Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.2/5 (101 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৫-২০১৪

সকালের নাস্তায় মেনে চলবেন যে নিয়মগুলো

আমরা যে কয় বেলা খাবার খাই তার মধ্যে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সকালের নাস্তা। দিনের শুরুতে ভালো, স্বাস্থ্যকর এবং দেহের চাহিদা অনুযায়ী খাবার খেলে পুরো দিনটিই কাটে ভালো। শরীর থাকে সুস্থ এবং কাজে কর্মে মনও ভালো বসে। সকালের নাস্তা না খেলে কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পুরোদিন ক্লান্ত অনুভূতি, শরীর এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পৌঁছানো এবং কাজে কর্মের উৎসাহ হারিয়ে ফেলা হয়।

সকালের নাস্তায় মেনে চলবেন যে নিয়মগুলো

তাই সকালের নাস্তা নিয়ে কোনো প্রকার অবহেলা নয়। মেনে চলতে হবে নির্দিষ্ট রুটিন এবং নিয়মকানুন। চলুন তবে আজ দেখে নেয়া যাক সকালের নাস্তায় যে নিয়মগুলো অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ সকলের।

স্বাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তা নির্বাচন করুন
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেতে এক গ্লাস লেবু গরম পানি পান করে নেবেন। এতে পরিপাকক্রিয়া উন্নত হয়, দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধার উদ্রেক হয় না এবং পেটের মেদ কমতে সহায়তা করে। এরপর নাস্তা নির্বাচন করুন স্বাস্থ্যসম্মত যা পুরোদিন আপনাকে রাখবে চাঙ্গা এবং দেহে থাকবে পর্যাপ্ত এনার্জি। ডিম, দুধ, ফল, সালাদ, দই, বাদাম, আটার রুটি, সবজি খিচুড়ি ধরণের খাবার রাখুন সকালের নাস্তায়।

অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে থাকুন
সকালের নাস্তায় তেলে ভাজা কিংবা ফাস্ট ফুড ধরণের ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকাই ভালো। এই ধরণের অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার দেহে মেদ জমায় এবং দেহ পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। অতিরিক্ত পরিমাণে অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার দিনের শুরুটা নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তাই অস্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন করবেন না।

পর্যাপ্ত পরিমাণে নাস্তা খান
সারারাত শেষে আমাদের দেহ এবং মস্তিষ্ক চায় পর্যাপ্ত পরিমাণে এনার্জি যা শুধুমাত্র খাবারই সরবরাহ করতে পারে। অনেকে মনে করেন সকালে বেশি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু আপনি যদি তেল চুপচুপে পরটা কিংবা অন্যান্য ভাজাভুজি না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে খান তাহলে মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই একেবারেই। তাই নাস্তায় দেহের চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। এতে আপনার শরীরও থাকবে সুস্থ।

ফলের জুস নয় ফল খান
সকালের নাস্তায় অনেকেই অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ফলের জুস রাখেন। অনেকে মনে করেন ফলের জুস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। কিন্তু বাজারের প্যাকেটজাত ফলের জুস স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় একেবারেই। আবার আপনি যদি নিজে বাসায় জুস তৈরি করে পান করেন তাও আপনার স্বাস্থ্যের খুব একটা উপকারে আসে না। কারণ জুস তৈরি সময় ফলের মিনারেল নষ্ট হয় এবং জুসটিকে সুস্বাদু করতে যোগ করা হয় চিনি। তাই এতো ঝামেলা বাদ দিয়ে সকালের নাস্তায় আস্ত ফলটিই রাখুন না। এতে দেহ পাবে পর্যাপ্ত পুষ্টি।

চা/কফি পানে সতর্ক থাকুন
সকালে উঠে এককাপ চা/কফি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কারণ চা/কফির ক্যাফেইন আমাদের পরিপাক ক্রিয়া উন্নত করে। কিন্তু সকালের নাস্তায় এক কাপের পরিবর্তে এক মগ চা/কফি পান করা কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এতে অনিদ্রা জনিত সমস্যা পরার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সুতরাং চা/কফি পানের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

 

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে