Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.4/5 (27 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২১-২০১২

আমরা কখনো সেনা অভ্যুত্থান সমর্থন করবো না: মওদুদ

আমরা কখনো সেনা অভ্যুত্থান সমর্থন করবো না: মওদুদ
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “আমরা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক চাওয়ার কারণ হলো, আমরা চাই দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত থাকুক। এখন যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আমরা হারাচ্ছি সেটিকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছি আমরা।”
 
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে আমরা আর কোনো সেনা অভ্যুত্থান দেখতে চাই না। আমরা কোনো দিন কোনো সেনা অভ্যুত্থানকে সমর্থন করবো না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমাদের পুরো আন্দোলনই হলো নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য।”
 
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন’ শীর্ষক বৈঠকের আয়োজন করে নাগরিক ফোরাম। এতে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহিল মাসুদ।
 
সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমদের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, “মইন ইউ’র হস্তক্ষেপের কারণেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। তার বিশেষ উদ্দেশ সফল করা ছিল সেটির লক্ষ্য।
 
সরকারের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, “সরকার চতুর্দিকে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। এই কারণেই সেনা অভ্যুত্থানের মতো ঘটনাগুলো ঘটছে। সরকারের ব্যার্থতার কারণে এই অনিশ্চয়তার সৃষ্টি।
 
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনোদিন কোনো রাজনৈতিক সরকারের অধিনে নির্বাচন করে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা যায়নি, এটি সম্ভব নয়। কার অধিনে নির্বাচন হবে সেটির মাধ্যমে বুঝা যাবে নির্বাচন কমিশন কতটা নিরপেক্ষ হবে।
 
পঞ্চদশ সংশোধনীকে ‘একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা’র উদ্দেশ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে নতুন করে সংবিধান সংশোধন করবো।
 
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক বিচারপতি এম.এ রউফ, শফিউল আলম প্রধান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আবদুল লতিফ নেজামী, ব্যারিস্টার ফাতিমা আনোয়ার, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোবিন ও মুস্তাফিজুর রহমান ইরান।
 
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) এক মানববন্ধনে সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ড ও নির‌্যাতনের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, “ভারত বাংলাদেশ সরকারকে তুচ্ছ মনে করে। তাদের এসব কর্মকাণ্ড অমানবিক নয়, এটি সরাসরি হত্যা।
 
বিশ্বের কোথাও এমন ঘটনার নজির নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশে গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে না। সরকার যদি এটি বন্ধ করতে না পারলে ক্ষমতায় থাকার কোনো নৈতিক অধিকার তাদের নেই।”

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে