Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.5/5 (11 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২১-২০১২

স্থলবন্দরে ‘কার পাস’ চালু করলেন দুই অর্থমন্ত্রী

শেখ শাহরিয়ার জামান ও আসাদুজ্জামান আসাদ


স্থলবন্দরে ‘কার পাস’ চালু করলেন দুই অর্থমন্ত্রী
বেনাপোল, জানুয়ারি ২১ - ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলে নতুন ‘কার পাস’ ব্যবস্থা উদ্বোধন করেছেন দুই দেশের অর্থমন্ত্রী। তবে ফরোয়ার্ডিং এজেন্টরা বলছেন, এ ব্যবস্থায় সময় বেশি লাগবে বলে আমদানি-রপ্তানি কমে যেতে পারে।

এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শনিবার সকালে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে সীমান্তের অপর পারে ভারতের পেট্রোপোলে যান। ভারতীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জীও সকালে সেখানে উপস্থিত হন। বেলা ১২টার পর দুই মন্ত্রী যৌথভাবে নতুন এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।

স্থল বন্দর কর্মকর্তারা জানান, এতোদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আমদানির ক্ষেত্রে ভারত থেকে ৫ পাতার এক সেট ‘ক্রু স্লিপ’ নিতে হতো ট্রাক চালকদের। আর বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির ক্ষেত্রে ৪ পাতার এক সেট কার ‘পাস স্লিপ’ ব্যবহার হতো।

নতুন ব্যবস্থায় স্থলবন্দরে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের চালকদের ৩ পাতার এক সেট ‘কার পাস’ দেওয়া হবে, যাতে তার ও তার সহকারীর নাম ও ছবি এবং পণ্যের ধরন ও পরিমাণ উল্লেখ থাকবে। সীমান্ত পেরিয়ে অন্যপাশের স্থলবন্দরে এই পাস দেখিয়েই পণ্য খালাস করতে হবে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, এতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য নিয়ে চলে যাওয়ার পথ বন্ধ হবে। তবে কার পাসের কারণে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ফরোয়ার্ডিং এজেন্টরা।

বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এ ব্যবস্থা চালুর বিপক্ষে নই। তবে তা যদি অন্য সব স্থলবন্দরে চালু না হয়, তাহলে বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কমে যেতে পারে।”

তিনি যুক্তি দেখান, এই পাস চালুর ফলে পণ্য ট্রাকে ওঠানো ও খালাসে এখনকার চেয়ে সময় বেশি লাগবে। ফলে আমদানি-রপ্তানির গতিও কমে যাবে।”

কলকাতা থেকে বেনাপোল সবচেয়ে কাছের (৮১ কিলোমিটার) স্থলবন্দর হওয়ায় এ পথ দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করাই দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধাজনক। তবে ট্রাকজট, খালাস করার যন্ত্রপাতির অভাব এবং উচ্চ ফির কারণে এ বন্দরে পণ্য আনা-নোওয়ার পরিমাণ গত কিছুদিনে কিছুটা কমে গেছে।

সিরাজ জানান, বর্তমানে প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৩০০ থেকে ৩৫০টি ট্রাকে মালামাল আসে। আর বাংলাদেশ থেকে ১০০ থেকে ১৫০টি ট্রাক ভারতে যায়।

“এর মধ্যে দিনে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ট্রাকের মালামাল নামানো যায়। অন্যদের অপেক্ষা করতে হয়”, বলেন তিনি।

সিরাজ জানান, একটি ট্রাক একদিন অপেক্ষা করলে ব্যবসায়ীদের ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। অনেক সময় মাল খালাস করতে ৫ থেকে ৭ দিন সময় লেগে যায়।

শ্রমিক সংকট ও গুদামে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার কারণেই পণ্য খালাসে সময় বেশি লাগে বলেইতনি উল্লেখ করেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে