Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.9/5 (32 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-০১-২০১২

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি: বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার চেষ্টা চলছে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশ পেয়েছি। এ ভাষা এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে। দেশে ভাষা চর্চার জন্য ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা হবে। সেখানে বিভিন্ন দেশের ভাষা নিয়ে গবেষণা হবে। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে নবীনদের বই পড়তে হবে।

বুধবার বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বই মেলার পরিসর আরো বাড়ানো দরকার। শিল্পকলা একাডেমি হতে বাংলা একাডেমী পর্যন্ত জায়গাগুলো ঐতিহাসিক। সেখানে সাংস্কৃতিক বলয় গড়ে তোলার যেতে পারে। তবে সবার মতামত নিয়ে কাজ করতে হবে।”

তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করবে। বাংলা একাডেমীকে আরো  শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হবে। স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ  চালু করা হয়েছে। সনাতনী পদ্ধতির বাইরে এসে এখন জ্ঞান ও বিজ্ঞান চর্চার সুয়োগ এসেছে।”

তিনি আরো বলেন, “মেলায় বইয়ের গুণগতমান ভালো করার জন্য লেখক ও প্রকাশকদের আন্তরিক হতে হবে। কপিরাইট আইনের প্রয়োগ করে লেখকদের অধিকার সংরক্ষণ করতে হবে।”
 
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছোটবেলায় বই মেলায় আসতাম। ঘুরে বেড়াতাম। অন্য কোনো কিছুর প্রতি লোভ না থাকলেও বইয়ের প্রতি আমার লোভ আছে। প্রতিবছর বইমেলায় বই কেনার জন্য একটা বাজেট রেখে দেই।”
 
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, নবীনদের জন্য সুন্দর পরিবেশ রেখে যেতে চাই। যেকোনো মূল্যে বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষার জন্য কাজ করব।”

তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। কোনো জাতির বিকাশের জন্য বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। মানবের বিকাশে বই ভূমিকা রাখে।”
 
তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন বলেন, “বইমেলা অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ও বাহক। বই পড়লে মানুষ আলোকিত হয়। মেলায় পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের এক মিলনমেলা। এখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে “

ব্রিটিশ কবি, লেখক অনুবাদক ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম রাঁদিচে বলেন, “বাঙালির ১২ মাসের মধ্যে গৌরবের মাস ফেব্রুয়ারি। এ মাসে ভাষার জন্য বাঙালি জীবন দিয়েছে। জাতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতীয় বীরদের স্মরণ করবে।”
 
বাংলা একাডেমীর সভাপতি আনিসুজ্জামান বলেন, “অমর একুশে গ্রন্থমেলা জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাঙালি মননকে এ মেলা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরে। প্রতিবছরই বইয়ের সংখ্যা বাড়ছে।”
 
মেলার পরিসর বিষয়ে তিনি বলেন, “বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে মেলার আয়োজন করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে নীতিগত বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে বাংলা একাডেমীর ফেলো হিসেবে বলতে হলে, মেলার পরিসর বাড়ানো দরকার।”  
 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে