Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ৪ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-০২-২০১২

লেবানন-ইজরায়েল সীমান্তে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থাকবে

লেবানন-ইজরায়েল সীমান্তে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থাকবে
লেবানন-ইজরায়েল সীমান্তে চলমান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আরো এক বছর কাজ করবে বাংলাদেশের নৌবাহিনী। ভূমধ্যসাগরে ইজরায়েল ও লেবাননের নৌ-সীমানায় শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত জাতিসংঘের নৌ টাস্ক ফোর্সে অংশ নেয়া বাংলাদেশে নৌবাহিনীর মোতায়েনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০১৩ সালে ৫ মে পর্যন্ত। জাতিসংঘ সচিবালয় এ বিষয়ে নিউইয়র্কের সদর দফতরে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশের জাতিসংঘ মিশন প্রধান ড. একে আব্দুল মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা উপস্থিতির দিক থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় প্রধান দেশ হলেও লেবানন-ইজরায়েল সীমান্তে জাতিসংঘ মিশনেই শুধু নৌ-সেনারা মোতায়েন আছেন। এর আগে সুদানেও একটি মিশনে বাংলাদেশের নৌ-বাহিনী সহযোগিতামূলক কাজ করেছিল।

 

ইউনাইটেড ন্যাশনস ইনটেরিম মিশন ইন লেবানন বা ইউনিফিল-এর আওতায় সেখানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর উপস্থিতির মেয়াদের দ্বিতীয় বছর শেষ হবে আগামি মে মাসে। এমন প্রেক্ষাপটে এ মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হল।

 

ইউনিফিলে’র নৌ টাস্ক ফোর্সেই (এমটিএফ- মেরিটাইম টাস্কফোর্স) বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে প্রথমবারের মতো একটি ফ্রিগেট এবং একটি সমুদ্র টহল যান মোতায়েন রয়েছে দুই বছর ধরে।

 

বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী জাহাজ ওসমান (অত্যাধুনিক সি-৮০২ ক্ষেপনাস্ত্র সমৃদ্ধ ফ্রিগেট) ও বানৌজা মধুমতি ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম নৌ জেটি থেকে যাত্রা করে ভূমধ্যসাগরে ইউনিফিল নৌ টাস্ক ফোর্সে যোগ দেয়।

 

বানৌজা ওসমানের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোজাম্মেল হক এবং বানৌজা মধুমতির অধিনায়ক কমান্ডার আফজালুল হক নেতৃত্বে মোট ৩২ কর্মকর্তা ও ২৮৮ নাবিক এ জাতিসংঘ মিশনে অংশ নিচ্ছেন।  

 

২৫ জানুয়ারি জাতিসংঘ এ মিশনে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরো এক বছরের জন্য বাড়ালো। মিশনে বর্তমানে জার্মানি, ইটালি, গ্রিস ও তুরস্কের নৌ-বাহিনী অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে প্রতিষ্ঠিত বর্ণবাদী রাষ্ট্র ইজরায়েল ১৯৭৮ সালে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সে বছরের মার্চে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইউনিফিল মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়। জাতিসংঘের ভাষায় এ মিশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ এলাকায় লেবাননকে তার কার্যকর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করা।’ ১৯৮২ ও ২০০০ সালে জাতিসংঘের এ এখতিয়ারের মেয়াদ বাড়ানো হয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে। সর্বশেষ ২০০৬ সালে ইউনিফিলের এখতিয়ার বাড়ানো হয়। বর্তমানে এ এলাকায় ইজরায়েল-লেবানন শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেবাননের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে মিলে নানা ‘মানবিক তৎপরতা’ চালাচ্ছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে