Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৮ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.6/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৬-২০১২

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে, দ্রব্যমূল্য বাড়বে: বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে, দ্রব্যমূল্য বাড়বে: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি: চলতি অর্থবছরে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে বলে ধরা হয়েছিল, আসলে তার চেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্য যে পরিমাণ বাড়বে বলে আগে বলা হয়েছিল, অর্থবছরের শেষ অংশে (জানুয়ারি থেকে জুন মাসে) তার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবৃদ্ধি হবে বলে জানানো হয়েছে।

অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কনফারেন্স হলে গভর্নর এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। অর্থবছরের দুই অংশের জন্য (জুলাই-ডিসেম্বর ও জানুয়ারি-জুন)দুই বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বর্তমান অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ধরা হলেও বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় বলা হয়েছে এ অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির হার বাজেটে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে এ হার ৯ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।

মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে টানা দেড় বছর ধরে ‘সংকোচনমুখী’ মুদ্রানীতি ব্যর্থ হলেও গত অর্থবছর এবং এ অর্থবছরের প্রথম অংশের মতোই নতুন এ মুদ্রানীতি সংকোচনমুখী নীতি।

সরকারি খাতে বৈদেশিক সহায়তা সম্প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে বিরূপ চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘‘বৈদেশিক সাহায্যের নিম্নগতি, ভর্তুকির ঊর্ধ্বগতি এবং ব্যাংকবহির্ভূত ঋণের নিম্নমাত্রার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ব্যাংকিংখাত থেকে সরকারের ঋণের দ্রুত স্ফীতি ঘটেছে, ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় প্রাক্কলিত মাত্রার চেয়ে বেশি হারে তা ঘটেছে।”

তিনি বলেন, ‘‘বাজেটে ৭ শতাংশ দেশজ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি  প্রক্ষেপণ করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি পূর্ব প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা কমে ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭.০ শতাংশের মধ্যে দাঁড়াতে পারে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে অর্থনীতির গতিধারা সচল থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্থরতার সম্ভাবনাটি আমাদের রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দূর্বল করতে পারে। পাশাপাশি সরকারি বৈদেশিক সহায়তার দূর্বল অন্তঃপ্রবাহ এবং ঋণ যোগান প্রবৃদ্ধির পরিমিতি অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সীমিত করবে।’’

এ মুদ্রানীতি দিয়ে এ সময়ের অর্থনীতির মূল চ্যালেঞ্জ  মূল্যস্ফীতির যথার্থ নিয়ন্ত্রণ ও কাঙিখত প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন গভর্নর।

গভর্নর বলেন, ‘‘নতুন মুদ্রানীতির মাধ্যমে প্রত্যাশিত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রকৃত উৎপাদন বৃদ্ধি এবং যোগান বাড়ানোর প্রচেষ্টা রয়েছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে এমন অতিরিক্ত চাহিদা বৃদ্ধির উপাদানের লাগাম টেনে ধরার ব্যবস্থা থাকছে এবারের মুদ্রানীতিতে।’’

এবারের মুদ্রানীতিতে ব্যাংগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের শর্ত শিথিল করা হবে বলে অনেকেই মনে করেছিলেন। কিন্তু ঘোষিত মুদ্রানীতিতে ‘অনুৎপাদনশীল’ খাতে ঋণপ্রবাহ নিরুৎসাহিত করার মাধ্যমে প্রকারান্তরে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের রাশ টেনে ধরা হয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে