Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯ , ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (57 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৪-২০১১

হিগুয়েইন ল্যাম্পার্ডের ফেরা

হিগুয়েইন ল্যাম্পার্ডের ফেরা
গঞ্জালো হিগুয়েইন আর ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড?দুজন খেলেন ইউরোপের সেরা দুই লিগে। কিন্তু স্পেন আর ইংল্যান্ডে থেকেও তাঁরা যেন মিশে গেছেন একই মোহনায়। দুজনেই আড়ালে চলে গিয়েছিলেন অনেকটা। হিগুয়েইন চোটের কারণে। অনেকের মতে ল্যাম্পার্ড নাকি ন্যুব্জ হয়ে পড়ছেন বয়সের ভারে। ইউরোপের ফুটবলের পরশু রাত এই দুজনকে আবার মিলিয়েছে এক সূত্রে। হিগুয়েইন স্প্যানিশ লিগে আর ল্যাম্পার্ড ইংলিশ লিগে হ্যাটট্রিক করে ফিরেছেন আলোর নিচে।
রিভার প্লেট থেকে হিগুয়েইন রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখান ২০০৬-০৭ মৌসুমে। কিন্তু আর্জেন্টাইন ক্লাবের দুর্দান্ত ফর্মটা সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেননি। ২৩ ম্যাচ খেলে মাত্র দুটি গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। অন্তিম মুহূর্তে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করা ছাড়া উল্লেখ করার মতো তেমন কিছুই ছিল না। ৩৪ ম্যাচে তাঁর গোল ছিল মাত্র ৯টি। তবু হিগুয়েইনের ওপর আস্থা রাখে রিয়াল। এর প্রতিদান তিনি দিতে শুরু করেন তৃতীয় মৌসুম থেকে। মোট ৪৪ ম্যাচে ২৪ গোল, স্প্যানিশ লিগে একটি হ্যাটট্রিকসহ গোল করেন ২২টি।
রিয়ালে নিজের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন পরের মৌসুমে। ২৯ ম্যাচে ২৭ গোল করে স্প্যানিশ লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। কিন্তু গত মৌসুমে আবার তাঁকে আড়ালে ঠেলে দেয় চোট। প্রায় ৪ মাস কাটাতে হয় মাঠের বাইরে। তবে তৃতীয় হ্যাটট্রিকটি পেয়ে যান তার আগেই।
চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেও নিজেকে যেন ফিরে পাচ্ছিলেন না। আবার প্রথম মৌসুমটারই ছায়া দেখছিলেন। পরশুর আগ পর্যন্ত এ মৌসুমে ৯ ম্যাচ খেলে করেছেন একটি মাত্র গোল। তবে পরশু আবার ফিরে পেয়েছেন নিজেকে। রিয়ালের জার্সি গায়ে করেছেন চতুর্থ হ্যাটট্রিক।
নিজেকে ফিরে পেয়ে হিগুয়েইন মহা খুশি, ?যতটা ভালোভাবে পারতাম, সেভাবেই সেরে উঠেছি আমি। এ রকম একটি ম্যাচ খেলতে পেরে আমি খুব খুশি। আবার খেলায় ফিরতে আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।?
ল্যাম্পার্ডের ফেরাটা আবার অন্য রকম। ইংলিশ মিডফিল্ডারের আনন্দটাও তাই আলাদা, ?এমন পারফরম্যান্স সব সময়ই আপনাকে সন্তুষ্টি এনে দেবে। আমি খুব খুশি।? ১৯৯৯ সাল থেকে ইংল্যান্ড দলে খেলছেন। বেশির ভাগ সময়েই ইংল্যান্ডের মাঝমাঠের দায়িত্ব সামলেছেন। চেলসির মাঝমাঠটাও বেঁধে রেখেছেন সেই ২০০১ থেকে।
তবে সম্প্রতি এই ল্যাম্পার্ডকেই বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছেন অনেকে। ইংল্যান্ডের প্রথম একাদশে নিশ্চিত নন। চেলসি কোচও তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। কথা উঠে গেছে তাঁর বয়স নিয়ে। ৩৩ বছর বয়সী ল্যাম্পার্ড সব মুখ বুঝে সয়েছেন। আর অপেক্ষা করছেন জবাব দেওয়ার।
একটা জবাব ল্যাম্পার্ড পরশু দিলেন। হ্যাটট্রিক করে চেলসিকে জেতানোর পর বললেন, ?কাজ করতে থাকলে এক সময় আপনি প্রতিদান পাবেনই। আজ প্রতিদান পেয়েছি। মনে হচ্ছে, এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে আমার। তবে আর মনে হয় না, এখন আর কিছু বলার আছে। আমার পারফরম্যান্সকেই কথা বলতে দিন!? ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্যারিয়ারে এটি ল্যাম্পার্ডের তৃতীয় হ্যাটট্রিক।
কথা যা বলার, পারফরম্যান্স বলে দিয়েছে। এবার ল্যাম্পার্ডের শুধু শোনার সময়?অন্যদের প্রশংসা। চেলসি কোচ আন্দ্রে ভিলাস-বোয়াসের প্রশংসাটা পরশুই শুনেছেন, ?ওর প্রতিভা নিয়ে কখনোই সন্দেহ ছিল না। আসলে বয়সের প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হলো কে কতটা ভালো খেলতে পারে। ল্যাম্পার্ড সেটা করে দেখিয়েছে।?

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে