Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (137 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২২-২০১৪

সিগারেটের ভয়ংকর সব উপাদান ও সেগুলোর মারাত্মক প্রভাব

খুব শখ করে তো ধূমপান করছেন প্রতিদিন। কিন্তু এই যে আপনার এত প্রিয় সিগারেট, জানেন কি এতে আছে কী ধরণের উপাদান? সেই ভয়াবহ উপাদান গুলো আপনি টেনে নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত নিজের ফুসফুসে। বিশ্বাস হলো না? যেমন সিগারেটে থাকে হাইড্রোজেন সায়নাইড, যা একসাথে অনেকখানি ভেতরে গেলেই আপনার তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হতে পারে। আসুন, আপনার প্রিয় সিগারেটের ভয়াবহ উপাদান ও তাঁদের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে।

সিগারেটের ভয়ংকর সব উপাদান ও সেগুলোর মারাত্মক প্রভাব

সিগারেটে যা যা থাকে :
১. নিকোটিন :
এটি সিগারেটের মূল আসক্তি সৃষ্টক উদাপান। মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরি করায়। দেহে রিলাক্সেশন ও উত্তেজনা দেয়।

২. এ্যাসিটন :
সিগারেটে এ্যাসিটনের মত মারাত্মক পদার্থ থাকে যা মূলত নেইল পালিশ তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

৩. এমোনিয়া :
সিগারেটে এমোনিয়া থাকে। এটি নিকোটিনের কাজে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

৪. আলকাতরা :
সিগারেটে আলকাতরার মত বিষাক্ত পদার্থ থাকে।

৫. বেনজিন :
বেনজিন হল তেল, রাবার, রঙ এর দ্রাবক। এটিও সিগারেটের মাঝে থাকে।

৬. ক্যাডমিয়াম :
সিগারেটে ক্যাডমিয়াম থাকে। এটি ব্যাটারি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কিডনির ক্যান্সার ও ফুসফুসের ক্যান্সার তৈরি করে।

৭. হাইড্রোজেন সায়নাইড :
এটি ইঁদুর মারতে ব্যবহৃত হয়। এটি একেবারে যদি বেশি পরিমাণে দেহের ভেতরে যায় তাহলে একটি মানুষের সাথে সাথে মৃত্যু হয়।

৮. কার্বন মনোক্সাইড :
সিগারেটে কার্বন মনোক্সাইড ব্যবহার করা হয়। এটি শরীরের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমায়।

৯. নাইট্রোজেন অক্সাইড :
এছাড়াও সিগারেটে নাইট্রোজেন অক্সাইড থাকে। এটিও দেহের বিশেষ ক্ষতি সাধন করে থাকে।

পরিবেশের উপর প্রভাবঃ
উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, সিগারেটের ফিল্টার যা আমরা ফেলে দেই তা হল সেলুলোজ এসিটেট যা পঁচে যায়, কিন্তু এই প্রক্রিয়াটি অনেক দীর্ঘ যা একমাস থেকে তিন বছর এমনকি ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে। সিগারেট এমন একটি ডিনামিক এনভায়রনমেন্ট পলুটেন্ট যা শুধু কনসিউমারকেই নয়, আশেপাশে অবস্থিত সকল নন-স্মোকারকেও আক্রান্ত করে। তবে ভয়াবহ ব্যাপারটি হল, এই আক্রমনের মাত্রা স্মোকারদের চেয়েও নন স্মোকারদের উপর বেশি।

২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল কোস্টাল ক্লিনআপ সংগঠনটি জানায়, তাদের পরিষ্কার করা আবর্জনার প্রায় ২৪.৭% হল সিগারেটের ‘বাট’ যা আমরা ফেলে দেই এবং এটি অন্য যেকোন ক্যাটাগরির আবর্জনার চেয়ে একক ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি। সিগারেটের ফেলে দেয়া ‘বাটের’ আগুন অনেকেই পা দিয়ে মাড়িয়ে নিভিয়ে ফেলে না। এই আগুন যদি কোন দাহ্য পদার্থের কাছে আসে, তা মূহুর্তের মধ্যে দাবানল সৃষ্টি করতে পারে। সিগারেটের বাটে যেটুকু কেমিক্যাল লেগে থাকে, তা নিশ্চয়ই বেশি নয়। কিন্তু এমন মিলিয়ন মিলিয়ন সিগারেটের ক্যামিকেল বৃষ্টির পানির সাথে বিভিন্ন পানির লাইনে প্রবেশ করে তা পানিকে আরো দূষিত করে যা পানি সরবরাহকারী সংস্থার পানি শোধনে বাধা সৃষ্টি করে।

 

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে