Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.1/5 (18 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-২৩-২০১৪

শাবিতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানী, সেই কর্মচারী বহিষ্কার

শাবিতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানী, সেই কর্মচারী বহিষ্কার

সিলেট, ২৩ এপ্রিল- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে যৌন হয়রানীর ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারীকে স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে যৌন হয়রানীর শিকার ওই ছাত্রীকে নিয়ে কটুক্তির দায়ে একই বিভাগের শিক্ষককে একাডেমিক, প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সভায় বিভাগের আরেক সহকারী কর্মকর্তা আতিকুর রহমানকে পদাবনতি দেয়াসহ বিভাগের সব শিক্ষকদেরকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ প্রদর্শন না করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বাংলামেইলকে এ তথ্যে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সভা শুরুর আগে থেকেই লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। পরে তারা নাছির উদ্দিনের ব্যাপারে নেয়া ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে তার আজীবন বহিষ্কারাদেশে চেয়ে উপাচার্য ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নাছির উদ্দিনের আজীবন বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করছিল। একই সঙ্গে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার একই বিভাগের শিক্ষক আনোয়ারা বেগমকে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, ৩০ মার্চ বিভাগের চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের এক ছাত্রী মাস্টাররোলের অধীনে কর্মরত কর্মচারী আবু সালেহর হাতে যৌন হয়রানীর শিকার হন। পরেরদিন বিষয়টি লিখিত আকারে বিভাগের প্রধানকে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে জানায় শিক্ষার্থীরা। ২ এপ্রিল থেকে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে বিভাগের কর্মচারী সালেহর বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামে লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

একই সঙ্গে ওই ছাত্রী সম্পর্কে বিভাগীয় সভায় কটুক্তি করার অভিযোগে সহকারী অধ্যাপক মো. নাছির উদ্দিনের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবি জানায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সালেহ ও শিক্ষকের পদত্যাগ দাবিতে বিভাগে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষ্যে ১০ এপ্রিলের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা।

একই সঙ্গে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন, মিছিল ও গণস্বাক্ষরসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।

সিলেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে