Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯ , ২ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (22 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৪-২০১১

থিয়াগো আলকান্তারা

থিয়াগো আলকান্তারা
পুরো নাম : থিয়াগো আলকান্তারা দো
নাসিমেন্তো
জন্ম : ১১ এপ্রিল ১৯৯১
উচ্চতা : ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি
ওজন : ৭১ কেজি
পজিশন : মিডফিল্ডার
দল : বার্সেলোনা, স্পেন
জার্সি নম্বর : ১১
ক্যারিয়ার : বার্সেলোনা ম্যাচ ২০, গোল ৪
স্পেন ম্যাচ ২ গোল ০
অর্জন : অনূর্ধ্ব-১৭ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০০৮, অনূর্ধ্ব-২১ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১১, লা লিগা ২০১০-১১

মাজিনহো বলেছেন, 'ছেলেটা পরিপূর্ণ ফুটবলার। দুই পায়েই খেলতে পারে। আক্রমণে শান দিতে জুড়ি নেই, আবার ট্যাকল করাটাও শিখে নিয়েছে। ফিনিশিং পুরো স্ট্রাইকারদের মতো।' মাজিনহো একসময়ের ব্রাজিল তারকা। ব্রাজিলের হয়ে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। ভাস্কো ডা গামা, ফিওরেন্টিনা ও ভ্যালেন্সিয়ার মতো নামি ক্লাবগুলোতে খেলার বিশাল অভিজ্ঞতাও আছে। এমন একজন যখন কারো সম্পর্কে এভাবে প্রশংসার ফোয়ারা ছোটান তখন সেই ছেলেটাকে একনজর ভালো করে দেখতে হয় বৈকি! আবার না দেখলেও হয়, কারণ যাঁর সম্পর্কে বলেছেন সেই থিয়াগো আলকান্তারার আরেকটা পরিচয় তিনি মাজিনহোর ছেলে! বাবা তাঁর ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হবেন_এ আর নতুন কী?
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মাজিনহো একা নন, থিয়াগোর গুণমুগ্ধ আরো অনেকে। স্পেনের অনূর্ধ্ব-২১ দলের কোচ লুই মিলা তাঁকে ডাকেন মুক্তো বলে। তাঁর ধারণা এই থিয়াগো আলকান্তারা ছেলেটা হচ্ছে জাভি-ইনিয়েস্তার যোগ্য উত্তরসূরি, যাঁর মধ্যে কিছুটা রোনালদিনহোর ছাপও আছে! এ তো রীতিমতো দুষ্প্রাপ্য এক সার্টিফিকেট! কজন ফুটবলারের সৌভাগ্য হয় মাত্র কুড়ি বছর বয়সে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার? থিয়াগো আলকান্তারা সেই বিরল ফুটবলারদের মধ্যে একজন। বার্সেলোনা আর স্পেনের মাঝমাঠের আগামী দিনের তারকা।
জন্মের তিন বছর বয়সে বাবাকে বিশ্বজয় করতে দেখেছেন। এমন ছেলে ফুটবলার না হয়ে অন্য কিছু হলে সেটাই বরং আশ্চর্যের হতো। তার ওপর ছেলেবেলাটা কেটেছে ফুটবলের আঁতুড়ঘর ব্রাজিলে। সেই বয়সেই তাই শিখে নিয়েছেন কেমন করে রূপ-রস-গন্ধ ঢেলে আরো সৌন্দর্যময় করে তোলা যায় ভালোবাসার এই খেলাটিকে। তারপর বাবার হাত ধরে যখন স্পেনে এলেন তখন আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বার্সেলোনার সেই বিখ্যাত ফুটবল একাডেমীতে সুযোগ পেলেন। বিখ্যাত বাবার ছত্রচ্ছায়া থেকে গিয়ে শিক্ষক হিসেবে পেলেন আরো এক বিখ্যাত শিক্ষক পেপ গার্দিওলাকে। প্রতিভা তো আগে থেকেই ছিল। সেটার সঙ্গে যখন পরিশ্রমও যোগ হলো তখন আর তাঁকে আটকায় কে?
একটা সময় জায়গা হয়ে গেল বার্সেলোনা বি দলে। এরই মধ্যে স্পেনের নাগরিকত্বও পেয়ে গিয়েছিল। তাই ২০০৮ সালে ডাক পেলেন অনূর্ধ্ব-১৭ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হলো তাঁর দল। দুই বছর পরে থিয়াগো আবার স্পেনকে ফাইনালে তুললেন অনূর্ধ্ব-১৯ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে এবং কিছুদিন আগে অনূর্ধ্ব-২১ ইউরোতেও স্পেনের শিরোপা জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। বি দল ছেড়ে তত দিনে পেপ গার্দিওলা বার্সেলোনা মূল দল নিয়ে একের পর এক সব জয়ে করে চলেছেন। কিন্তু একসময়ের ছোট শিষ্যের কথা তো ভুলে যাননি তিনি। থিয়াগোকে ডেকে নেওয়া হলো বার্সেলোনার মূল দলে। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে মায়োরকার বিপক্ষে একটা ম্যাচে বদলি হিসেবে বার্সেলোনার হয়ে অভিষেক হলো তাঁর। রেসিং স্যানতানদেরের বিপক্ষে পেয়েছেন বার্সেলোনার হয়ে নিজের প্রথম গোলটাও। পুরোপুরি নিয়মিত হয়ে উঠেছেন অবশ্য এই মৌসুমের শুরু থেকে এবং তারপর থেকে জাভি-ইনিয়েস্তার পাশাপাশি এখন বার্সেলোনার মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা তিনি।
আরো অনেক দিন যে থাকবেন তাতে সন্দেহ নেই মোটেও।

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে