Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ , ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৭-২০১২

টরন্টোতে এক্স-ক্যাডেটদের মহাসম্মেলনে

শুজা রশীদ


টরন্টোতে এক্স-ক্যাডেটদের মহাসম্মেলনে
অফিসে যারা কাজ করেন তাদের জন্য খুব সম্ভবত শনিবার হচ্ছে সবচেয়ে প্রিয় দিন। যত অনিয়ম ই হোক চিন্তা নেই, রোববার তো আছেই। সামাজিকতা এবং বড় সড় সব পার্টি এই দিনেই সাধারনত হয়ে থাকে। গত শনিবারের সন্ধ্যায় এমনই একটি উল্লেখযোগ্য রাত ছিলো। আগের দিন বেশ তুষার পড়েছিলো, মাঠে-ঘাটে তখনও শ্বেত ধবল পাতলা একটা পর্দার মত ছড়িয়ে ছিল শুভ্র স্ফটিক, একটু ঠান্ডা থাকলেও মোটের উপর জানুয়ারির মাঝামাঝি –র তুলনায় আবহাওয়া অনেক ভালো ছিলো। সকালের দিকে খানিকটা বৃষ্টি হওয়ায় কিছু তুষার গলেও গেছে। একেই বলে শাখের করাত – তুষার দেখতেও ভালো লাগে আবার গর্জে-টর্জে বেশী বর্ষে গেলে জীবন বরবাদ হয়।
পার্টি – যথার্থ শব্দ চয়ন করতে হলে বলতে হয় মহাসম্মেলন - শুরু হবার কথা ছিলো সন্ধ্যা ছয়টায়। সালটা যদি হতো ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ এর মধ্যে যখন এই শর্মার সৌভাগ্য হয়েছিলো বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির শিরোমনি কোন একটি ক্যাডেট কলেজের ছাত্র হবার তাহলে নির্ঘাত বিকাল চারটা বাজতে তৈরি হয়ে যেতাম, স্ত্রী-পুত্র-কন্যাকে সাড়ে চারটার মধ্যে মার্চ করিয়ে ভ্যানে নিয়ে তুলতাম, ঘন্টা খানেকের যাত্রা শেষে ঠিক সাড়ে পাচটায় পৌঁছে যেতাম সভাস্থলে, আধা ঘন্টা আরো হাতে রয়ে যেত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ সালটা হচ্ছে ২০১২, দিনটা জানুয়ারির ২১, সময় জ্ঞানের যত শিক্ষা ক্যাডেট কলেজে পেয়েছিলাম সেসব গত আঠাশ বছরে নির্বিঘ্নে উধাও হয়ে গেছে। এখন সন্ধ্যা  ছয়টার পার্টিতে রাত আটটার আগে কিভাবে কেউ হাজিরা দিতে পারে ভাবতেও অবাক হই। সব কিছুর-ই তো একটা যৌক্তিকতা থাকতে হবে, নাকি?    
বিধাতার কৃপায় আমাদের আজকের সড়ক যাত্রা তুলনামুলকভাবে নির্বিঘ্ন হওয়ায় ঘন্টা খানেকের পথ আমরা পাড়ি দিলাম মিনিট বিশেক হাতে থাকতেই। প্রতিদিনই দু চারটে এক্সিডেন্ট তো লেগেই থাকে। আজ তার ব্যাতিক্রম হওয়ায় স্বাভাবিক হিসাবের ব্যাত্যয় ঘটিয়ে যা ভেবেছিলাম তার বেশ আগেই সভাস্থলে গিয়ে হাজির হলাম। সাথে তিন বাচ্চা, আমার দুটি, ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর একজন, তারা বয়েসে যথাক্রমে ১১,১০ এবং ৬। যাত্রা শুরুর আগে থেকেই তারা সেই যে নিরন্তর ঘ্যান ঘ্যান প্যান প্যান শুরু করেছিলো, তার কোন ইতি নজরে পড়ছিলো না। এই জাতীয় বড়দের পার্টিতে তাদেরকে নেয়াই দুঃসাধ্য। যখন থেকে শুনেছে আমার স্কুলের প্রাক্তন ছেলেমেয়েদের মহা সম্মেলন তখন থেকেই তাদের মেজাজ তুঙ্গে উঠেছে। বুড়োদের অনুষ্ঠানে তারা গিয়ে কি করবে? যাবার পথে ক্যাডেট কলেজ সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান দান করবার চেষ্টা করেছিলাম, বিশেষ সুবিধা হয়নি।
সভাস্থল তাদের তিন জনের পছন্দ হলো, মন্দের ভালো। অভিভাবক হিসাবে সারাক্ষন চিন্তায় থাকি কি করলে বাচ্চারা শান্ত থাকবে, পরিবর্তে আমি পাবো খানিকটা মানসিক শান্তি। ৩৫ ড্যানফোর্থ রোডে  অবস্থিত এলাস ব্যাঙ্কুয়েট হলে আগে কখন আসা হয়নি কিন্তু স্থান টা দেখেই ভালো লাগলো। সুপ্রশস্থ, পরিচ্ছন্ন  এবং আলোকজ্জ্বল দালান সংলগ্ন পার্কিং লটে প্রচুর পার্কিং এর জায়গা আছে দেখে মুহূর্তে মন নেচে উঠলো। কোথাও বেড়াতে গিয়ে পার্কিং করতে ঘোরাঘুরি করতে হলে আমার মেজাজ তুঙ্গে ওঠে। সদর দরজা টপকে ভেতরের খোলামেলা লবিতে পা রাখতেই অনুষ্ঠানের আয়জোকদের কয়েকজন সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। এরা সবাই নানান ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, অধিকাংশই বয়সে ছোট, তাদের আন্তরিকতা ঝট করেই হৃদয় কেড়ে নিলো। অনুষ্ঠানের খরচ জোগাড় করবার জন্য মাথা পিছু সামান্য ফি ধার্য করা হয়েছিলো। আমার লেনা দেনা মিটিয়ে দিয়ে, একটি কাগজে নাম, ক্যাডেট নাম্বার এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাসের বছর লিখে বুকে সেটে দিয়ে গৃহিণী এবং বাচ্চাদেরকে অনুসরন করে বিশাল এবং সুউচ্চ একটি হল রুমে প্রবেশ করলাম।  হল রুমটাতে সারি বেধে গোলাকার টেবিল সাজিয়ে রাখা, প্রতিটিতে দশ বারো জনের বসবার ব্যবস্থা করা। পূর্বেই গ্রুপ ইমেইল পড়ে জেনেছিলাম যে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনে আগ্রহীদের সংখ্যা উদ্যোক্তাদের অনুমান অনেক খানি ছাড়িয়ে যায়। সব মিলিয়ে তারা আশা করছিলেন দেড় শত অতিথি। যদিও অকাট্য প্রমান হাতে নেই তবুও সবার কথা বার্তা শুনে যা বুঝলাম পৃথক ভাবে বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজ বিভিন্ন সময়ে পুনর্মিলনি করলেও সব ক্যাডেট কলেজ এক যোগ হয়ে বাংলাদেশের বাইরে এমন অনুষ্ঠান খুব সম্ভবত এটাই প্রথম। সেই অর্থে বিচার করলে এতোগুলি এক্স ক্যাডেটকে একই ছাদের নীচে জড় করতে পারাটা বেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য। সমগ্র পরিবেশে এমন আনন্দ এবং স্বতস্ফুর্ততা লক্ষ্য করলাম যে মনে হলো আর যদি কোন কিছুই না ঘটে তাতেও কোন ক্ষতি নেই। এই যে সবাই মিলে এক যোগ হয়ে হই চই হচ্ছে এটার চেয়ে মূল্যবান আর কি হতে পারে?         
হল রুমের মাঝামাঝিতে অবস্থিত মঞ্চকে ঘিরে ভীড়ের পরিমান টা কিঞ্চিত বেশী লক্ষ্য করে আমরা প্রবেশ দ্বারের কাছাকাছি একটি টেবিল দখল করলাম। শীঘ্রই সুবেশধারী পরিবেশকেরা ট্রে তে করে মুখরোচক সমুসা নিয়ে ছুটে এলো। ক্ষুধার্ত ছিলাম, সমানে সাটলাম। বাচ্চারা খোলা মেলা জায়গা দেখে কিছুটা আনন্দিত হয়ে লবীতে ছোটাছুটি করতে শুরু করায় কিছুটা সময়ের জন্য নিঃশ্চিন্ত হয়ে বসা গেলো। এই চমৎকার অনুষ্ঠানের সু্যোগ্য উদ্যোক্তাদেরকে মনে মনে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারলাম না। তাদের সবার নাম এই লেখার শেষে উল্ল্যেখ করা হয়েছে।
সন্ধ্যার সাচ্ছন্দ্য গতির সাথে তাল রেখে আশাতীত ভাবে বাড়তে থাকে অতিথিদের ভীড়। সব মিলিয়ে প্রাক্তন ক্যাডেটদের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৮২ তে, তাদের পরিবার পরিজন ধরে ২১২। জানা গেলো অতিথিদের অনেকেই বেশ খানিকটা দুরত্ব পেরিয়ে এসেছেন – পূর্বে মন্ট্রিয়ল, অটোয়া থেকে, পশ্চিমে ওয়াটার লু, লন্ডন, কিচেনার থেকে। বেশ কিছু তরুন প্রাক্তন ক্যাডেট কানাডায় অপেক্ষাকৃত নতুন, কেউ কেউ এখনও পড়াশুনায় ব্যস্ত, বেশ কয়েক জন সদ্য বিবাহিত, স্ত্রীরা এখনও দেশে। তারা দল বেধে চলে এসেছে, অপেক্ষাকৃত বয়েসীদের মাঝে তাদের উপস্থিতি সমগ্র অনুষ্ঠান কে দিয়েছে এক উচ্ছলতা এবং তারুণ্যের প্রদীপ্ততা।   

পুর্ব পরিকল্পিত অনুষ্ঠানমালা ঠিক কখন শুরু হয়েছিলো খেয়াল করিনি কিন্তু সেই প্রাঙ্গন সুবেশী, মার্জিত এবং আনন্দোচ্ছল জনতার কল কাকলি এবং হাসিতে এমনই টগ বগ করে ফুটছিলো যে আর কোন কিছু না করলেও বোধহয় কেউ লক্ষ্যই করতো না। প্রাক্তন ক্যাডেটরা যখন পরিচিত মুখ খুজে বেড়াচ্ছে ভিড়ের মধ্যে, পরিচিত হচ্ছে অচেনা বড় কিংবা ছোট ভাই ও ক্যাডেট বোন দের সাথে তখন তাদের গৃহিণি এবং গৃহ কর্তারাও সমান বেগে খুজে ফিরছে পরিচিতদের, বাচ্চারা অন্য দিকে দল বেধে হয় ছুটাছুটি করে পলা টুক খেলতে লেগেছে নয়তো তাদের গেম বয় নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। সেই ভীড়ের উষ্মতা ছিলো হৃদয় ছোয়া, সহজ স্বতস্ফুর্ততা ছিলো প্রীতিকর, সম্মিলিত আলাপের অনুরণনিত গুঞ্জন ছিলো শ্রুতিমধুর। যাই হোক, এক পর্যায়ে তিন জন প্রাক্তন ক্যাডেটের সুষ্ঠ পরিচালনায় অনুষ্ঠানপর্ব শুরু হয়। তারা হলেনঃ
ফরিদ (JCC, 74); রিমন (SCC, 88); ইফতিখার (FCC, 89);
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিটি ক্যাডেট কলেজ থেকে একজন করে ক্যাডেট কে মঞ্চে আহবান করা হয় তাদের নিজস্ব কলেজের অন্যান্য উপস্থিত প্রাক্তন ক্যাডেটদেরকে সংক্ষেপে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য। ফৌজদারহাট সবচেয়ে প্রথম ক্যাডেট কলেজ সে সুবাদে প্রাক্তন ছাত্র হাসান মাহমুদ (FCC, 84), আমার ২৭ বছরের বন্ধু যাকে ইউনিভার্সিটি জীবন থেকে ঘনিষ্ঠ ভাবে জানি, মঞ্চে উঠে খুব হই চই করে প্রাক্তন ফৌজিয়ান দেরকে পরিচয় করিয়ে দিলো। তার পর একে একে অন্যান্য ক্যাডেট কলেজগুলি ও পরিচয় পর্ব সারে। এই লেখার শেষে পরিচয়কারীদের নাম উল্লেখ করা আছে।      
এই অনুষ্ঠানে কি কি হবে তার একটি নক্সা আগেই তৈরি করা হয়েছিলো এবং ব্রসিওরে ছাপা হয়েছিলো। উপস্থিত জনতার মধ্যে শান্ত চিত্তে সুস্থির হয়ে বসবার কোন লক্ষন না দেখলেও সেই প্রীতিকর গোলমালের ভেতর দিয়েই স্বাচ্ছন্দ্যে এগিয়ে চলে ঘটনাবহুল সেই সন্ধ্যা। সংক্ষেপে –
প্রথমে বাংলাদেশ এবং পরে কানাডার জাতীয় সঙ্গিত আংশিকভাবে গাওয়া হয়।
ঊপস্থিত প্রাক্তন ক্যাডেটদের পরিচয় পর্ব।
সব ক্যাডেট কলেজের উপর ভিত্তি করে একটি সম্মিলিত ভিডিও পরিবেশনা করা হয়, বিশেষ ধন্যবাদ রিমন এবং তার স্ত্রীকে এই চমৎকার শৈল্পিক উপস্থাপনার জন্য।
 প্রাক্তন ক্যাডেটদের সন্তানদের বেশ কয়েকজন নেচে, গেয়ে, আবৃত্তি করে, বাশী বাজিয়ে, স্বরচিত ছড়া বলে নিমেষেই জয় করে নিয়েছিলো উপস্থিত দর্শক শ্রোতার মন। এই লেখার শেষে সবার নাম উল্লেখ করা আছে।      
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) কালাম শাহেদের নেতৃত্বে বাচ্চাদের সরবে আইস্ক্রীম কেক কাটা।
প্রাক্তন ক্যাডেট, তাদের পরিবার এবং সন্তানদের দল বেধে ছবি তোলা।
তিন শৌখিন সঙ্গীত শিল্পীর আসর মাতিয়ে দেয়া গান। তাদের নাম বিশেষ করে উল্লেখ না করলেই নয়ঃ এ রহমান (FCC, 90), সাদিক (JCC, 90), আনিস (FCC, 96)।
সব শেষে সর্ব জন বিদিত শিল্পী চন্দন একাধারে বেশ কয়েকটি গান গেয়ে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে বিনোদন করেন।

রাতের খাবারের আয়োজন করেছিলো বাঙ্কেট হল। ভারতীয় খাবার, বিশাল আয়োজন না হলেও খাবার সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর ছিলো, পরিমানেও টানা টানি পড়েনি। এই বিশেষ ক্ষেত্রেও অনুষ্ঠানের সংগঠকরা নিঃসন্দেহে সাফল্যের দাবী করতে পারেন। বাঙ্কেট হলের কর্মীদেরকেও যথাযথ কৃতিত্ব দিতেই হবে এতোগুলি মানুষকে কোন রকম নজরে পড়ার মত সমস্যা ব্যাতিরেকেই খাবার পরিবেশনা করার জন্য।  
অনুষ্ঠান যখন শেষ হয় তখন মাঝ রাত গড়িয়ে গেছে। চন্দনের গানের তালে নেচে গেয়ে আনন্দ ময় হৃদয় নিয়ে পরিতৃপ্ত চিত্তে ফিরতি পথে পাড়ি জমান উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

ক্যাডেট কলেজ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে, স্বীকার করতেই হবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে, যদি মাথা পিছু খরচের হিসাব করা হয়। কিন্তু স্মরন রাখতে হবে এতো বিপুল জনগোষ্ঠি থেকে মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদেরকে বাছাই করে তাদেরকে প্রাইভেট স্কুলের মত উচ্চ মানের বিদ্যাপিঠে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার পেছনে দেশ ও জাতীর বিশেষ লক্ষ্য আছে। তারা যে শুধুমাত্র সামরিক বাহিনীতে এবং দেশীয় অঙ্গনে সুযোগ্য নেতৃত্বের সৃষ্টি করবে তাই নয় বরং সাধারন জনতার মধ্যেও ছড়িয়ে দেবে তাদের সুশিক্ষার সৌরভ। এই অনুষ্ঠানে সবার মাঝে দাঁড়িয়ে উজ্জ্বল, প্রদীপ্ত প্রাক্তন ক্যাডেটদের সমারোহ দেখে, তাদের সুযোগ্য সহধর্মি এবং সহধর্মিনীদের উচ্ছসিত আনন্দ দেখে, প্রযুক্তি প্রেমিক প্রতিভাময় সন্তান সন্ততিদের উপস্থিতির প্রখরতা দেখে মনে কোন সন্দেহ থাকে না যে বাংলাদেশের এই কৃতি সন্তানেরা তাদের বয়েস এবং অবস্থানের গন্ডীতে বন্দী হয়ে থাকবে না এবং তাদের সাফল্য ও খ্যাতি মহাসগর এবং মহাদেশের সীমানা পেরিয়ে ঠিকই পৌছে যাবে স্বদেশের মাটিতে।  
যাই হোক, সব মিলিয়ে এই অনুষ্ঠান টি চমৎকার হয়েছিলো, বহু দিন স্মৃতিতে লেগে থাকার মত। আশা করি আগত বছর গুলিতে এই অনুষ্ঠান আরোও বড় করে, আরোও জাক জমক সহকারে পালিত হবে।    
দ্রষ্টব্যঃ মোঃ আতাউল্লাহ, যে এই প্রতিষ্ঠান এবং অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তাদের একজন, দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠানের ঠিক পুর্বেই অল্প সময়ের নোটিসে দেশে পাড়ি জমায়। তার দাদীর মৃত্যুর খবর আমরা ইমেইলের মাধ্যমে জানতে পারি। সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবে নিজ নিজ রীতিতে পরলোকগতের জন্য প্রার্থনা করার।   
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের লিস্টঃ
নাজমুল হাসান FCC; হাসান FCC; হানিফ FCC; ইফতিখার FCC; আনিস FCC; হাসিব FCC ; মাহফিল MCC; তারেক MCC;  শামসুল মুতাদির RCC; হানিফ সাহরাওয়ার্দি RCC; সাদিক সাইদ JCC;  রিমন মাহমুদ SCC; মোহাম্মদ আতাউল্লাহ SCC; সোহেল ইসলাম SCC; আরশাদুল ইসলাম SCC;  আনোয়ার কবির SCC; গোলাম হায়দার  BCC; শোয়েব আহমেদ BCC;
আসিফ আহমেদ BCC; মবিনুল ইসলাম CCC; নাহিদ  CCR; ফারযানা নাহিদ MGCC;

ব্রসিওর পরিকল্পনাঃ মাহফিল MCC

নিজ নিজ ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেটদেরকে যারা পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেনঃ
FCC - হাসান (৮৪); JCC -  সাদিক (৯০) ; MCC -  সাইফ ; RCC -  হানিফ (৯৬)   ; SCC -  রিমন (৮৮); CCR -  নাহিদ (৯৫) ; BCC -  শোয়েব (৯০) ; PCC -  আনোয়ার (৯০) ;  CCC -  মবিন (৯০); MGCC – নিপা (৮৬)
ওয়েব সাইট যারা তৈরি করছেনঃ
আনোয়ার (PCC, 90), মবিন (CCC, 90), শোয়েব(BCC, 90), হানিফ (RCC, 96), কিশোর (RCC,79).  

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যারা অংশ নিয়েছিলেনঃ
এ রহমান  (FCC, 90); জলি (শহিদুলের স্ত্রী FCC 86);ইভানা ( রিমনের কন্যা, SCC 88);তুশ্মিত ( ইফতিখারের কন্যা, FCC 89);জাসিয়া  (শহিদুলের কন্যা, FCC 86);প্রিতুল (বদরুল রশীদের কন্যা, RCC );প্রিতুল (পাশার কন্যা, PCC 88);অবিলিয়া (হাসানের কন্যা , FCC 84);তাপতি (হাসানের কন্যা, FCC 84);রডেলা (হানিফের কন্যা, RCC 96);হানিফ (RCC, 96); উর্মি (নাহিদের স্ত্রী, CCR 95);ফারিদ (JCC, 74);এ রহমান (FCC, 90);সাদিক (JCC, 90),;আনিস (FCC, 96); রায়ান (আরিফার ছেলে, MGCC 90)
 
সার্বিক তত্বাবধায়নেঃ নাজমুল হাসান (FCC, 83)
স্পন্সরঃ
আনোয়ার কামাল (RCC, 85) (রিয়েল স্টেট – হোম লাইফ)
শফিক (JCC, 86) (ব্যাবসায়ী - রোজ ব্র্যান্ড);

অন্যান্যঃ
FCC – ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
JCC – ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ
MCC – মীর্যাপুর ক্যাডেট কলেজ
RCC – রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
SCC – সিলেট ক্যাডেট কলেজ
PCC – পাবনা ক্যাডেট কলেজ
MGCC – ময়মনসিং গার্লস ক্যাডেট কলেজ
CCR – রংপুর ক্যাডেট কলেজ
BCC – বরিশাল ক্যাডেট কলেজ
CCC – কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ

(আরও ছবি ফটো গ্যালারিতে)

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে