Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.3/5 (46 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৫-০৪-২০১৪

বাজারে আসছে নতুন ধান পাল্লা দিয়ে পড়ছে দাম

বাজারে আসছে নতুন ধান পাল্লা দিয়ে পড়ছে দাম

বগুড়া, ৪ মে- বগুড়ার মোকামে নতুন বোরো ধান কেনাবেচা শুরু হয়েছে। তবে বাজারে আমদানি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে পড়ে যাচ্ছে ধানের দাম। দুই সপ্তাহ আগে বাজারে প্রতি মণ বোরো ধান ৯৫০ টাকা দরে কেনাবেচা হলেও গত শুক্রবার সেই দাম ৭০০ থেকে ৭৩০ টাকায় এসে ঠেকেছে।
বাজার দর ক্রমশ নিম্নমুখিতার কারণে উৎপাদন খরচ না ওঠার এবং লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে কৃষকের। বাড়ছে কৃষকের চোখেমুখে হতাশা আর উৎকণ্ঠার ছাপ।
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা মোকামের আড়তদার শাহানশাহ জানান, গত শুক্রবার এই মোকামে মিনিকেট ধান প্রতি মণ ৭০০ থেকে ৭৩০ টাকা, জিরাশাইল এক হাজার ১০০ এবং পারিজাত ৬৫০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে এই ধানের দাম যথাক্রমে ৯৫০, এক হাজার ৩০০ ও ৭৫০ টাকা ছিল। আড়তদার ওবায়দুল ইসলাম বলেন, দু সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের ধানের দাম প্রতি মণে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কমেছে। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধানের দাম আরও পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মথুরাপুরের ফারুক হোসেন বলেন, যে হারে ধানের বাজারদর পড়ে যাচ্ছে তাতে আগামী দু-এক সপ্তাহের মধ্যে দাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় নেমে যেতে পারে। তাতে লাভের বদলে কৃষকের ঘাড়ে লোকসানের বোঝা চাপবে।
তবে নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুশিদুল ইসলাম দাবি করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উপজেলায় এবার ২০ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন বোরো আবাদ হয়েছে। এবার কৃষকেরা ফলন ও দাম দুটোই ভালো পাচ্ছেন।
স্থানীয ব্যবসায়ীরা জানান, কুষ্টিয়ার খাজানগরসহ দেশের বড় বড় সব পাইকারি মোকামে রেকর্ড পরিমাণ ধানের জোগান যায় এই রণবাঘা হাট থেকে। এই মোকামে ভরা মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ ট্রাক ধান কেনাবেচা হয়।
রণবাঘা হাটে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক, আড়তদার এবং বিভিন্ন চালের মোকাম থেকে ধান কিনতে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই মৌসুমে রণবাঘা মোকামে ধানের কেনাবেচা শুরু হয়েছে মধ্য এপ্রিল থেকে। ১৮ এপ্রিল এ হাটে মিনিকেট জাতের ধান ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ পর ২৫ এপ্রিল সেই ধানের দাম একই হাটে বিক্রি হয়েছে ৮৫০ টাকা মণ দরে। সর্বশেষ ২ মে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিনিকেট ধান এখানে ৭০০ থেকে ৭৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কুষ্টিয়ার খাজানগর থেকে চাল কিনতে আসা ব্যবসায়ী শাহিনুর ইসলাম বলেন, খাজানগরের চার শতাধিক চালকলের ধানের জোগান যায় এই মোকাম থেকে। এই মোকামে চাল কিনতে আসা ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন ধানের চাহিদা কমপক্ষে ৩০০ ট্রাক। কিন্তু কৃষকেরা পুরোদমে ধানকাটা-মাড়াই শুরু না করায় এখন গড়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ ট্রাক করে ধানের আমদানি হচ্ছে।
খাজানগর থেকে চাল কিনতে আসা আরেক ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন জানান, রণবাঘা মোকামে বর্তমানে চার জাতের ধান কেনাবেচা হচ্ছে। এর মধ্যে চিকন চালের জন্য মিনিকেট ধান যাচ্ছে কুষ্টিয়া মোকামে এবং জিরাশাইল বা ব্রি-৩৪ বা সুগন্ধি ধান যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মোকামে। এ ছাড়া মোটা চালের ব্রি-২৮ এবং পারিজাত ধানও কেনাবেচা হচ্ছে এখানে।

বগুড়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে