যারিষ্টার কামরুল হাফিজ আহমেদের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, কো তথ্যই সঠিক নয়। যা করা হয়েছে আদালতের নির্দেশে এবং নিয়মনীিতর মধে্যই।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধক্ষ্য জহিরুদ্দিন বলেন, এটা হলো একটি হয়রানিমূলক মামলা। মসজিদকে যারা কুক্ষিগত করতে চেয়েছিল তারা তাকে ব্যবহার করছে। আমাদের বিবাদী করে মামলা করা হয়েছে অথচ আমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই। পুরো ব্যাপারটি হাস্যকর নয় কি?
মামলা দায়েরকারী বাদি শরীফুল ইসলামকে তার আয়ের উৎস কি এবং মামলা পরিচালনা করতে যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে তা কোথায় পাচ্ছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রথম প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বলেন তিনি একটি গ্রুপ এর প্রতিনিধিত্ব করছেন। ঐ গ্রুপ তার মামলার খরচ দিচ্ছে।
জানা গেছে, আরও দুজন তার পক্ষে এফিডেফিট দিয়েছেন। তারা হলেন সাবেক সভাপতি জয়নাল আবদীন এবং শমশের আলী হেলাল।

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে