Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-০১-২০১২

জাপানে শেষ হয়েছে তিনদিনের বাংলাদেশী পোশাক প্রদর্শণী

জাপানে শেষ হয়েছে তিনদিনের বাংলাদেশী পোশাক প্রদর্শণী
গত ২৫ তারিখ থেকে ২৭শে জানুয়ারী বুধ, বৃহস্পতি ও  শুক্রবার তিনদিন টোকিওর বিগসাইট এ দেশের বাইরে প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছে নিট পোশাক প্রদর্শণী। মেলার শুরুর দিন বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রী জি.এম. কাদের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটার সময় মেলার উদ্বোধন করেন। বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মত এতবড় এই মেলার মূল আয়োজক ছিল বাংলাদেশের নিট পোশাক তৈরী ও রপ্তানীকারকদের সংগঠক বিকেএমইএ। সার্বিক সহযেগিতায় ছিল টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
এবছর মেলায় ১২০ জন ব্যবসায়ীর অংশ গ্রহণ এবং বাংলাদেশেীদের মোট ৩২টি স্টল ছিল। মেলায় বাংলাদেশ ছাড়া চীন পাকিস্তান সহ অন্যান্য পোশাক রপ্তানী কারক দেশ অংশ গ্রহণ করে।


মেলার উদ্ধোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী মহোদয় বলেন, ইউরোপ-আমেরিকায় নিট পন্য রপ্তানীর বিপুল সাফল্যের পর আমরা এখন জাপানের বাজার ধরতে চাই। জাপান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের নিট পোশাক আমদানী করে থাকে। এর প্রায় ৮৬ ভাগ চীন থেকেই আমদানী করা হয়। বাংলাদেশ আগামী ৫ বছরের মধ্যে জাপানে নিট পোশাক রপ্তানী করে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য মাত্রায় যেতে পারবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের রপ্তানীতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ বছরও ভাল করবে বলে মন্ত্রী সম্ভাবনার কথা বালন।
মেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেলায় প্রতিদিন প্রায় আট হাজার দর্শনার্থী আসে। তিনদিনে প্রায় ২৫ হাজার দর্শনার্থী উপস্থিত হলেও বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ যেমন হতাশ হয়েছেন আবার অনেকে বেশ আশার আলোও দেখছেন বলে মত ব্যক্ত করেছেন।
মেলায় বিকেএমইএর সভাপতি এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দেশ থেকে আগত বিশাল এই দলের প্রধান, মনসুর আহমেদ বলেন, আমরা এই সেক্টরে খুবই সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। এতদিন যে ভাবে আমেরিকার বায়ারদের অর্ডার তৈরী করে জাপানে পাঠাতাম এখন সেটা আর হবে না। সরাসরি জাপানেই পাঠাতে পারবো।
টোকিওর বিগ সাইট সিটিতে আয়োজিত জাপান ফ্যাশন ওয়ার-ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাশন ফেয়ার এর তিনদিনের এই মেলায় বাংলাদেশী অনেক প্রবাসীকেও আসতে দেখা যায়।
মেলার শেষ দিন মেলা স্থলে গিয়ে দেখা যায় ব্যবসায়ী গণ তাদের মালামাল গুছানোয় ব্যস্ত। তাঁদের অনেকেই স্বীকার করে বলেছেন এখানে আমাদের গেইট ওপেন করা হল মাত্র। এখানে আমরা আশানরুপ বায়ারের দেখা না পেলেও, এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে অবশ্যই বাংলাদেশের পোশাক জাপানের বাজারে আসতে বাধ্য। এবং সেসকল পোশাকের গায়ে লেখা থাকবে মেইড ইন বাংলাদেশ। অচিরেই সেটা হবে।
অনেকে যারা কোন স্টল বরাদ্ধ পাননি অথচ ভিসা পেয়ে চলে এসেছেন, তারা কোন আশার আলো দেখতে না পেলেও আগামীতে আবার অংশ গ্রহেণের আশা প্রকাশ করেছেন।

জাপান

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে